তালতলীতে ধান কেটে নিয়েছে লাঠিয়াল বাহিনী
jugantor
তালতলীতে ধান কেটে নিয়েছে লাঠিয়াল বাহিনী

  আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি  

১৮ নভেম্বর ২০২০, ২২:২২:৩০  |  অনলাইন সংস্করণ

বরগুনার তালতলী উপজেলার পশ্চিম গাবতলী গ্রামের মো. হারুন অর রশিদ মুন্সির দেড় একর জমির ধান জোরপূর্বক কেটে নিয়েছে লাঠিয়াল বাহিনী। এতে বাধা দিলে লাঠিয়াল বাহিনীর হামলায় দুইজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনা ঘটে বুধবার সকালে।

খবর পেয়ে তালতলী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে কিছু ধান উদ্ধার করে স্থানীয় গ্রামপুলিশের জিম্মায় রেখে দেয়।

জানা গেছে, উপজেলার পশ্চিম গাবতলী গ্রামের মৃত হাতেম আলী চার একর ২৫ শতাংশ জমি পৈতৃক সূত্রে মালিক। ১৯৭০ সালে পর্যায়ক্রমে ওই জমি হাতেম আলী তার ভাই আবদুল গনি ও স্থানীয় জলিল ফরাজীর কাছে বিক্রি করে দেন। আবদুল গনির মৃত্যুতে ওই জমির মালিক হন হারুন অর রশিদ মুন্সি।

গত বছর হাতেম আলীর ছেলে শাহাজাহান ওই জমি তার দাবি করে হালচাষ শুরু করেন। কিন্তু জমির মালিক হারুন অর রশিদ মুন্সির বাধার কারণে জমি চাষ করতে পারেননি শাহজাহান। এ নিয়ে ছোটবগী ইউপি চেয়ারম্যান তৌফিকুজ্জামান তনুর নেতৃত্বে কয়েক দফায় সালিশ বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে শাহজাহান জমি পাননি।

বুধবার শাহজাহানের নেতৃত্বে আবদুল খালেক শরীফ, নজরুল বিশ্বাস, স্বপন আকন, শামীম গোলেন্দাজ ও নুরুল ইসলামসহ অর্ধশতাধিক লাঠিয়াল বাহিনী এসে ওই জমির ধান কর্তন করে। এতে বাধা দিলে হাবিবুর রহমান ও সিদ্দিক ফরাজীকে লাঠিয়াল বাহিনী পিটিয়ে আহত করে। তাদের আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

খবর পেয়ে তালতলী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে লাঠিয়াল বাহিনী পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ওই জমির কিছু ধান উদ্ধার করে স্থানীয় গ্রামপুলিশ জয়দেব পাইকের জিম্মায় রেখে যায়।

স্থানীয় আউয়ূব আলী ফরাজী, মতিউর রহমান খান, আবদুল ওহাব, মামুন মোল্লা, হাবিব মুন্সি ও পনু খান বলেন, শাহজাহানের নেতৃত্বে আবদুল খালেক শরীফ, নজরুল বিশ্বাস, স্বপন আকন, শামীম গোলেন্দাজ ও নুরুল ইসলামসহ অর্ধশতাধিক লাঠিয়াল বাহিনী এসে জমির ধান কেটে নিয়ে গেছে।

তারা আরও বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ গেলে লাঠিয়াল বাহিনী পালিয়ে যায়।

জমির মালিক মো. হারুন অর রশিদ মুন্সি বলেন, জোরপূর্বক শাহজাহান, আবদুল খালেক শরীফ ও শামীম গোলেন্দাজসহ অর্ধশতাধিক লাঠিয়াল বাহিনী এসে আমার জমির ধান কেটে নিয়ে গেছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।

এ বিষয়ে শাহজাহানের ছেলে রুবেল বলেন, আমার পৈতৃক সম্পত্তির ধান আমরা কেটেছি।

আমতলী থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে ধান উদ্ধার করে স্থানীয় গ্রামপুলিশের জিম্মায় রেখে এসেছি। এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তালতলীতে ধান কেটে নিয়েছে লাঠিয়াল বাহিনী

 আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি 
১৮ নভেম্বর ২০২০, ১০:২২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বরগুনার তালতলী উপজেলার পশ্চিম গাবতলী গ্রামের মো. হারুন অর রশিদ মুন্সির দেড় একর জমির ধান জোরপূর্বক কেটে নিয়েছে লাঠিয়াল বাহিনী। এতে বাধা দিলে লাঠিয়াল বাহিনীর হামলায় দুইজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনা ঘটে বুধবার সকালে।

খবর পেয়ে তালতলী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে কিছু ধান উদ্ধার করে স্থানীয় গ্রামপুলিশের জিম্মায় রেখে দেয়।

জানা গেছে, উপজেলার পশ্চিম গাবতলী গ্রামের মৃত হাতেম আলী চার একর ২৫ শতাংশ জমি পৈতৃক সূত্রে মালিক। ১৯৭০ সালে পর্যায়ক্রমে ওই জমি হাতেম আলী তার ভাই আবদুল গনি ও স্থানীয় জলিল ফরাজীর কাছে বিক্রি করে দেন। আবদুল গনির মৃত্যুতে ওই জমির মালিক হন হারুন অর রশিদ মুন্সি।

গত বছর হাতেম আলীর ছেলে শাহাজাহান ওই জমি তার দাবি করে হালচাষ শুরু করেন। কিন্তু জমির মালিক হারুন অর রশিদ মুন্সির বাধার কারণে জমি চাষ করতে পারেননি শাহজাহান। এ নিয়ে ছোটবগী ইউপি চেয়ারম্যান তৌফিকুজ্জামান তনুর নেতৃত্বে কয়েক দফায় সালিশ বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে শাহজাহান জমি পাননি।

বুধবার শাহজাহানের নেতৃত্বে আবদুল খালেক শরীফ, নজরুল বিশ্বাস, স্বপন আকন, শামীম গোলেন্দাজ ও নুরুল ইসলামসহ অর্ধশতাধিক লাঠিয়াল বাহিনী এসে ওই জমির ধান কর্তন করে। এতে বাধা দিলে হাবিবুর রহমান ও সিদ্দিক ফরাজীকে লাঠিয়াল বাহিনী পিটিয়ে আহত করে। তাদের আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

খবর পেয়ে তালতলী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে লাঠিয়াল বাহিনী পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ওই জমির কিছু ধান উদ্ধার করে স্থানীয় গ্রামপুলিশ জয়দেব পাইকের জিম্মায় রেখে যায়।

স্থানীয় আউয়ূব আলী ফরাজী, মতিউর রহমান খান, আবদুল ওহাব, মামুন মোল্লা, হাবিব মুন্সি ও পনু খান বলেন, শাহজাহানের নেতৃত্বে আবদুল খালেক শরীফ, নজরুল বিশ্বাস, স্বপন আকন, শামীম গোলেন্দাজ ও নুরুল ইসলামসহ অর্ধশতাধিক লাঠিয়াল বাহিনী এসে জমির ধান কেটে নিয়ে গেছে।

তারা আরও বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ গেলে লাঠিয়াল বাহিনী পালিয়ে যায়।

জমির মালিক মো. হারুন অর রশিদ মুন্সি বলেন, জোরপূর্বক শাহজাহান, আবদুল খালেক শরীফ ও শামীম গোলেন্দাজসহ অর্ধশতাধিক লাঠিয়াল বাহিনী এসে আমার জমির ধান কেটে নিয়ে গেছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।

এ বিষয়ে শাহজাহানের ছেলে রুবেল বলেন, আমার পৈতৃক সম্পত্তির ধান আমরা কেটেছি।

আমতলী থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে ধান উদ্ধার করে স্থানীয় গ্রামপুলিশের জিম্মায় রেখে এসেছি। এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন