বরিশালে ড্রাম থেকে লাশ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেফতার ১
jugantor
বরিশালে ড্রাম থেকে লাশ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেফতার ১

  বরিশাল ব্যুরো ও গৌরনদী প্রতিনিধি  

২২ নভেম্বর ২০২০, ২২:১৩:৪৬  |  অনলাইন সংস্করণ

সাবিনা বেগম

বরিশালে বাসে থাকা ড্রাম থেকে তিন সন্তানের জননী সাবিনা বেগমের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত রহিমা বেগম গৌরনদী উপজেলার ভীমেরপার গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল খালেকের স্ত্রী।

রোববার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করে থানার ওসি আফজাল হোসেন জানান, রহিমা বেগমকে কোন জায়গা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তা তদন্তের স্বার্থে পরবর্তীতে বলব। তবে হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়েছে বরিশাল নগরীর কাশিপুরে। সেখানকার ভূঁইয়া বাড়ি এলাকার নির্মাণাধীন একটি বাড়িতে এ হত্যাকাণ্ড হয়। এরপর ড্রামে লাশ ভরে তা বাসে করে ভুরঘাটায় আনা হয়। বিস্তারিত পরবর্তীতে জানানো হবে। তবে তাকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হাতুড়ি ও রশি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

এদিকে নিহতের দেবর ও প্রবাসী শহিদুল ইসলামের ছোটভাই মনির হাওলাদার জানান, তার ভাই-ভাবির মাধ্যমে বিদেশে যাওয়ার জন্য গৌরনদীর মাহিলাড়া এলাকার খালেক বেশ কিছুদিন আগে চার লাখ টাকা দেয়। বিলম্ব হওয়ায় খালেক বিদেশে যেতে অসম্মতি জানালে সাবিনা সম্প্রতি তাকে (খালেক) দেড় লাখ টাকা ফেরত দেন।

তিনি জানান, শুক্রবার সকালে দুই সন্তান নিয়ে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গৌরনদীর দিয়াসুরের বাড়ি আসেন তার ভাবি। সকাল ১০টার দিকে খালেক হাওলাদার ডাকছে বলে বরিশাল যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন সাবিনা। সারা দিনেও তিনি বাড়ি না ফেরায় বাড়ির লোকজন চিন্তিত হয়ে পড়েন। ওই রাতে ভুরঘাটা বাসস্ট্যান্ডে একটি বাসে থাকা ব্যারেলের মধ্য থেকে অজ্ঞাতনামা হিসেবে সাবিনার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর তার আঙুলের ছাপ মিলিয়ে সাবিনার পরিচয় শনাক্ত করেন গৌরনদী থানা পুলিশ।

মৃত সাবিনা বেগম (৩০) বরিশালের মুলাদী উপজেলার নাজিরপুরের বাসিন্দা সাহেব আলীর মেয়ে এবং কুয়েত প্রবাসী শহিদুল ইসলামের স্ত্রী। তিনি তিন সন্তান নিয়ে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। শুক্রবার সকালে ঢাকা থেকে তিনি বরিশালের গৌরনদী উপজেলার দিয়াসুরে শ্বশুরবাড়িতে আসেন। সেখানে শাশুড়ির কাছে বাচ্চাদের রেখে তিনি বরিশালে যান।

বরিশালে ড্রাম থেকে লাশ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেফতার ১

 বরিশাল ব্যুরো ও গৌরনদী প্রতিনিধি 
২২ নভেম্বর ২০২০, ১০:১৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সাবিনা বেগম
সাবিনা বেগম। ফাইল ছবি

বরিশালে বাসে থাকা ড্রাম থেকে তিন সন্তানের জননী সাবিনা বেগমের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত রহিমা বেগম গৌরনদী উপজেলার ভীমেরপার গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল খালেকের স্ত্রী।

রোববার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করে থানার ওসি আফজাল হোসেন জানান, রহিমা বেগমকে কোন জায়গা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তা তদন্তের স্বার্থে পরবর্তীতে বলব। তবে হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়েছে বরিশাল নগরীর কাশিপুরে। সেখানকার ভূঁইয়া বাড়ি এলাকার নির্মাণাধীন একটি বাড়িতে এ হত্যাকাণ্ড হয়। এরপর ড্রামে লাশ ভরে তা বাসে করে ভুরঘাটায় আনা হয়। বিস্তারিত পরবর্তীতে জানানো হবে। তবে তাকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হাতুড়ি ও রশি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

এদিকে নিহতের দেবর ও প্রবাসী শহিদুল ইসলামের ছোটভাই মনির হাওলাদার জানান, তার ভাই-ভাবির মাধ্যমে বিদেশে যাওয়ার জন্য গৌরনদীর মাহিলাড়া এলাকার খালেক বেশ কিছুদিন আগে চার লাখ টাকা দেয়। বিলম্ব হওয়ায় খালেক বিদেশে যেতে অসম্মতি জানালে সাবিনা সম্প্রতি তাকে (খালেক) দেড় লাখ টাকা ফেরত দেন।

তিনি জানান, শুক্রবার সকালে দুই সন্তান নিয়ে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গৌরনদীর দিয়াসুরের বাড়ি আসেন তার ভাবি। সকাল ১০টার দিকে খালেক হাওলাদার ডাকছে বলে বরিশাল যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন সাবিনা। সারা দিনেও তিনি বাড়ি না ফেরায় বাড়ির লোকজন চিন্তিত হয়ে পড়েন। ওই রাতে ভুরঘাটা বাসস্ট্যান্ডে একটি বাসে থাকা ব্যারেলের মধ্য থেকে অজ্ঞাতনামা হিসেবে সাবিনার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর তার আঙুলের ছাপ মিলিয়ে সাবিনার পরিচয় শনাক্ত করেন গৌরনদী থানা পুলিশ।

মৃত সাবিনা বেগম (৩০) বরিশালের মুলাদী উপজেলার নাজিরপুরের বাসিন্দা সাহেব আলীর মেয়ে এবং কুয়েত প্রবাসী শহিদুল ইসলামের স্ত্রী। তিনি তিন সন্তান নিয়ে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। শুক্রবার সকালে ঢাকা থেকে তিনি বরিশালের গৌরনদী উপজেলার দিয়াসুরে শ্বশুরবাড়িতে আসেন। সেখানে শাশুড়ির কাছে বাচ্চাদের রেখে তিনি বরিশালে যান।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন