৩৪ জলদস্যু আত্মসমর্পণের পর উপকূলে স্বস্তি
jugantor
৩৪ জলদস্যু আত্মসমর্পণের পর উপকূলে স্বস্তি

  আবু বক্কর বাবুল, বাঁশখালী (চট্টগ্রাম)  

১৩ নভেম্বর ২০২০, ২০:১৯:৫০  |  অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের পাঁচ উপজেলার ৩৪ জলদস্যু আত্মসমর্পণের পর বাঁশখালী উপকূলীয় এলাকার জেলে পরিবারগুলো স্বস্তি প্রকাশ করছে। শুক্রবার সকালে বাঁশখালী উপজেলার বিভিন্ন জেলে পরিবারের সঙ্গে কথা বললে তারা তাদের স্বস্তির কথা জানায়।

বৃহস্পতিবার বাঁশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দুপুর ১২টার দিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের কাছে অস্ত্রসহ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের ৫ উপজেলার ৩৪ জলদস্যু আত্মসমর্পণ করেন।

বিগত বছরগুলোতে জলদস্যুদের ভয়ে ভরা মৌসুমে মাছ শিকার করতে নানান ধরনের ভোগান্তি পোহাতে হতো স্থানীয় জেলেদের। জলদস্যুরা কখনও জেলেদের অপহরণ কখনও ফিশিং ট্রলার থেকে মাছ-জালসহ সবকিছু লুটে নিত।

বাঁশখালী উপজেলার খানখানাবাদ ইউনিয়নের শাহআলম মাঝির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতি বছর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে জলদস্যুদের হামলার শিকার হতে হয়। কখনও জাল কখনও মাছ অথবা কোনো মাঝিমাল্লাকে অপহরণ করে নিয়ে যায় জলদস্যুরা।

উপজেলার শীলকূপ ইউনিয়নের মনকির এলাকার আজিজ মাঝি জানান, জলদস্যুদের ভয়ে মাঝিমাল্লারা অনেক সময় সমুদ্র যেতে ভয় পেতেন এবং আতঙ্কে থাকতেন। সরকার ও র্যাআবের যৌথ প্রচেষ্টায় জলদস্যুদের আত্মসমর্পণের ঘটনায় তিনি কৃতজ্ঞ। দস্যুদের আত্মসমর্পণের পরে নির্বিঘ্নে সমুদ্র গিয়ে মাছ ধরার প্রত্যাশা করেন তিনি।

বাঁশখালীর ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি হেফাজুল ইসলাম জানান, জলদস্যুদের ভয়ে বাঁশখালী উপকূলের ৩০ হাজার জেলে পরিবার প্রতিনিয়ত আতঙ্কে দিন কাটাত। জলদস্যুদের আত্মসমর্পণের পর জেলে পরিবারগুলোতে আতঙ্ক কেটে গেছে।

চট্টগ্রামের বাঁশখালীর সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী বলেন, বাঁশখালীর উপকূলের জলদস্যুরা আত্মসমর্পণের পর জেলেদের মাঝে আতঙ্ক কেটেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার বাঁশখালীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে জলদস্যুদের আত্মসমর্পণের সুযোগ করে দেয়ায় দেশে এখন জলদস্যু নেই বললেই চলে। জলদস্যু আত্মসমর্পণের সহযোগিতা করায় র্যা ব ও পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন তিনি।

৩৪ জলদস্যু আত্মসমর্পণের পর উপকূলে স্বস্তি

 আবু বক্কর বাবুল, বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) 
১৩ নভেম্বর ২০২০, ০৮:১৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের পাঁচ উপজেলার ৩৪ জলদস্যু আত্মসমর্পণের পর বাঁশখালী উপকূলীয় এলাকার জেলে পরিবারগুলো স্বস্তি প্রকাশ করছে। শুক্রবার সকালে বাঁশখালী উপজেলার বিভিন্ন জেলে পরিবারের সঙ্গে কথা বললে তারা তাদের স্বস্তির কথা জানায়।

বৃহস্পতিবার বাঁশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দুপুর ১২টার দিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের কাছে অস্ত্রসহ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের ৫ উপজেলার ৩৪ জলদস্যু আত্মসমর্পণ করেন।

বিগত বছরগুলোতে জলদস্যুদের ভয়ে ভরা মৌসুমে মাছ শিকার করতে নানান ধরনের ভোগান্তি পোহাতে হতো স্থানীয় জেলেদের। জলদস্যুরা কখনও জেলেদের অপহরণ কখনও ফিশিং ট্রলার থেকে মাছ-জালসহ সবকিছু লুটে নিত।

বাঁশখালী উপজেলার খানখানাবাদ ইউনিয়নের শাহআলম মাঝির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতি বছর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে জলদস্যুদের হামলার শিকার হতে হয়। কখনও জাল কখনও মাছ অথবা কোনো মাঝিমাল্লাকে অপহরণ করে নিয়ে যায় জলদস্যুরা।

উপজেলার শীলকূপ ইউনিয়নের মনকির এলাকার আজিজ মাঝি জানান, জলদস্যুদের ভয়ে মাঝিমাল্লারা অনেক সময় সমুদ্র যেতে ভয় পেতেন এবং আতঙ্কে থাকতেন। সরকার ও র্যাআবের যৌথ প্রচেষ্টায় জলদস্যুদের আত্মসমর্পণের ঘটনায় তিনি কৃতজ্ঞ। দস্যুদের আত্মসমর্পণের পরে নির্বিঘ্নে সমুদ্র গিয়ে মাছ ধরার প্রত্যাশা করেন তিনি।

বাঁশখালীর ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি হেফাজুল ইসলাম জানান,  জলদস্যুদের ভয়ে বাঁশখালী উপকূলের ৩০ হাজার জেলে পরিবার প্রতিনিয়ত আতঙ্কে দিন কাটাত। জলদস্যুদের আত্মসমর্পণের পর জেলে পরিবারগুলোতে আতঙ্ক কেটে গেছে।

চট্টগ্রামের বাঁশখালীর সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী বলেন, বাঁশখালীর উপকূলের জলদস্যুরা আত্মসমর্পণের পর জেলেদের মাঝে আতঙ্ক কেটেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার বাঁশখালীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে জলদস্যুদের আত্মসমর্পণের সুযোগ করে দেয়ায় দেশে এখন জলদস্যু নেই বললেই চলে। জলদস্যু আত্মসমর্পণের সহযোগিতা করায় র্যা ব ও পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন তিনি।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন