ভারতে তথ্য পাচার: ফের রিমান্ডে পুলিশ কনস্টেবল দেবপ্রসাদ
jugantor
ভারতে তথ্য পাচার: ফের রিমান্ডে পুলিশ কনস্টেবল দেবপ্রসাদ

  যশোর ব্যুরো  

২৫ নভেম্বর ২০২০, ২২:৩৯:০৮  |  অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচারের অভিযোগে আটক পুলিশ কনস্টেবল দেবপ্রসাদ সাহার ফের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার যশোর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক গৌতম মল্লিক এ আদেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা সিআইডির সাইবার ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড অপারেশনস সহকারী পুলিশ সুপার কাজী আবু সাঈদ গত ১৫ সেপ্টেম্বর ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।

দেবপ্রসাদ সাহা খুলনার তেরখাদা উপজেলা শহরের সুরেন্দ্রনাথ সাহার ছেলে। এর আগে ২০১৯ সালের ১৯ ও ২৩ ডিসেম্বর ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন আদালত।

আদালত সূত্র জানায়, বেনাপোল ইমিগ্রেশনে দায়িত্ব পালনকালে দেবপ্রসাদ সাহার সঙ্গে সেনাবাহিনীর অফিস সহকারী এক সৈনিকের সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। তারা দুজন ভারতের এস চক্রবর্তী ও পিন্টু নামে দুজনের কাছে বাংলাদেশের গোপনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার করতেন।

২০১৮ সালের শেষের দিকে দেবপ্রসাদ সাহা বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংবলিত একটি পেনড্রাইভ নোম্যানসল্যান্ড পার হয়ে ভারতে পাচার করেন। ১৫ দিন পর আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংবলিত পেনড্রাইভ ভারতের এস চক্রবর্তী ও পিন্টুর কাছে হস্তান্তর করেন তিনি। গত ২৫ অক্টোবর বাংলাদেশের একটি গোয়েন্দা সংস্থা ও র্যা্বের হাতে ওই সেনাসদস্য আটক হন।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর এ ব্যাপারে বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামুন খান রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে দেবপ্রসাদ সাহাকে আসামি করে মামলা করেন। এ মামলার পর তাকে গ্রেফতার করা হয়।

ভারতে তথ্য পাচার: ফের রিমান্ডে পুলিশ কনস্টেবল দেবপ্রসাদ

 যশোর ব্যুরো 
২৫ নভেম্বর ২০২০, ১০:৩৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচারের অভিযোগে আটক পুলিশ কনস্টেবল দেবপ্রসাদ সাহার ফের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার যশোর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক গৌতম মল্লিক এ আদেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা সিআইডির সাইবার ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড অপারেশনস সহকারী পুলিশ সুপার কাজী আবু সাঈদ গত ১৫ সেপ্টেম্বর ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।

দেবপ্রসাদ সাহা খুলনার তেরখাদা উপজেলা শহরের সুরেন্দ্রনাথ সাহার ছেলে। এর আগে ২০১৯ সালের ১৯ ও ২৩ ডিসেম্বর ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন আদালত।

আদালত সূত্র জানায়, বেনাপোল ইমিগ্রেশনে দায়িত্ব পালনকালে দেবপ্রসাদ সাহার সঙ্গে সেনাবাহিনীর অফিস সহকারী এক সৈনিকের সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। তারা দুজন ভারতের এস চক্রবর্তী ও পিন্টু নামে দুজনের কাছে বাংলাদেশের গোপনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার করতেন।

২০১৮ সালের শেষের দিকে দেবপ্রসাদ সাহা বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংবলিত একটি পেনড্রাইভ নোম্যানসল্যান্ড পার হয়ে ভারতে পাচার করেন। ১৫ দিন পর আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংবলিত পেনড্রাইভ ভারতের এস চক্রবর্তী ও পিন্টুর কাছে হস্তান্তর করেন তিনি। গত ২৫ অক্টোবর বাংলাদেশের একটি গোয়েন্দা সংস্থা ও র্যা্বের হাতে ওই সেনাসদস্য আটক হন।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর এ ব্যাপারে বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামুন খান রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে দেবপ্রসাদ সাহাকে আসামি করে মামলা করেন। এ মামলার পর তাকে গ্রেফতার করা হয়।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন