ইমামকে লাঞ্ছিত করায় যুবলীগ নেতাকে সমাজচ্যুত করলেন এলাকাবাসী!
jugantor
ইমামকে লাঞ্ছিত করায় যুবলীগ নেতাকে সমাজচ্যুত করলেন এলাকাবাসী!

  ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি  

২১ নভেম্বর ২০২০, ২২:১৪:১৩  |  অনলাইন সংস্করণ

ময়মনসিংহের ত্রিশালে ইমামকে লাঞ্ছিত করায় যুবলীগ নেতা শফিকুল ইসলাম শফিকে সমাজ থেকে একঘরে করে সমাজচ্যুত করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার দুপুরে উপজেলার সম্মুখ বৈলর গ্রামে।

স্থানীয়রা জানান, সম্মুখ বৈলর জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা নিজাম উদ্দিন মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় ১২ বছর আগে জমি ক্রয় করেন। সেই জমি বৈলর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম শফি বছরখানেক যাবত দখলের চেষ্টা করে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ঘটনার দিন শুক্রবার জুমার নামাজের আগে মসজিদের সামনে শফি তার লোকজন নিয়ে ইমাম সাহেবের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ায়। একপর্যায়ে ইমামকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে।

এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে উপস্থিত মুসল্লি ও স্থানীয় সাধারণ মানুষ শফিকে আটক করে একটি দোকানে রেখে নামাজ পড়তে যান। পরে শফির পরিবারের লোকজন সামাজিকভাবে বিচারের আশ্বাস দিয়ে ছাড়িয়ে নিয়ে যান।

ওই দিন আসর নামাজের পর স্থানীয় এলাকাবাসী ও মুসল্লিরা এ ঘটনার প্রতিবাদে প্রতিবাদ সভায় শফিকে একঘরে করে সমাজচ্যুত করেন।

প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন- বৈলর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদ, মসজিদ কমিটির সভাপতি আশরাফ আলী, সাধারণ সম্পাদক ইউনুস আলী মাস্টার, ইউনিয়ন কৃষক লীগের যুগ্ম আহবায়ক কামরুজ্জামান কাজল, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি জুলফিকার আলী, সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা প্রমুখ।

মসজিদের ইমাম মাওলানা নিজাম উদ্দিন বলেন, শফি দলীয় প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘ দিন যাবত আমার ক্রয় করা জমি দখল করার চেষ্টা করছেন। ঘটনার দিন কোনো কারণ ছাড়াই তিনি তার লোকজন নিয়ে আমাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। তাই সমাজের লোকজন তাকে একঘরে করে সমাজচ্যুত করেছেন।

এ বিষয়ে শফিকুল ইসলাম শফি বলেন, আমাকে সমাজচ্যুত করেনি। আমি রাজনীতি করি; এ বছর এই ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান নির্বাচন করব। রাজনৈতিকভাবে হেয় করার জন্য আমার প্রতিপক্ষরা এ ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে।

ইমামকে লাঞ্ছিত করায় যুবলীগ নেতাকে সমাজচ্যুত করলেন এলাকাবাসী!

 ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 
২১ নভেম্বর ২০২০, ১০:১৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ময়মনসিংহের ত্রিশালে ইমামকে লাঞ্ছিত করায় যুবলীগ নেতা শফিকুল ইসলাম শফিকে সমাজ থেকে একঘরে করে সমাজচ্যুত করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার দুপুরে উপজেলার সম্মুখ বৈলর গ্রামে।

স্থানীয়রা জানান, সম্মুখ বৈলর জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা নিজাম উদ্দিন মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় ১২ বছর আগে জমি ক্রয় করেন। সেই জমি বৈলর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম শফি বছরখানেক যাবত দখলের চেষ্টা করে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। 

ঘটনার দিন শুক্রবার জুমার নামাজের আগে মসজিদের সামনে শফি তার লোকজন নিয়ে ইমাম সাহেবের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ায়। একপর্যায়ে ইমামকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। 

এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে উপস্থিত মুসল্লি ও স্থানীয় সাধারণ মানুষ শফিকে আটক করে একটি দোকানে রেখে নামাজ পড়তে যান। পরে শফির পরিবারের লোকজন সামাজিকভাবে বিচারের আশ্বাস দিয়ে ছাড়িয়ে নিয়ে যান। 

ওই দিন আসর নামাজের পর স্থানীয় এলাকাবাসী ও মুসল্লিরা এ ঘটনার প্রতিবাদে প্রতিবাদ সভায় শফিকে একঘরে করে সমাজচ্যুত করেন। 

প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন- বৈলর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদ, মসজিদ কমিটির সভাপতি আশরাফ আলী, সাধারণ সম্পাদক ইউনুস আলী মাস্টার, ইউনিয়ন কৃষক লীগের যুগ্ম আহবায়ক কামরুজ্জামান কাজল, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি জুলফিকার আলী, সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা প্রমুখ।

মসজিদের ইমাম মাওলানা নিজাম উদ্দিন বলেন, শফি দলীয় প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘ দিন যাবত আমার ক্রয় করা জমি দখল করার চেষ্টা করছেন। ঘটনার দিন কোনো কারণ ছাড়াই তিনি তার লোকজন নিয়ে আমাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। তাই সমাজের লোকজন তাকে একঘরে করে সমাজচ্যুত করেছেন।

এ বিষয়ে শফিকুল ইসলাম শফি বলেন, আমাকে সমাজচ্যুত  করেনি। আমি রাজনীতি করি; এ বছর এই ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান নির্বাচন করব। রাজনৈতিকভাবে হেয় করার জন্য আমার প্রতিপক্ষরা এ ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন