শেরপুর উপজেলা উপনির্বাচন নিয়ে তৃণমূলে ক্ষোভ
jugantor
শেরপুর উপজেলা উপনির্বাচন নিয়ে তৃণমূলে ক্ষোভ

  বগুড়া ব্যুরো  

১৯ নভেম্বর ২০২০, ১৯:৪২:২৪  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার শেরপুর উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস-চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচন নিয়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিতপ্রার্থী অংশগ্রহণের সুযোগ না পাওয়ায় তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভ এবং হতাশা সৃষ্টি হয়েছে।

নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হয়নি- এমন অভিযোগ তুলে উপজেলা মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ১নং সংরক্ষিত আসনের পৌর কাউন্সিলর লায়লা আরজুমান বানু কেন্দ্রীয় সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

এ প্রসঙ্গে শেরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব আম্বিয়া জানান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবর রহমান মজনুর স্ত্রী শিল্পী বেগম স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। তার প্রভাবের কারণে কোনো নারীনেত্রী মনোনয়ন জমা দেননি। তবে মনোনয়ন জমা দেয়ার ব্যাপারে তিনি কাউকে নিরুৎসাহিত বা বাধা দেননি।

এ ব্যাপারে জেলা থেকে কোনো নির্দেশনাও ছিল না। এর আগে শিল্পী বেগম প্রার্থী হওয়ায় তিনি জেলা পরিষদের সদস্য পদের নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর কাছে শেরপুর উপজেলা মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার ১ নম্বর সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর লায়লা আরজুমান বানুর অভিযোগ এবং স্থানীয় সূত্র জানায়, ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে শেরপুর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা মহিলা লীগের সভাপতি খাদিজা বেগম গত ২১ মার্চ ইন্তেকাল করেন।

নির্বাচন কমিশন পদটি শূন্য ঘোষণা করে আগামী ১০ ডিসেম্বর উপনির্বাচনের দিন ধার্য করে। গত ১৪ নভেম্বর মনোনয়ন উত্তোলন ও জমাদানের শেষ দিন ছিল।

কিন্তু উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুস সাত্তার এবং সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব আম্বিয়ার স্বেচ্ছাচারিতার কারণে উপনির্বাচনে দলীয় কাউকে মনোনয়ন দেয়া হয়নি। তাকেও প্রার্থী হবার সুযোগ দেয়া হয়নি। তারা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজনুর স্ত্রী শিল্পী বেগমকে নির্বাচিত করার জন্য বাবার নাম দিয়ে তাকে স্বতন্ত্র প্রার্থী করেছেন। তাদের এ স্বেচ্ছাচারিতার কারণে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।

উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে প্রার্থী না দেয়ায় তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে প্রচণ্ড ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়েছে। তবে দলীয় মনোনয়ন না দেয়ার সঙ্গে প্রভাবশালীরা জড়িত থাকায় তারা ভয়ে মুখ খোলার সাহস করছেন না।

শেরপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আসিয়া খাতুন জানান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদের উপনির্বাচনে দলীয়প্রার্থী দেয়ার সুযোগ নেই।তিন স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেন- শেরপুর টাউন কলোনির গোলাম সোলায়মানের মেয়ে শিল্পী বেগম, মির্জাপুর এলাকার সোবাহান শেখের মেয়ে ফিরোজা খাতুন এবং শেরপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জানে আলম খোকার বোন নাজনীন পারভীন। গত ১৭ নভেম্বর বাছাইয়ে চার প্রার্থী বৈধ হয়েছেন। আগামী ২৩ নভেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন।

শেরপুর উপজেলা উপনির্বাচন নিয়ে তৃণমূলে ক্ষোভ

 বগুড়া ব্যুরো 
১৯ নভেম্বর ২০২০, ০৭:৪২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার শেরপুর উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস-চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচন নিয়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী অংশগ্রহণের সুযোগ না পাওয়ায় তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভ এবং হতাশা সৃষ্টি হয়েছে। 

নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হয়নি- এমন অভিযোগ তুলে উপজেলা মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ১নং সংরক্ষিত আসনের পৌর কাউন্সিলর লায়লা আরজুমান বানু কেন্দ্রীয় সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

এ প্রসঙ্গে শেরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব আম্বিয়া জানান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবর রহমান মজনুর স্ত্রী শিল্পী বেগম স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। তার প্রভাবের কারণে কোনো নারীনেত্রী মনোনয়ন জমা দেননি। তবে মনোনয়ন জমা দেয়ার ব্যাপারে তিনি কাউকে নিরুৎসাহিত বা বাধা দেননি।

এ ব্যাপারে জেলা থেকে কোনো নির্দেশনাও ছিল না। এর আগে শিল্পী বেগম প্রার্থী হওয়ায় তিনি জেলা পরিষদের সদস্য পদের নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন। 

প্রধানমন্ত্রীর কাছে শেরপুর উপজেলা মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার ১ নম্বর সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর লায়লা আরজুমান বানুর অভিযোগ এবং স্থানীয় সূত্র জানায়, ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে শেরপুর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা মহিলা লীগের সভাপতি খাদিজা বেগম গত ২১ মার্চ ইন্তেকাল করেন। 

নির্বাচন কমিশন পদটি শূন্য ঘোষণা করে আগামী ১০ ডিসেম্বর উপনির্বাচনের দিন ধার্য করে। গত ১৪ নভেম্বর মনোনয়ন উত্তোলন ও জমাদানের শেষ দিন ছিল। 

কিন্তু উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুস সাত্তার এবং সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব আম্বিয়ার স্বেচ্ছাচারিতার কারণে উপনির্বাচনে দলীয় কাউকে মনোনয়ন দেয়া হয়নি। তাকেও প্রার্থী হবার সুযোগ দেয়া হয়নি। তারা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজনুর স্ত্রী শিল্পী বেগমকে নির্বাচিত করার জন্য বাবার নাম দিয়ে তাকে স্বতন্ত্র প্রার্থী করেছেন। তাদের এ স্বেচ্ছাচারিতার কারণে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। 

উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে প্রার্থী না দেয়ায় তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে প্রচণ্ড ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়েছে। তবে দলীয় মনোনয়ন না দেয়ার সঙ্গে প্রভাবশালীরা জড়িত থাকায় তারা ভয়ে মুখ খোলার সাহস করছেন না।

শেরপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আসিয়া খাতুন জানান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদের উপনির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দেয়ার সুযোগ নেই।তিন স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেন- শেরপুর টাউন কলোনির গোলাম সোলায়মানের মেয়ে শিল্পী বেগম, মির্জাপুর এলাকার সোবাহান শেখের মেয়ে ফিরোজা খাতুন এবং শেরপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জানে আলম খোকার বোন নাজনীন পারভীন। গত ১৭ নভেম্বর বাছাইয়ে চার প্রার্থী বৈধ হয়েছেন। আগামী ২৩ নভেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন