ব্যথা সইতে না পেরে নারীর আত্মহত্যা
jugantor
ব্যথা সইতে না পেরে নারীর আত্মহত্যা

  নেত্রকোনা প্রতিনিধি  

২৪ নভেম্বর ২০২০, ০৮:৪৫:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্যথা সইতে না পেরে নারীর আত্মহত্যা

নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলায় মাথাব্যথা সইতে না পেরে কীটনাশক পান করে বানু আক্তার (৫৫) নামে এক নারী আত্মহত্যা করেছেন।

সোমবার দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন থেকে ওই নারী মারা যান।

মৃত বানু আক্তার উপজেলার সদর ইউনিয়নের বারদার গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য ইছব আলীর সহধর্মিণী। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাথাব্যথা রোগে ভুগছিলেন এবং এ রোগের জন্য বহুদিন ধরে তার চিকিৎসা চলছিল বলে মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

জানা যায়, গত রোববার সকালে পরিবারের অজান্তে বানু আক্তার নিজ ঘরে কীটনাশক পান করেন। বিষয়টি টের পেয়ে পরিবারের লোকজন তাকে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। সোমবার দুপুরের দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকে তার মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি এবং মৃতদেহটি উদ্ধার করে বিকালে ময়নাতদন্তের জন্য থানায় নিয়ে যায়।

নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোরশেদা খাতুন এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে মৃতের বাবার বাড়ির লোকজনসহ স্বামী ও সন্তান ময়নাতদন্ত করাতে আপত্তি জানায়।

পরে তাদের পক্ষ থেকে অভিযোগ না থাকায় স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে তিনি জানান।

ব্যথা সইতে না পেরে নারীর আত্মহত্যা

 নেত্রকোনা প্রতিনিধি 
২৪ নভেম্বর ২০২০, ০৮:৪৫ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ব্যথা সইতে না পেরে নারীর আত্মহত্যা
ফাইল ছবি

নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলায় মাথাব্যথা সইতে না পেরে কীটনাশক পান করে বানু আক্তার (৫৫) নামে এক নারী আত্মহত্যা করেছেন।

সোমবার দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন থেকে ওই নারী মারা যান।

মৃত বানু আক্তার উপজেলার সদর ইউনিয়নের বারদার গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য ইছব আলীর সহধর্মিণী। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাথাব্যথা রোগে ভুগছিলেন এবং এ রোগের জন্য বহুদিন ধরে তার চিকিৎসা চলছিল বলে মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

জানা যায়, গত রোববার সকালে পরিবারের অজান্তে বানু আক্তার নিজ ঘরে কীটনাশক পান করেন। বিষয়টি টের পেয়ে পরিবারের লোকজন তাকে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। সোমবার দুপুরের দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকে তার মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি এবং মৃতদেহটি উদ্ধার করে বিকালে ময়নাতদন্তের জন্য থানায় নিয়ে যায়।

নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোরশেদা খাতুন এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে মৃতের বাবার বাড়ির লোকজনসহ স্বামী ও সন্তান ময়নাতদন্ত করাতে আপত্তি জানায়।

পরে তাদের পক্ষ থেকে অভিযোগ না থাকায় স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে তিনি জানান।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন