ফুসলিয়ে শিশুকে একাধিকবার ধর্ষণ, নারীসহ গ্রেফতার ২
jugantor
ফুসলিয়ে শিশুকে একাধিকবার ধর্ষণ, নারীসহ গ্রেফতার ২

  যুগান্তর রিপোর্ট, বরগুনা ও আমতলী প্রতিনিধি  

০৯ নভেম্বর ২০২০, ২১:৫৪:৪৩  |  অনলাইন সংস্করণ

বরগুনার আমতলীতে ১৩ বছরের এক শিশুকে ফুসলিয়ে ও খুনের ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় রুবেল খলিফা (২৮) ও সহায়তাকারী রাশিদা বেগমের (৪৫) বিরুদ্ধে আমতলী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ ধর্ষক ও সহায়তাকারী নারীকে গ্রেফতার করে শিশুটিকে উদ্ধার করে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

রুবেল আমতলী বৈঠাকাটা গ্রামের সেরাজ উদ্দিন খলিফার ছেলে।

জানা গেছে, রোববার বিকাল ৪টার দিকে উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের কাউনিয়া গ্রামের হতদরিদ্র, প্রতিবন্ধী (অন্ধ) এক ব্যক্তির শিশুকন্যাকে প্রতিবেশী রাশিদা বেগম ফুসলিয়ে তার বসতঘরে নিয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পরে ওই ঘরে রুবেল খলিফা প্রবেশ করে। রাশিদা বেগম ঘর থেকে বের হলে রুবেল খলিফা ভিকটিম শিশুটির মুখ চেপে ও খুনের ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। বিষয়টি শিশু তার দাদাকে জানায়।

এর আগেও প্রতিবেশী রাশিদা বেগমের সহায়তায় ওই শিশুটিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে রুবেল খলিফা একাধিকবার ধর্ষণ করেছে বলে শিশুটি জানায়। ধর্ষণের অভিযোগে রোববার রাতেই রুবেল খলিফা ও সহায়তাকারী প্রতিবেশী রাশিদা বেগমকে আসামি করে ভিকটিমের দাদা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আমতলী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

রোববার রাতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আমতলী থানার এসআই মো. শহিদুল আলম অভিযান চালিয়ে রুবেল খলিফা ও সহায়তাকারী রাশিদা বেগমকে গ্রেফতার করে।

সোমবার সকালে শিশুর মেডিকেল পরীক্ষার জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দুপুরের পরে গ্রেফতারকৃত আসামিদের আমতলী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাকিব হোসেন তাদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

শিশুটির দাদা বলেন, রোববার বিকালে প্রতিবেশী রাশিদা বেগম আমার নাতনিকে ফুসলিয়ে তার ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে রুবেল খলিফা মুখ চেপে খুনের ভয় দেখিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনার আগেও রুবেল খলিফা প্রতিবেশী রাশিদা বেগমের সহায়তায় আমার নাতনিকে ভয়ভীতি ও খুনের ভয় দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে।

আমতলী থানার ওসি মো. শাহআলম হাওলাদার জানান, এ ঘটনায় আমতলী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত দুই আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ফুসলিয়ে শিশুকে একাধিকবার ধর্ষণ, নারীসহ গ্রেফতার ২

 যুগান্তর রিপোর্ট, বরগুনা ও আমতলী প্রতিনিধি 
০৯ নভেম্বর ২০২০, ০৯:৫৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বরগুনার আমতলীতে ১৩ বছরের এক শিশুকে ফুসলিয়ে ও খুনের ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় রুবেল খলিফা (২৮) ও সহায়তাকারী রাশিদা বেগমের (৪৫) বিরুদ্ধে আমতলী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ ধর্ষক ও সহায়তাকারী নারীকে গ্রেফতার করে শিশুটিকে উদ্ধার করে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

রুবেল আমতলী বৈঠাকাটা গ্রামের সেরাজ উদ্দিন খলিফার ছেলে।

জানা গেছে, রোববার বিকাল ৪টার দিকে উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের কাউনিয়া গ্রামের হতদরিদ্র, প্রতিবন্ধী (অন্ধ) এক ব্যক্তির শিশুকন্যাকে প্রতিবেশী রাশিদা বেগম ফুসলিয়ে তার বসতঘরে নিয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পরে ওই ঘরে রুবেল খলিফা প্রবেশ করে। রাশিদা বেগম ঘর থেকে বের হলে রুবেল খলিফা ভিকটিম শিশুটির মুখ চেপে ও খুনের ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। বিষয়টি শিশু তার দাদাকে জানায়।

এর আগেও প্রতিবেশী রাশিদা বেগমের সহায়তায় ওই শিশুটিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে রুবেল খলিফা একাধিকবার ধর্ষণ করেছে বলে শিশুটি জানায়। ধর্ষণের অভিযোগে রোববার রাতেই রুবেল খলিফা ও সহায়তাকারী প্রতিবেশী রাশিদা বেগমকে আসামি করে ভিকটিমের দাদা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আমতলী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

রোববার রাতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আমতলী থানার এসআই  মো. শহিদুল আলম অভিযান চালিয়ে রুবেল খলিফা ও সহায়তাকারী রাশিদা বেগমকে গ্রেফতার করে।

সোমবার সকালে শিশুর মেডিকেল পরীক্ষার জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দুপুরের পরে গ্রেফতারকৃত আসামিদের আমতলী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাকিব হোসেন তাদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

শিশুটির দাদা বলেন, রোববার বিকালে প্রতিবেশী রাশিদা বেগম আমার নাতনিকে ফুসলিয়ে তার ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে রুবেল খলিফা মুখ চেপে খুনের ভয় দেখিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনার আগেও রুবেল খলিফা প্রতিবেশী রাশিদা বেগমের সহায়তায় আমার নাতনিকে ভয়ভীতি ও খুনের ভয় দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে।

আমতলী থানার ওসি মো. শাহআলম হাওলাদার জানান, এ ঘটনায় আমতলী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত দুই আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন