ঢাকায় বসেই নিকাহ রেজিস্ট্রারের কাজ করেন মদনের কাজী মতিন
jugantor
ঢাকায় বসেই নিকাহ রেজিস্ট্রারের কাজ করেন মদনের কাজী মতিন

  মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি  

২৩ নভেম্বর ২০২০, ১৮:৪৩:৩৬  |  অনলাইন সংস্করণ

সরকারি দায়িত্ব তোয়াক্কা না করে অনিয়মতান্ত্রিকভাবে ঢাকা বসেই নিকাহ রেজিস্ট্রারের (কাজী) কার্যক্রম চালাচ্ছেন উপজেলার নায়েকপুর ইউনিয়নের কাজী মো. মতিন ফকির। এ ব্যাপারে অত্র ইউনিয়নের বাসিন্দারা বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

জেলা রেজিস্ট্রার খন্দকার জামিলুর রহমান জানান, নিকাহ রেজিস্ট্রারের কাজ নিজেই করতে হবে। ভাড়া করা লোক দিয়ে এ কাজ করা যাবে না। কাজী মতিন ফকির যদি নিজে নিকাহ রেজিস্ট্রার না করে অন্য লোকের মাধ্যমে করায় তবে অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অভিযোগে জানা যায়, মতিন ফকির ২০০০ সালে ৭নং নায়েকপুর ইউনিয়নে কাজী হিসেবে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকেই তিনি ঢাকার মহাখালীতে পরিবার-পরিজন নিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। ইউনিয়নে তিনি নিয়মিত আসেন না। বিবাহের কাজ থাকলে অন্যলোকের মাধ্যমে সম্পন্ন করান। এমনকি তালাকের কাজও অন্য লোকের মাধ্যমে করিয়ে থাকেন। এতে অত্র ইউনিয়নের লোকজন তার সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

কাজীর শ্যালক আতাউর জানান, আমিই কাজী সাহেবের কাজ সমাধান করি। উনি নিয়মিত আসেন না। উনি মহাখালীতে ব্যবসা করেন। কাজীর কাজ তো সব সময় করতে হয় না।

নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজী) মো. মতিন ফকির অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, আমি ২০০০ সাল থেকে অদ্যাবধি এ ইউনিয়নে কাজ করছি। বিয়ে হলেই আমি এলাকায় আসি।

ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান রোমান জানান, কাজী সাহেব এলাকায় থাকেন না। ঢাকায় বসে তার প্রতিনিধির মাধ্যমে এলাকার কাজ করেন। এতে এলাকায় অনেক সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। এই কাজীর নিয়োগ বাতিল করে নতুন কাজী নিয়োগ করার জন্য জোর সুপারিশ করছি।

ঢাকায় বসেই নিকাহ রেজিস্ট্রারের কাজ করেন মদনের কাজী মতিন

 মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি 
২৩ নভেম্বর ২০২০, ০৬:৪৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সরকারি দায়িত্ব তোয়াক্কা না করে অনিয়মতান্ত্রিকভাবে ঢাকা বসেই নিকাহ রেজিস্ট্রারের (কাজী) কার্যক্রম চালাচ্ছেন উপজেলার নায়েকপুর ইউনিয়নের কাজী মো. মতিন ফকির। এ ব্যাপারে অত্র ইউনিয়নের বাসিন্দারা বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

জেলা রেজিস্ট্রার খন্দকার জামিলুর রহমান জানান, নিকাহ রেজিস্ট্রারের কাজ নিজেই করতে হবে। ভাড়া করা লোক দিয়ে এ কাজ করা যাবে না। কাজী মতিন ফকির যদি নিজে নিকাহ রেজিস্ট্রার না করে অন্য লোকের মাধ্যমে করায় তবে অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অভিযোগে জানা যায়, মতিন ফকির ২০০০ সালে ৭নং নায়েকপুর ইউনিয়নে কাজী হিসেবে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকেই তিনি ঢাকার মহাখালীতে পরিবার-পরিজন নিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। ইউনিয়নে তিনি নিয়মিত আসেন না। বিবাহের কাজ থাকলে অন্যলোকের মাধ্যমে সম্পন্ন করান। এমনকি তালাকের কাজও অন্য লোকের মাধ্যমে করিয়ে থাকেন। এতে অত্র ইউনিয়নের লোকজন তার সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

কাজীর শ্যালক আতাউর  জানান, আমিই কাজী সাহেবের কাজ সমাধান করি। উনি নিয়মিত আসেন না। উনি মহাখালীতে ব্যবসা করেন। কাজীর কাজ তো সব সময় করতে হয় না।

নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজী) মো. মতিন ফকির অভিযোগ অস্বীকার করে  জানান, আমি ২০০০ সাল থেকে অদ্যাবধি এ ইউনিয়নে কাজ করছি। বিয়ে হলেই আমি এলাকায় আসি।

ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান রোমান জানান, কাজী সাহেব এলাকায় থাকেন না। ঢাকায় বসে তার প্রতিনিধির মাধ্যমে এলাকার কাজ করেন। এতে এলাকায় অনেক সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। এই কাজীর নিয়োগ বাতিল করে নতুন কাজী নিয়োগ করার জন্য জোর সুপারিশ করছি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন