ইজিবাইক স্ট্যান্ড দখল নিয়ে বিরোধে আহত আবদুর রশিদের মৃত্যু
jugantor
ইজিবাইক স্ট্যান্ড দখল নিয়ে বিরোধে আহত আবদুর রশিদের মৃত্যু

  হবিগঞ্জ প্রতিনিধি  

২৫ নভেম্বর ২০২০, ২০:৪৯:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

হবিগঞ্জ শহরে ইজিবাইক স্ট্যান্ডের দখল নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত শেখ আবদুর রশিদ সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। পাঁচ দিন হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি মঙ্গলবার রাতে মারা যান।

তার মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সংঘর্ষে জড়িত উমেদনগরের মুক্তার মিয়ার পক্ষের লোকজন এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে বুধবার তার মরদেহ দাফন করা হয়েছে।

ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হওয়ার আশঙ্কায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা বলেন, সংঘর্ষে নিহতের ঘটনায় হত্যা মামলা নেয়ার পাশাপাশি জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে। তবে কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা কিংবা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিঘ্ন ঘটানো যাবে না।

প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার শহরের চৌধুরীবাজার খোয়াইমুখ এলাকায় ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক (টমটম) স্ট্যান্ড দখল নিয়ে পৌর এলাকার উমেদনগর আলগাবাড়ি বনাম পূর্ব এলাকার লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রথমে স্ট্যান্ড এলাকায় সংঘর্ষ হলেও পরে আশপাশের এলাকায় তা ছড়িয়ে পড়ে। দফায় দফায় এ সংঘর্ষ চলাকালে একপক্ষ অপরপক্ষের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। এ সময় ওই এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম ও সদর থানার ওসি মো. মাসুক আলীর নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষে গুরুতর আহত শেখ আবদুর রশিদকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টায় তিনি মারা যান।

ইজিবাইক স্ট্যান্ড দখল নিয়ে বিরোধে আহত আবদুর রশিদের মৃত্যু

 হবিগঞ্জ প্রতিনিধি 
২৫ নভেম্বর ২০২০, ০৮:৪৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

হবিগঞ্জ শহরে ইজিবাইক স্ট্যান্ডের দখল নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত শেখ আবদুর রশিদ সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। পাঁচ দিন হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি মঙ্গলবার রাতে মারা যান।

তার মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সংঘর্ষে জড়িত উমেদনগরের মুক্তার মিয়ার পক্ষের লোকজন এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে বুধবার তার মরদেহ দাফন করা হয়েছে।

ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হওয়ার আশঙ্কায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা বলেন, সংঘর্ষে নিহতের ঘটনায় হত্যা মামলা নেয়ার পাশাপাশি জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে। তবে কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা কিংবা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিঘ্ন ঘটানো যাবে না।

প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার শহরের চৌধুরীবাজার খোয়াইমুখ এলাকায় ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক (টমটম) স্ট্যান্ড দখল নিয়ে পৌর এলাকার উমেদনগর আলগাবাড়ি বনাম পূর্ব এলাকার লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রথমে স্ট্যান্ড এলাকায় সংঘর্ষ হলেও পরে আশপাশের এলাকায় তা ছড়িয়ে পড়ে। দফায় দফায় এ সংঘর্ষ চলাকালে একপক্ষ অপরপক্ষের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। এ সময় ওই এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম ও সদর থানার ওসি মো. মাসুক আলীর নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষে গুরুতর আহত শেখ আবদুর রশিদকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টায় তিনি মারা যান।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন