সাতক্ষীরায় শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ
jugantor
সাতক্ষীরায় শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ

  সাতক্ষীরা প্রতিনিধি  

২২ নভেম্বর ২০২০, ১৯:৩৪:২৭  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিরোধীদলীয় নেতা থাকাকালে কলারোয়ায় তার গাড়িবহরে হামলা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। রোববার ছয়জন সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করেন সাতক্ষীরা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হুমায়ুন কবিরের আদালত।

আদালতে সাক্ষ্য দেন- জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক এমপি মুনসুর আহমেদ, শেখ হাসিনার সফরসঙ্গী ফাতেমা জাহান সাথী, ক্যামেরাম্যান শহীদুল ইসলাম, জোবায়দুল হক রাসেল, সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাব সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহমেদ ও সৈনিক লীগ নেতা সরদার মুজিব।

২০০২ সালের ৩০ আগস্ট তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা সাতক্ষীরা হাসপাতালে গণধর্ষণের শিকার কলারোয়ার হিজলদী গ্রামের মুক্তিযোদ্ধাপত্নী মাহফুজা খাতুনকে দেখতে আসেন। এদিন তিনি যশোরে ফিরে যাওয়ার পথে কলারোয়া বাজারে সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হন। তার গাড়িবহর লক্ষ্য করে গুলি ও বোমা নিক্ষেপ করা হয়।

এতে শেখ হাসিনা প্রাণে রক্ষা পেলেও তার সফরসঙ্গীদের অনেকেই আহত হন। এ সময় তার ব্যবহৃত গাড়ির স্ট্যান্ডও ভেঙে ফেলে সন্ত্রাসীরা। শেখ হাসিনার নিরাপত্তারক্ষীরা তাকে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নিয়ে যান।

এ ঘটনায় কলারোয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার মো. মোসলেম উদ্দিন বাদী হয়ে তৎকালীন সংসদ সদস্য বিএনপি নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এ মামলা দফায় দফায় খারিজ হয়ে যাওয়ার পর সর্বশেষ ২০১৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর তারিখে পুনরুজ্জীবিত হয়। কলারোয়া থানা পুলিশ তদন্ত শেষে সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়।

সাতক্ষীরায় শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ

 সাতক্ষীরা প্রতিনিধি 
২২ নভেম্বর ২০২০, ০৭:৩৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিরোধীদলীয় নেতা থাকাকালে কলারোয়ায় তার গাড়িবহরে হামলা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। রোববার ছয়জন সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করেন সাতক্ষীরা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হুমায়ুন কবিরের আদালত।

আদালতে সাক্ষ্য দেন- জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক এমপি মুনসুর আহমেদ, শেখ হাসিনার সফরসঙ্গী ফাতেমা জাহান সাথী, ক্যামেরাম্যান শহীদুল ইসলাম, জোবায়দুল হক রাসেল, সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাব সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহমেদ ও সৈনিক লীগ নেতা সরদার মুজিব।

২০০২ সালের ৩০ আগস্ট তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা সাতক্ষীরা হাসপাতালে গণধর্ষণের শিকার কলারোয়ার হিজলদী গ্রামের মুক্তিযোদ্ধাপত্নী মাহফুজা খাতুনকে দেখতে আসেন। এদিন তিনি যশোরে ফিরে যাওয়ার পথে কলারোয়া বাজারে সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হন। তার গাড়িবহর লক্ষ্য করে গুলি ও বোমা নিক্ষেপ করা হয়।

এতে শেখ হাসিনা প্রাণে রক্ষা পেলেও তার সফরসঙ্গীদের অনেকেই আহত হন। এ সময় তার ব্যবহৃত গাড়ির স্ট্যান্ডও ভেঙে ফেলে সন্ত্রাসীরা। শেখ হাসিনার নিরাপত্তারক্ষীরা তাকে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নিয়ে যান।

এ ঘটনায় কলারোয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার মো. মোসলেম উদ্দিন বাদী হয়ে তৎকালীন সংসদ সদস্য বিএনপি নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এ মামলা দফায় দফায় খারিজ হয়ে যাওয়ার পর সর্বশেষ ২০১৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর তারিখে পুনরুজ্জীবিত হয়। কলারোয়া থানা পুলিশ তদন্ত শেষে সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন