প্রেমের ফাঁদে ফেলে কিশোরী ধর্ষণ করল ভণ্ডফকির
jugantor
প্রেমের ফাঁদে ফেলে কিশোরী ধর্ষণ করল ভণ্ডফকির

  আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি  

২২ নভেম্বর ২০২০, ২২:২১:৪৭  |  অনলাইন সংস্করণ

আমতলীতে ভণ্ডফকিরের প্রেমের ফাঁদে পড়ে এক কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পটুয়াখালী র‌্যাব-৮ সদস্যরা শনিবার সন্ধ্যায় ধর্ষক ভণ্ডফকির মানসুরকে গ্রেফতার করে আমতলী থানায় সোপর্দ করেছে।

রোববার তাকে পুলিশ আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করেছে। আদালতের বিচারক মো. সাকিব হোসেন তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

জানা গেছে, উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নে কুলইরচর গ্রামের আবদুর রব সিকদারের ছেলে মানসুর দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ভণ্ডফকির সেজে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল। মানসুর এ বছর ফেব্রুয়ারি মাসে পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার ধর্ষণের শিকার কিশোরীর মায়ের তদবিরের নামে ওই কিশোরীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে।

গত ২৮ মার্চ মানসুর ওই কিশোরীকে কৌশলে ভুল বুঝিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক আত্মীয়ের বাড়িতে দুই দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করে। এরপর থেকে প্রায়ই ওই কিশোরীকে আমতলীতে আত্মীয় সোবহানের বাসায় এনে কয়েকবার ধর্ষণ করেছে ওই ভণ্ডফকির।

গত ১৬ নভেম্বর একইভাবে আমতলীতে তার ওই আত্মীয়ের বাসায় এনে দুই দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করে। কিশোরী ভণ্ডফকিরের প্রতারণা বুঝতে পেরে পালিয়ে যায়। ২০ নভেম্বর ওই কিশোরী এ ঘটনা পটুয়াখালী র‌্যাব-৮ ক্যাম্পে জানায়। শনিবার সন্ধ্যায় র‌্যাব-৮ সদস্যরা অভিযান চালিয়ে ভণ্ডফকির মানসুরকে আমতলী পৌর শহরের মাজার রোড থেকে গ্রেফতার করে।

আমতলী থানার এসআই মো. মিলন মিয়া বলেন, এ ঘটনায় কিশোরীর বড়বোন বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীকে পুলিশ বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে। ওই কিশোরী আমতলী আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।

আমতলী থানার ওসি মো. শাহ আলম হাওলাদার বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। ধর্ষক মানসুরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

প্রেমের ফাঁদে ফেলে কিশোরী ধর্ষণ করল ভণ্ডফকির

 আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি 
২২ নভেম্বর ২০২০, ১০:২১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

আমতলীতে ভণ্ডফকিরের প্রেমের ফাঁদে পড়ে এক কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পটুয়াখালী র‌্যাব-৮ সদস্যরা শনিবার সন্ধ্যায় ধর্ষক ভণ্ডফকির মানসুরকে গ্রেফতার করে আমতলী থানায় সোপর্দ করেছে।

রোববার তাকে পুলিশ আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করেছে। আদালতের বিচারক মো. সাকিব হোসেন তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

জানা গেছে, উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নে কুলইরচর গ্রামের আবদুর রব সিকদারের ছেলে মানসুর দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ভণ্ডফকির সেজে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল। মানসুর এ বছর ফেব্রুয়ারি মাসে পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার ধর্ষণের শিকার কিশোরীর মায়ের তদবিরের নামে ওই কিশোরীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে।

গত ২৮ মার্চ মানসুর ওই কিশোরীকে কৌশলে ভুল বুঝিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক আত্মীয়ের বাড়িতে দুই দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করে। এরপর থেকে প্রায়ই ওই কিশোরীকে আমতলীতে আত্মীয় সোবহানের বাসায় এনে কয়েকবার ধর্ষণ করেছে ওই ভণ্ডফকির।

গত ১৬ নভেম্বর একইভাবে আমতলীতে তার ওই আত্মীয়ের বাসায় এনে দুই দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করে। কিশোরী ভণ্ডফকিরের প্রতারণা বুঝতে পেরে পালিয়ে যায়। ২০ নভেম্বর ওই কিশোরী এ ঘটনা পটুয়াখালী র‌্যাব-৮ ক্যাম্পে জানায়। শনিবার সন্ধ্যায় র‌্যাব-৮ সদস্যরা অভিযান চালিয়ে ভণ্ডফকির মানসুরকে আমতলী পৌর শহরের মাজার রোড থেকে গ্রেফতার করে।

আমতলী থানার এসআই  মো. মিলন মিয়া বলেন, এ ঘটনায় কিশোরীর বড়বোন বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীকে পুলিশ বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে। ওই কিশোরী আমতলী আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।

আমতলী থানার ওসি মো. শাহ আলম হাওলাদার বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। ধর্ষক মানসুরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

 
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন