অপহরণের পর হত্যা মামলায় বান্দরবানে ৬ জনের যাবজ্জীবন
jugantor
অপহরণের পর হত্যা মামলায় বান্দরবানে ৬ জনের যাবজ্জীবন

  বান্দরবান প্রতিনিধি  

১৯ নভেম্বর ২০২০, ১৮:১৮:৪৩  |  অনলাইন সংস্করণ

বান্দরবানের রাজবিলায় অপহরণের পর হত্যা মামলায় ছয় আসামিকে যাবজ্জীবন এবং প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার বান্দরবান অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আবু হানিফের আদালত এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- উবাচিং মারমা, সাচিং প্রু মারমা, মংহ্লাচিং মারমা, রেজাউল করীম, উমংপ্রু মারমা ও পুলুশে মারমা। এদের মধ্যে পুলুশে মারমা পলাতক রয়েছে। বাকিরা কারাগারে।

আদালত ও আইনজীবীরা জানান, বান্দরবান সদর উপজেলার রাজবিলা ইউনিয়নের চাইপাড়া থেকে ২০১১ সালের ৬ এপ্রিল ক্যথই মারমাকে অপহরণ করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পরের দিন তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী হ্লামেনু মারমা বাদী হয়ে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনায় দীর্ঘ শুনানি শেষে ১৫ জন সাক্ষী এবং চার আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে গ্রেফতারকৃত পাঁচজনসহ ৬ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আবু হানিফের আদালত। অর্থদণ্ডের অর্ধেক রাষ্ট্রীয় কোষাগারে এবং অর্ধেকাংশ নিহতের স্ত্রীকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রদানের আদেশ দেয়া হয়।

আইনজীবী মো. ইকবাল করিম জানান, স্থানীয় বাসিন্দা নূরুল কবীরকে অপহরণ করাকে কেন্দ্র করে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে মামলার ভিকটিম ক্যথুই চিং মারমাকে অপহরণ করে হত্যা করা হয় ২০১১ সালের এপ্রিল মাসে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বান্দরবান জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নাজির বেদারুল আলম।

অপহরণের পর হত্যা মামলায় বান্দরবানে ৬ জনের যাবজ্জীবন

 বান্দরবান প্রতিনিধি 
১৯ নভেম্বর ২০২০, ০৬:১৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বান্দরবানের রাজবিলায় অপহরণের পর হত্যা মামলায় ছয় আসামিকে যাবজ্জীবন এবং প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার বান্দরবান অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আবু হানিফের আদালত এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- উবাচিং মারমা, সাচিং প্রু মারমা, মংহ্লাচিং মারমা, রেজাউল করীম, উমংপ্রু মারমা ও পুলুশে মারমা। এদের মধ্যে পুলুশে মারমা পলাতক রয়েছে। বাকিরা কারাগারে।

আদালত ও আইনজীবীরা জানান, বান্দরবান সদর উপজেলার রাজবিলা ইউনিয়নের চাইপাড়া থেকে ২০১১ সালের ৬ এপ্রিল ক্যথই মারমাকে অপহরণ করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পরের দিন তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী হ্লামেনু মারমা বাদী হয়ে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনায় দীর্ঘ শুনানি শেষে ১৫ জন সাক্ষী এবং চার আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে গ্রেফতারকৃত পাঁচজনসহ ৬ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আবু হানিফের আদালত। অর্থদণ্ডের অর্ধেক রাষ্ট্রীয় কোষাগারে এবং অর্ধেকাংশ নিহতের স্ত্রীকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রদানের আদেশ দেয়া হয়।

আইনজীবী মো. ইকবাল করিম জানান, স্থানীয় বাসিন্দা নূরুল কবীরকে অপহরণ করাকে কেন্দ্র করে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে মামলার ভিকটিম ক্যথুই চিং মারমাকে অপহরণ করে হত্যা করা হয় ২০১১ সালের এপ্রিল মাসে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বান্দরবান জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নাজির বেদারুল আলম।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন