ভবন আছে কিন্তু ডাক্তার নেই গলাচিপার মা ও শিশু হাসপাতালে
jugantor
ভবন আছে কিন্তু ডাক্তার নেই গলাচিপার মা ও শিশু হাসপাতালে

  গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি  

১৮ নভেম্বর ২০২০, ১৮:৫৩:০৮  |  অনলাইন সংস্করণ

হাসপাতালের ভবন আছে, প্রয়োজনীয় পরিমাণ আসবাবপত্র আছে, প্রচুর রোগীও আছে; চিকিৎসকদের জন্য আবাসিক ভবনও আছে। নেই শুধু চিকিৎসক ও চিকিৎসা সরঞ্জাম। এ অবস্থা বিরাজ করছে উপজেলার পানপট্টি ইউনিয়নে স্থাপিত একমাত্র মা ও শিশু হাসপাতাল।

একজন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক, একজন পাহারাদার ও ঝাড়ুদার দিয়ে চলছে এ হাসপাতালের কার্যক্রম। অথচ ১০ শয্যাবিশিষ্ট এ হাসপাতালটির অবকাঠামো নির্মাণ শেষ হয়েছে দুই বছর আগে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিয়োগ দেয়নি কোনো চিকিৎসক, সেবিকা, টেকনিশিয়ানসহ কর্মকর্তা-কর্মচারী।

সরেজমিন দেখা গেছে, এখানে বসবাস ও বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকা ফেরদৌসী বেগম। তিনি জানান, এখানে কমসংখ্যক লোকজন থাকায় অনেকটা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন। অবশ্য একজন নৈশপ্রহরী ও সুইপার এখানে কর্মরত রয়েছেন।

এদিকে গলাচিপা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান জানান, সরকারি বিধি অনুযায়ী একজন মেডিকেল অফিসার, টেকনিশিয়ান, সেবিকা নিয়োগ দেয়ার নিয়ম রয়েছে। এ নিয়োগ দেয়ার দায়িত্ব রয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য মহাপরিচালকের দফতরের। কী কারণে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে না, তা আমার জানা নেই।

তিনি আরও জানান, ওই মা ও শিশু হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা দেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি এখনও সরবরাহ করা হয়নি।

এ ব্যাপারে পানপট্টি ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম জানান, দুই বছর আগে ভবনসহ সব অবকাঠামো নির্মাণ হলেও নেই চিকিৎসক, চিকিৎসা সরঞ্জাম, প্রয়োজনীয় সংখ্যক জনবল। চিকিৎসাসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার মা ও শিশু হাসপাতালটি নির্মাণ করেছে কিন্তু সরকারের সে উদ্দেশ্য ভেস্তে যাচ্ছে। গরিব সাধারণ মানুষ বঞ্চিত হচ্ছেন চিকিৎসাসেবা থেকে।

তিনি জানান, এ চিকিৎসাসেবা সুবিধা বিশেষ করে সিজারিয়ান করার ব্যবস্থা গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও নেই। এজন্য যেতে হয় জেলা সদর পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে; যা সাধারণ গরিব মানুষের পক্ষে সম্ভব নয় বলে তিনি জানান।

ভবন আছে কিন্তু ডাক্তার নেই গলাচিপার মা ও শিশু হাসপাতালে

 গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি 
১৮ নভেম্বর ২০২০, ০৬:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

হাসপাতালের ভবন আছে, প্রয়োজনীয় পরিমাণ আসবাবপত্র আছে, প্রচুর রোগীও আছে; চিকিৎসকদের জন্য আবাসিক ভবনও আছে। নেই শুধু চিকিৎসক ও চিকিৎসা সরঞ্জাম। এ অবস্থা বিরাজ করছে উপজেলার পানপট্টি ইউনিয়নে স্থাপিত একমাত্র মা ও শিশু হাসপাতাল।

একজন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক, একজন পাহারাদার ও ঝাড়ুদার দিয়ে চলছে এ হাসপাতালের কার্যক্রম। অথচ ১০ শয্যাবিশিষ্ট এ হাসপাতালটির অবকাঠামো নির্মাণ শেষ হয়েছে দুই বছর আগে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিয়োগ দেয়নি কোনো চিকিৎসক, সেবিকা, টেকনিশিয়ানসহ কর্মকর্তা-কর্মচারী।

সরেজমিন দেখা গেছে, এখানে বসবাস ও বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকা ফেরদৌসী বেগম। তিনি জানান, এখানে কমসংখ্যক লোকজন থাকায় অনেকটা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন। অবশ্য একজন নৈশপ্রহরী ও সুইপার এখানে কর্মরত রয়েছেন।

এদিকে গলাচিপা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান জানান, সরকারি বিধি অনুযায়ী একজন মেডিকেল অফিসার, টেকনিশিয়ান, সেবিকা নিয়োগ দেয়ার নিয়ম রয়েছে। এ নিয়োগ দেয়ার দায়িত্ব রয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য মহাপরিচালকের দফতরের। কী কারণে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে না, তা আমার জানা নেই।

তিনি আরও জানান, ওই মা ও শিশু হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা দেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি এখনও সরবরাহ করা হয়নি।

এ ব্যাপারে পানপট্টি ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম জানান, দুই বছর আগে ভবনসহ সব অবকাঠামো নির্মাণ হলেও নেই চিকিৎসক, চিকিৎসা সরঞ্জাম, প্রয়োজনীয় সংখ্যক জনবল। চিকিৎসাসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার মা ও শিশু হাসপাতালটি নির্মাণ করেছে কিন্তু সরকারের সে উদ্দেশ্য ভেস্তে যাচ্ছে। গরিব সাধারণ মানুষ বঞ্চিত হচ্ছেন চিকিৎসাসেবা থেকে।

তিনি জানান, এ চিকিৎসাসেবা সুবিধা বিশেষ করে সিজারিয়ান করার ব্যবস্থা গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও নেই। এজন্য যেতে হয় জেলা সদর পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে; যা সাধারণ গরিব মানুষের পক্ষে সম্ভব নয় বলে তিনি জানান।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন