নুহাশপল্লীতে হুমায়ূন আহমেদের ৭২তম জন্মদিন পালন
jugantor
নুহাশপল্লীতে হুমায়ূন আহমেদের ৭২তম জন্মদিন পালন

  গাজীপুর প্রতিনিধি  

১৩ নভেম্বর ২০২০, ১৭:৩৩:৩৮  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুরের নুহাশপল্লীতে জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও লেখক হুমায়ূন আহমেদের ৭২তম জন্মদিনে তাকে শ্রদ্ধা জানাতে তার কবরের পাশে শুক্রবার মানুষের ঢল নামে। নানা বয়সী হুমায়ূনভক্ত সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত প্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদের কবরে শ্রদ্ধা জানাতে ভিড় করেন নুহাশপল্লীতে।

বৃহস্পতিবার রাত ১২টা ১ মিনিটে গাজীপুর সদর উপজেলার পিরুজালী গ্রামে হাজারও মোমবাতি প্রজ্বালন করে হুমায়ুন আহমেদের হতে গড়া নূহাশপল্লীকে আলোকিত করেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

রাতেই হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন ছেলে নিষাদ ও নিনিতকে নিয়ে নুহাশপল্লীতে আসেন। পরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি দুই ছেলেকে নিয়ে হুমায়ূন আহমেদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং কবরের পাশে ফাতেহাপাঠ, কবর জিয়ারত ও মোনাজাত করেন।

কবর জিয়ারত শেষে নুহাশপল্লীতে হোয়াইট হাউসের পাশে স্থাপিত হুমায়ূন আহমেদের ম্যুরালের সামনে আপেলতলায় হুমায়ুন আহমেদের ৭২তম জন্মদিনের কেক কাটেন তার দুই ছেলে নিষাদ ও নিনিত।

এ সময় শতাধিক হুমায়ূনভক্ত, গণমাধ্যমকর্মী ও নুহাশপল্লীর কর্মচারীসহ এলাকার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

দিবসটি উপলক্ষে শুক্রবার সকাল থেকেই হুমায়ূন আহমেদের ভক্তরা নুহাশপল্লীতে ভিড় জমাতে শুরু করেন। তারা তাদের প্রিয় লেখকের কবরে ফুল দেন এবং নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে থেকে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। ভক্তরা দিনভর তাদের প্রিয় লেখকের হাতে গড়া নুহাশপল্লী ঘুরে দেখেন।

লেখকের স্বপ্ন ধীরে ধীরে পূরণ হচ্ছে জানিয়ে স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন সাংবাদিকদের বলেন, নতুন প্রজন্ম বিশেষ করে এ সময়ের তরুণ ও যুবকরা হুমায়ূন আহমেদের লেখা পাঠ করছেন এবং তার লেখার ভেতরকার রস, বোধ ও মানবিকতার সঙ্গে পরিচিত হচ্ছেন এটা বিস্ময়কর।

উল্লেখ্য, সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনার কেন্দুয়া থানার কুতুবপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। দূরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ২০১২ সালের ১৯ জুলাই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে গাজীপুরের নুহাশপল্লীতে তাকে সমাহিত করা হয়।

নুহাশপল্লীতে হুমায়ূন আহমেদের ৭২তম জন্মদিন পালন

 গাজীপুর প্রতিনিধি 
১৩ নভেম্বর ২০২০, ০৫:৩৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুরের নুহাশপল্লীতে জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও লেখক হুমায়ূন আহমেদের ৭২তম জন্মদিনে তাকে শ্রদ্ধা জানাতে তার কবরের পাশে শুক্রবার মানুষের ঢল নামে। নানা বয়সী হুমায়ূনভক্ত সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত প্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদের কবরে শ্রদ্ধা জানাতে ভিড় করেন নুহাশপল্লীতে।

বৃহস্পতিবার রাত ১২টা ১ মিনিটে গাজীপুর সদর উপজেলার পিরুজালী গ্রামে হাজারও মোমবাতি প্রজ্বালন করে হুমায়ুন আহমেদের হতে গড়া নূহাশপল্লীকে আলোকিত করেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

রাতেই হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন ছেলে নিষাদ ও নিনিতকে নিয়ে নুহাশপল্লীতে আসেন। পরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি দুই ছেলেকে নিয়ে হুমায়ূন আহমেদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং কবরের পাশে ফাতেহাপাঠ, কবর জিয়ারত ও মোনাজাত করেন।

কবর জিয়ারত শেষে নুহাশপল্লীতে হোয়াইট হাউসের পাশে স্থাপিত হুমায়ূন আহমেদের ম্যুরালের সামনে আপেলতলায় হুমায়ুন আহমেদের ৭২তম জন্মদিনের কেক কাটেন তার দুই ছেলে নিষাদ ও নিনিত।

এ সময় শতাধিক হুমায়ূনভক্ত, গণমাধ্যমকর্মী ও নুহাশপল্লীর কর্মচারীসহ এলাকার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

দিবসটি উপলক্ষে শুক্রবার সকাল থেকেই হুমায়ূন আহমেদের ভক্তরা নুহাশপল্লীতে ভিড় জমাতে শুরু করেন। তারা তাদের প্রিয় লেখকের কবরে ফুল দেন এবং নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে থেকে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। ভক্তরা দিনভর তাদের প্রিয় লেখকের হাতে গড়া নুহাশপল্লী ঘুরে দেখেন।

লেখকের স্বপ্ন ধীরে ধীরে পূরণ হচ্ছে জানিয়ে স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন সাংবাদিকদের বলেন, নতুন প্রজন্ম বিশেষ করে এ সময়ের তরুণ ও যুবকরা হুমায়ূন আহমেদের লেখা পাঠ করছেন এবং তার লেখার ভেতরকার রস, বোধ ও মানবিকতার সঙ্গে পরিচিত হচ্ছেন এটা বিস্ময়কর।

উল্লেখ্য, সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনার কেন্দুয়া থানার কুতুবপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। দূরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ২০১২ সালের ১৯ জুলাই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে গাজীপুরের নুহাশপল্লীতে তাকে সমাহিত করা হয়।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন