সোনারগাঁয়ে পরিবার পরিকল্পনা সহকারীসহ ৩ জনকে পিটিয়ে জখম
jugantor
সোনারগাঁয়ে পরিবার পরিকল্পনা সহকারীসহ ৩ জনকে পিটিয়ে জখম

  যুগান্তর রিপোর্ট, সোনারগাঁ  

১৯ নভেম্বর ২০২০, ১৮:১৪:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

জমিসংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা সহকারী নূরতাজ বেগমসহ তিনজনকে পিটিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষরা। তাদের সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে পিরোজপুর দুধঘাটা এলাকায় এ ঘটনার পর বিকালে সোনারগাঁ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের দুধঘাটা এলাকায় মৃত আবদুল মান্নানের স্ত্রীর সঙ্গে তার ভাসুর আমিনুল ইসলামের দীর্ঘদিন যাবত জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। আবদুল মান্নান মৃত্যুকালে তার দুই কন্যাসন্তান রেখে যান। এই দুই কন্যাসন্তানের জমি আত্মসাতের চেষ্টা চালায় আমিনুল ইসলাম। এ নিয়ে প্রথমে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।

এ বিরোধের জের ধরে বৃহস্পতিবার সকালে হাসনা আরা বেগমের সঙ্গে আমিনুল ইসলামের কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে তার সহযোগী খোকন, কবির, রোকেয়া, তাহমিনা ও রানুসহ ৮-১০ জন লাঠিসোটা, লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্রেশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হাসনা আরা বেগমের ঘরে হামলা চালায়।

হামলাকারীরা হাসনা আরা বেগম ও তার মেয়ে সোনারগাঁ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা সহকারী নূরতাজ বেগমকে পিটিয়ে আহত করে। এ সময় পার্শ্ববর্তী ঘরে থাকা নূরতাজের স্বামী তাদের বাঁচাতে এগিয়ে গেলে হামলাকারীরা তাকেও পিটিয়ে আহত করে। হামলাকারীরা বাড়িঘরে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। তারা নগদ টাকা, মোবাইলসেট ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়। আহতদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে গেলে হামলাকারীরা হত্যার হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়।

আহত হাসনা আরা বেগম বলেন, মৃত্যুকালে তার স্বামী দুইজন কন্যাসন্তান রেখে যান। তার স্বামীর মৃত্যুর পর তার ভাসুর ও ভাসুরের ছেলেরা তার স্বামীর সম্পত্তি আত্মসাৎ করার জন্য পাঁয়তারা শুরু করে। একপর্যায়ে আমাদের বাড়িছাড়া করতে নানারকম ষড়যন্ত্র করার পাশাপাশি ভয়ভীতি দেখানো শুরু করে। এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় আমাদের হত্যার উদ্দেশ্যে ঘরে প্রবেশ করে ও পিটিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করে। এর আগেও রান্নাঘরে প্রবেশ করে আমাদের হত্যার উদ্দেশ্যে খাবারে বিষ মিশিয়ে দেয়। এ বিষয়টি এলাকার সবাই অবগত রয়েছেন।

এ ব্যাপারে আমিনুল ইসলাম বলেন, তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।

সোনারগাঁও থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সোনারগাঁয়ে পরিবার পরিকল্পনা সহকারীসহ ৩ জনকে পিটিয়ে জখম

 যুগান্তর রিপোর্ট, সোনারগাঁ 
১৯ নভেম্বর ২০২০, ০৬:১৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

জমিসংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা সহকারী নূরতাজ বেগমসহ তিনজনকে পিটিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষরা। তাদের সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে পিরোজপুর দুধঘাটা এলাকায় এ ঘটনার পর বিকালে সোনারগাঁ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের দুধঘাটা এলাকায় মৃত আবদুল মান্নানের স্ত্রীর সঙ্গে তার ভাসুর আমিনুল ইসলামের দীর্ঘদিন যাবত জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। আবদুল মান্নান মৃত্যুকালে তার দুই কন্যাসন্তান রেখে যান। এই দুই কন্যাসন্তানের জমি আত্মসাতের চেষ্টা চালায় আমিনুল ইসলাম। এ নিয়ে প্রথমে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।

এ বিরোধের জের ধরে বৃহস্পতিবার সকালে হাসনা আরা বেগমের সঙ্গে আমিনুল ইসলামের কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে তার সহযোগী খোকন, কবির, রোকেয়া, তাহমিনা ও রানুসহ ৮-১০ জন লাঠিসোটা, লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্রেশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হাসনা আরা বেগমের ঘরে হামলা চালায়।

হামলাকারীরা হাসনা আরা বেগম ও তার মেয়ে সোনারগাঁ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা সহকারী নূরতাজ বেগমকে পিটিয়ে আহত করে। এ সময় পার্শ্ববর্তী ঘরে থাকা নূরতাজের স্বামী তাদের বাঁচাতে এগিয়ে গেলে হামলাকারীরা তাকেও পিটিয়ে আহত করে। হামলাকারীরা বাড়িঘরে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। তারা নগদ টাকা, মোবাইলসেট ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়। আহতদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে গেলে হামলাকারীরা হত্যার হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়।

আহত  হাসনা আরা বেগম বলেন, মৃত্যুকালে তার স্বামী দুইজন কন্যাসন্তান রেখে যান। তার স্বামীর মৃত্যুর পর তার ভাসুর ও ভাসুরের ছেলেরা তার স্বামীর সম্পত্তি আত্মসাৎ করার জন্য পাঁয়তারা শুরু করে। একপর্যায়ে আমাদের বাড়িছাড়া করতে নানারকম ষড়যন্ত্র করার পাশাপাশি ভয়ভীতি দেখানো শুরু করে। এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় আমাদের হত্যার উদ্দেশ্যে ঘরে প্রবেশ করে ও পিটিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করে।  এর আগেও রান্নাঘরে প্রবেশ করে আমাদের হত্যার উদ্দেশ্যে খাবারে বিষ মিশিয়ে দেয়। এ বিষয়টি এলাকার সবাই অবগত রয়েছেন।

এ ব্যাপারে আমিনুল ইসলাম বলেন, তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।

সোনারগাঁও থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন