আমাকে পালাতে বলেছিলেন ‘সিনিয়র অফিসার’: আকবর
jugantor
আমাকে পালাতে বলেছিলেন ‘সিনিয়র অফিসার’: আকবর

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০৯ নভেম্বর ২০২০, ১৮:৩৫:৫৫  |  অনলাইন সংস্করণ

সিলেটের আলোচিত রায়হান হত্যার প্রধান অভিযুক্ত সাময়িক বরখাস্তকৃত এসআই আকবর হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কানাইঘাটের ডনা সীমান্ত এলাকা থেকে আকবরকে আটক করেন স্থানীয় খাসিয়া সম্প্রদায়ের যুবকরা। পরে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়।

আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে আটক করার সময় হাতজোড় করে কাঁদছিলেন তিনি। এমনকি নিজেকে নির্দোষ হিসেবে দাবি করে তিনি বলছিলেন- ‘একজন সিনিয়র আমাকে ভাগতে বলেছিলেন।’

অভিযুক্ত আকবরের গ্রেফতারের ভিডিও ফেসবুক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। যমুনা টিভির একটি ইউটিউব ভিডিওতে দেখা যায়- একটি পাহাড়ি ছড়ায় পাথরের উপর আকবর হোসেনকে বসিয়ে রেখে হাত-পা বাঁধেন কয়েকজন যুবক। এ সময় আকবর হোসেন হাতজোড় করে কাঁদছিলেন এবং তার হাত-পা না বাঁধার অনুনয় করছিলেন।

বাঁধার আগে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন স্থানীয়রা। এ সময় কেঁদে কেঁদে আকবর বলছিলেন- ‘আমি মারিনি ভাই, আমি তাকে (রায়হানকে) প্রাণে মারার জন্য মারিনি। ৪-৫ জন মিলে মেরেছি, ওই সময় ছেলেটা মরে গেছে। অসুস্থ হওয়ার পর আমি তাকে হাসপাতালে পাঠিয়েছি।’

এ সময় আকবর আরও বলেন, ‘আমি ভাগছি, আমার সাসপেনশন হয়েছে, গ্রেফতার হতে পারি। এজন্য একজন সিনিয়র আমাকে বলেছেন- দুই মাসের জন্য কোথাও চলে যাও, দুই মাস পর পরিস্থিতি ঠাণ্ডা হলে বিষয়টা হ্যান্ডেল করা যাবে।’

আকবরকে আটককারী যুবকরা এ সময় বাংলাভাষার পাশাপাশি আদিবাসী ভাষায়ও কথা বলেন। এরপর রায়হানের হাত-পা বেঁধে পাহাড়ি ছড়া দিয়ে তাকে হাঁটিয়ে নিয়ে আসেন ওই যুবকরা।

আমাকে পালাতে বলেছিলেন ‘সিনিয়র অফিসার’: আকবর

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০৯ নভেম্বর ২০২০, ০৬:৩৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সিলেটের আলোচিত রায়হান হত্যার প্রধান অভিযুক্ত সাময়িক বরখাস্তকৃত এসআই  আকবর হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কানাইঘাটের ডনা সীমান্ত এলাকা থেকে আকবরকে আটক করেন স্থানীয় খাসিয়া সম্প্রদায়ের যুবকরা। পরে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়।

আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে আটক করার সময় হাতজোড় করে কাঁদছিলেন তিনি। এমনকি নিজেকে নির্দোষ হিসেবে দাবি করে তিনি বলছিলেন- ‘একজন সিনিয়র আমাকে ভাগতে বলেছিলেন।’

অভিযুক্ত আকবরের গ্রেফতারের ভিডিও ফেসবুক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। যমুনা টিভির একটি ইউটিউব ভিডিওতে দেখা যায়- একটি পাহাড়ি ছড়ায় পাথরের উপর আকবর হোসেনকে বসিয়ে রেখে হাত-পা বাঁধেন কয়েকজন যুবক। এ সময় আকবর হোসেন হাতজোড় করে কাঁদছিলেন এবং তার হাত-পা না বাঁধার অনুনয় করছিলেন।

বাঁধার আগে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন স্থানীয়রা। এ সময় কেঁদে কেঁদে আকবর বলছিলেন- ‘আমি মারিনি ভাই, আমি তাকে (রায়হানকে) প্রাণে মারার জন্য মারিনি। ৪-৫ জন মিলে মেরেছি, ওই সময় ছেলেটা মরে গেছে। অসুস্থ হওয়ার পর আমি তাকে হাসপাতালে পাঠিয়েছি।’

এ সময় আকবর আরও বলেন, ‘আমি ভাগছি, আমার সাসপেনশন হয়েছে, গ্রেফতার হতে পারি। এজন্য একজন সিনিয়র আমাকে বলেছেন- দুই মাসের জন্য কোথাও চলে যাও, দুই মাস পর পরিস্থিতি ঠাণ্ডা হলে বিষয়টা হ্যান্ডেল করা যাবে।’

আকবরকে আটককারী যুবকরা এ সময় বাংলাভাষার পাশাপাশি আদিবাসী ভাষায়ও কথা বলেন। এরপর রায়হানের হাত-পা বেঁধে পাহাড়ি ছড়া দিয়ে তাকে হাঁটিয়ে নিয়ে আসেন ওই যুবকরা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : পুলিশ হেফাজতে রায়হানের মৃত্যু

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন