বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, যুবকের বিরুদ্ধে মামলা
jugantor
বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, যুবকের বিরুদ্ধে মামলা

  বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি  

২৫ নভেম্বর ২০২০, ১২:৫৭:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, যুবকের বিরুদ্ধে মামলা

রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় বিয়ের আশ্বাসে পলিটেকনিকেল ইন্সস্টিটিউটের এক ছাত্রীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের অভিযোগ উঠেছে শাকিব হাসান (২৪) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই যুবকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী বাদী হয়ে বাঘা থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেছেন।

অভিযুক্ত যুবকের নাম শাকিব হাসান। তিনি মনিগ্রাম ইউনিয়নের তুলশিপুর গ্রামের আমিরুল ইসলামের ছেলে ও মনিগ্রাম বাজারের গ্রামীণ কৃষি উন্নয়ন কর্মসূচির পরিচালক।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, চারঘাট উপজেলার ও বাংলাদেশ পলিটেকনিকেল ইন্সস্টিটিউটের তৃতীয় বর্ষের (১৯) ওই ছাত্রীর সঙ্গে উপজেলার চকনারায়ণপুর গ্রামের ভ্যাগল সরকারের ছেলে রাব্বী হাসানের পরিচয় হয়। এই পরিচয়ের সূত্র ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

প্রায় দেড় বছর সম্পর্ক রাখার পর ওই ছাত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক না রাখার জন্য কৌশলের আশ্রয় নেন। তিনি বন্ধু শাকিব হাসানের (২৪) সঙ্গে ওই ছাত্রীকে পরিচয় করে দেন।

এর পর রাব্বী তার মোবাইল নম্বর বদলে ফেললে শাকিব হাসানের সঙ্গে কলেজছাত্রীর যোগাযোগ হয়। তারা প্রায় মোবাইলে কথা বলতে থাকেন।

একপর্যায় ওই ছাত্রীকে এক মাস আগে এক বন্ধুর বাসায় ডেকে এনে শাকিব নিজে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ করেন এবং ভিডিও ধারণ করেন।

এ সময় ওই ছাত্রীকে বলা হয়, তুমি যদি ঘটনাটি কাউকে জানাও তা হলে ফেসবুক-ইন্টারনেটে এই ভিডিও ভাইরাল করা হবে।

সর্বশেষ ভিডিও ফেসবুক-ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে এবং বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২২ নভেম্বর আবারও ধর্ষণ করেন।

তার পর বিকালে ওই ছাত্রী বাড়ি ফেরার সময় নাম প্রকাশ না করার শর্তে শাকিবের এক বন্ধু জানায় সে বিবাহিত। পরে প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে ওই ছাত্রী মঙ্গলবার বাঘায় শাকিবের বাড়িতে যায়। সেখানে স্থানীয় লোকজন জড়ো করে মেয়েটি।

ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে ঘটনাটি অবগত করে। এর কিছুক্ষণ পর বাঘা থানা পুলিশ ওই ছাত্রীকে সেখান থেকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণ মামলা লিপিবদ্ধ করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, রাব্বী ও শাকিব দুই ঘনিষ্ঠ বন্ধু। রাব্বীর নামে বাঘা থানায় মাদক সেবন, ছিনতাই এবং চাঁদাবাজির মামলা রয়েছে। তার অত্যাচারে এলাকাবাসীও অতিষ্ঠ।

বাঘা থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, ছাত্রী নিজে বাদী হয়ে একটি ধর্ষণ মামলা করেছে। তাকে পরীক্ষার জন্য মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে পাঠানো হয়েছে। আসামির গ্রেফতার অভিযান চলছে।

বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, যুবকের বিরুদ্ধে মামলা

 বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি 
২৫ নভেম্বর ২০২০, ১২:৫৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, যুবকের বিরুদ্ধে মামলা
ফাইল ছবি

রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় বিয়ের আশ্বাসে পলিটেকনিকেল ইন্সস্টিটিউটের এক ছাত্রীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের অভিযোগ উঠেছে শাকিব হাসান (২৪) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই যুবকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী বাদী হয়ে বাঘা থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেছেন।

অভিযুক্ত যুবকের নাম শাকিব হাসান। তিনি মনিগ্রাম ইউনিয়নের তুলশিপুর গ্রামের আমিরুল ইসলামের ছেলে ও মনিগ্রাম বাজারের গ্রামীণ কৃষি উন্নয়ন কর্মসূচির পরিচালক।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, চারঘাট উপজেলার ও বাংলাদেশ পলিটেকনিকেল ইন্সস্টিটিউটের তৃতীয় বর্ষের (১৯) ওই ছাত্রীর সঙ্গে উপজেলার চকনারায়ণপুর গ্রামের ভ্যাগল সরকারের ছেলে রাব্বী হাসানের পরিচয় হয়। এই পরিচয়ের সূত্র ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

প্রায় দেড় বছর সম্পর্ক রাখার পর ওই ছাত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক না রাখার জন্য কৌশলের আশ্রয় নেন। তিনি বন্ধু শাকিব হাসানের (২৪) সঙ্গে ওই ছাত্রীকে পরিচয় করে দেন।

এর পর রাব্বী তার মোবাইল নম্বর বদলে ফেললে শাকিব হাসানের সঙ্গে কলেজছাত্রীর যোগাযোগ হয়। তারা প্রায় মোবাইলে কথা বলতে থাকেন।

একপর্যায় ওই ছাত্রীকে এক মাস আগে এক বন্ধুর বাসায় ডেকে এনে শাকিব নিজে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ করেন এবং ভিডিও ধারণ করেন।

এ সময় ওই ছাত্রীকে বলা হয়, তুমি যদি ঘটনাটি কাউকে জানাও তা হলে ফেসবুক-ইন্টারনেটে এই ভিডিও ভাইরাল করা হবে।

সর্বশেষ ভিডিও ফেসবুক-ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে এবং বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২২ নভেম্বর আবারও ধর্ষণ করেন।  

তার পর বিকালে ওই ছাত্রী বাড়ি ফেরার সময় নাম প্রকাশ না করার শর্তে শাকিবের এক বন্ধু জানায় সে বিবাহিত। পরে প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে ওই ছাত্রী মঙ্গলবার বাঘায় শাকিবের বাড়িতে যায়। সেখানে স্থানীয় লোকজন জড়ো করে মেয়েটি।

ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে ঘটনাটি অবগত করে। এর কিছুক্ষণ পর বাঘা থানা পুলিশ ওই ছাত্রীকে সেখান থেকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণ মামলা লিপিবদ্ধ করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, রাব্বী ও শাকিব দুই ঘনিষ্ঠ বন্ধু। রাব্বীর নামে বাঘা থানায় মাদক সেবন, ছিনতাই এবং চাঁদাবাজির মামলা রয়েছে। তার অত্যাচারে এলাকাবাসীও অতিষ্ঠ।

বাঘা থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, ছাত্রী নিজে বাদী হয়ে একটি ধর্ষণ মামলা করেছে। তাকে পরীক্ষার জন্য মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে পাঠানো হয়েছে। আসামির গ্রেফতার অভিযান চলছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন