অ্যাম্বুলেন্সে অক্সিজেন খুলে কম্বল চাপায় রাধাকে হত্যা করা হয়
jugantor
অ্যাম্বুলেন্সে অক্সিজেন খুলে কম্বল চাপায় রাধাকে হত্যা করা হয়

  কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি  

১৫ নভেম্বর ২০২০, ২১:০৯:০৮  |  অনলাইন সংস্করণ

অ্যাম্বুলেন্সে অক্সিজেন খুলে কম্বল চাপায় হত্যা করা হয় রাধা রাণী রায়কে (৪৩)। হত্যার পর কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ফেলে রেখে যাওয়ার ৭ দিনের মাথায় খুনের সঙ্গে জড়িত অ্যাম্বুলেন্সচালকসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ বিষয়ে রোববার কুষ্টিয়া পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং করা হয়েছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ৫ নভেম্বর কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কের করাতকান্দি বিলের পাশে অজ্ঞাতনামা নারীর লাশ উদ্ধার করে কুমারখালী থানা পুলিশ। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ছয় ঘণ্টার মধ্যে লাশের পরিচয় বের করা হয়।

নিহত ওই নারী নীলফামারী সদর উপজেলার সন্তোষ চন্দ্র রায়ের স্ত্রী রাধা রাণী রায় (৪৩)। ৬ নভেম্বর তার ভাই সুভাস চন্দ্র রায় কুমারখালী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

কুমারখালী থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার, সিসিটিভি ফুটেজ ও বিভিন্ন কৌশলে হত্যার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করেন। শুক্রবার অ্যাম্বুলেন্সচালক বরিশালের উজিরপুর উপজেলার চান মোল্লার ছেলে হানিফ মোল্লাকে (৩০) অ্যাম্বুলেন্সসহ গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের পর তার স্বীকারোক্তিতে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জে কাজের সুবাদে রাধা রানীর সঙ্গে বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার শোলক ইউনিয়নের বহরকাঠি গ্রামের আবদুর রশিদের সঙ্গে ঢাকায় তার পরিচয় হয়। তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে তাদের বিয়ে হলে রাধা রানী দ্বিতীয় স্বামী রশিদের বাড়িতে থাকতেন। তবে তার পরিবারের কেউ বিষয়টি জানতো না।

হানিফ মোল্লা জানান, এর মধ্যে রাধা রানী অসুস্থ হয়ে পড়েন। ৪ নভেম্বর রাতে অসুস্থ রাধা রানীকে অ্যাম্বুলেন্সে করে বরিশাল থেকে নীলফামারী নিয়ে যাওয়ার সময় অক্সিজেন মাস্ক খুলে কম্বল চাপা দিয়ে হত্যা করে তার লাশ কুমারখালী উপজেলায় সড়কের পাশে ফেলে রেখে যায়।

প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, অ্যাম্বুলেন্সচালক হানিফ মোল্লার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে শনিবার গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানার লামা আশুলিয়া থেকে রাধার স্বামী আবদুর রশিদ (৩৫) ও রোববার বরিশাল জেলার গৌরনদী থানার বাটাজোর থেকে হত্যাকাণ্ডে সহায়তাকারী মো. আলামিন খলিফাকে (৪০) পুলিশের পৃথক দুটি দল গ্রেফতার করে।

অ্যাম্বুলেন্সে অক্সিজেন খুলে কম্বল চাপায় রাধাকে হত্যা করা হয়

 কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি 
১৫ নভেম্বর ২০২০, ০৯:০৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

অ্যাম্বুলেন্সে অক্সিজেন খুলে কম্বল চাপায় হত্যা করা হয় রাধা রাণী রায়কে (৪৩)। হত্যার পর কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ফেলে রেখে যাওয়ার ৭ দিনের মাথায় খুনের সঙ্গে জড়িত অ্যাম্বুলেন্সচালকসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ বিষয়ে রোববার কুষ্টিয়া পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং করা হয়েছে। 

প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ৫ নভেম্বর কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কের করাতকান্দি বিলের পাশে অজ্ঞাতনামা নারীর লাশ উদ্ধার করে কুমারখালী থানা পুলিশ। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ছয় ঘণ্টার মধ্যে লাশের পরিচয় বের করা হয়।

নিহত ওই নারী নীলফামারী সদর উপজেলার সন্তোষ চন্দ্র রায়ের স্ত্রী রাধা রাণী রায় (৪৩)। ৬ নভেম্বর তার ভাই সুভাস চন্দ্র রায় কুমারখালী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

কুমারখালী থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার, সিসিটিভি ফুটেজ ও বিভিন্ন কৌশলে হত্যার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করেন। শুক্রবার অ্যাম্বুলেন্সচালক বরিশালের উজিরপুর উপজেলার চান মোল্লার ছেলে হানিফ মোল্লাকে (৩০) অ্যাম্বুলেন্সসহ গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের পর তার স্বীকারোক্তিতে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জে কাজের সুবাদে রাধা রানীর সঙ্গে বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার শোলক ইউনিয়নের বহরকাঠি গ্রামের আবদুর রশিদের সঙ্গে ঢাকায় তার পরিচয় হয়। তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে তাদের বিয়ে হলে রাধা রানী দ্বিতীয় স্বামী রশিদের বাড়িতে থাকতেন। তবে তার পরিবারের কেউ বিষয়টি জানতো না।

হানিফ মোল্লা জানান, এর মধ্যে রাধা রানী অসুস্থ হয়ে পড়েন। ৪ নভেম্বর রাতে অসুস্থ রাধা রানীকে অ্যাম্বুলেন্সে করে বরিশাল থেকে নীলফামারী নিয়ে যাওয়ার সময় অক্সিজেন মাস্ক খুলে কম্বল চাপা দিয়ে হত্যা করে তার লাশ কুমারখালী উপজেলায় সড়কের পাশে ফেলে রেখে যায়।

প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, অ্যাম্বুলেন্সচালক হানিফ মোল্লার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে শনিবার গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানার লামা আশুলিয়া থেকে রাধার স্বামী আবদুর রশিদ (৩৫) ও রোববার বরিশাল জেলার গৌরনদী থানার বাটাজোর থেকে হত্যাকাণ্ডে সহায়তাকারী মো. আলামিন খলিফাকে (৪০) পুলিশের পৃথক দুটি দল গ্রেফতার করে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন