ঝাড়ফুঁকের কথা বলে গৃহবধূকে ধর্ষণ
jugantor
ঝাড়ফুঁকের কথা বলে গৃহবধূকে ধর্ষণ

  কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি  

২৩ নভেম্বর ২০২০, ২২:৪১:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরের কেশবপুরে ঝাড়ফুঁকের কথা বলে মাঠে নিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণের মামলায় এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করেছেন।

থানা পুলিশ জানায়, উপজেলার গৌরিঘোনা ইউনিয়নের এক গৃহবধূর (৪০) একটি ছেলে আছে। তার ছেলে ভবঘুরে। সন্যাসগাছা গ্রামের জসিম উদ্দীন সরদার (৩৫), ভরতভায়না গ্রামের আবু সাঈদ (৩৩) এবং কাশিমপুর গ্রামের রুস্তম আলী ফকির (৩৯) ঝাড়ফুঁক করালে ছেলে ভালো হয়ে যাবে বলে ভুল বুঝিয়ে গত শনিবার সন্ধ্যায় সন্যাসগাছা গ্রামের একটি মাঠে ওই গৃহবধূকে নিয়ে যায়। সেখানে সন্যাসগাছা গ্রামের সিরাজুল ইসলাম (৩৭) আগেই একটি টং ঘরে বসে ছিল। ওই গৃহবধূ পৌঁছলে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়।

রোববার রাতে ওই গৃহবধূ উপজেলার গৌরিঘোনা ইউনিয়নের সন্ন্যাসগাছা গ্রামের বারেক শেখের ছেলে সিরাজুল ইসলাম, তার তিন সহযোগী সন্ন্যাসগাছা গ্রামের লতিফ সরদারের ছেলে জসিম উদ্দিন, ভরতভায়না গ্রামের আব্দুল হান্নান সরদারের ছেলে আবু সাঈদ ও কাশিমপুর গ্রামের সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে রোস্তম আলী ফকিরের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করেন।

কেশবপুর থানা পুলিশ রোববার গভীর রাতে এ মামলার আসামি ভরতভায়না গ্রামের আবদুল হান্নান সরদারের ছেলে আবু সাঈদকে গ্রেফতার করে। সোমবার ওই গৃহবধূর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার ওসি জসীম উদ্দিন বলেন, ধর্ষণ মামলার আসামি আবু সাঈদকে গ্রেফতার করে সোমবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ভিকটিমকে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

ঝাড়ফুঁকের কথা বলে গৃহবধূকে ধর্ষণ

 কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি 
২৩ নভেম্বর ২০২০, ১০:৪১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরের কেশবপুরে ঝাড়ফুঁকের কথা বলে মাঠে নিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণের মামলায় এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করেছেন।

থানা পুলিশ জানায়, উপজেলার গৌরিঘোনা ইউনিয়নের এক গৃহবধূর (৪০) একটি ছেলে আছে। তার ছেলে ভবঘুরে। সন্যাসগাছা গ্রামের জসিম উদ্দীন সরদার (৩৫), ভরতভায়না গ্রামের আবু সাঈদ (৩৩) এবং কাশিমপুর গ্রামের রুস্তম আলী ফকির (৩৯) ঝাড়ফুঁক করালে ছেলে ভালো হয়ে যাবে বলে ভুল বুঝিয়ে গত শনিবার সন্ধ্যায় সন্যাসগাছা গ্রামের একটি মাঠে ওই গৃহবধূকে নিয়ে যায়। সেখানে সন্যাসগাছা গ্রামের সিরাজুল ইসলাম (৩৭) আগেই একটি টং ঘরে বসে ছিল। ওই গৃহবধূ পৌঁছলে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়।

রোববার রাতে ওই গৃহবধূ উপজেলার গৌরিঘোনা ইউনিয়নের সন্ন্যাসগাছা গ্রামের বারেক শেখের ছেলে সিরাজুল ইসলাম, তার তিন সহযোগী সন্ন্যাসগাছা গ্রামের লতিফ সরদারের ছেলে জসিম উদ্দিন, ভরতভায়না গ্রামের আব্দুল হান্নান সরদারের ছেলে আবু সাঈদ ও কাশিমপুর গ্রামের সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে রোস্তম আলী ফকিরের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করেন।

কেশবপুর থানা পুলিশ রোববার গভীর রাতে এ মামলার আসামি ভরতভায়না গ্রামের আবদুল হান্নান সরদারের ছেলে আবু সাঈদকে গ্রেফতার করে। সোমবার ওই গৃহবধূর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার ওসি জসীম উদ্দিন বলেন, ধর্ষণ মামলার আসামি আবু সাঈদকে গ্রেফতার করে সোমবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ভিকটিমকে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন