‘নদী খনন কাজে প্রকৃত জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে’
jugantor
‘নদী খনন কাজে প্রকৃত জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে’

  ভূঞাপুর ও কালিহাতী (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি  

২৬ নভেম্বর ২০২০, ১৮:১১:০০  |  অনলাইন সংস্করণ

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেছেন, টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীর খননকাজ যেখানে হচ্ছে সেটা সরকারি জমির ওপর দিয়ে ড্রেজিংয়ের কাজ হচ্ছে। তারপরও জনগণের দাবি থাকতে পারে। যে জমিগুলো অধিগ্রহণ করা হবে সেই জমির মালিকদের জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার উপজেলার অজুর্না এলাকায় যমুনা নদীর ড্রেজিং প্রকল্প কাজ পরিদর্শনে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনগণ এবং এলাকার উন্নয়নের জন্য কাজ হচ্ছে। যমুনা নদীতে যেখানে ড্রেজিং হচ্ছে সেখানকার মানুষের যদি জমির কাগজপত্র ঠিক না থাকে তাহলে জেলা প্রশাসকের পক্ষে টাকা দেয়া সম্ভব হবে না। যতই তারা দাবি করুক না কেন ওই ব্যক্তিদের জমির কাগজপত্র ঠিক থাকতে হবে।

তিনি বলেন, যখন সরকার জমি অধিগ্রহণ করে তখনই মন্ত্রণালয় থেকে জেলা প্রশাসকের কাছে টাকা পাঠিয়ে দেয়া হয়। অধিগ্রহণকৃত জমির টাকা পরিশোধের বিলম্বের কারণ হয়তো তাদের জমির কাগজপত্র ঠিক নাই।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত ১০ বছরে সরকার অর্থনৈতিকভাবে অনেক স্বাবলম্বী হয়েছে। সরকারের ক্ষমতা আছে বলেই বড় বড় প্রকল্প নিতে পারছি। আগে যারা সরকারে ছিল তাদের সময় কোনো কাজ হয়নি। নদী ভাঙনকবলিত এলাকায় প্রাথমিকভাবে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙনরোধ করা হবে। এছাড়া খুব দ্রুতই বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- স্থানীয় এমপি ছোট মনির, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল হালিম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. নাসরীন পারভীন, পৌর মেয়র মাসুদুল হক মাসুদ, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আসলাম হোসাইন প্রমুখ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে যমুনা নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক। পরে গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নের যমুনা নদীর তীরে গরিলাবাড়ী ঘাটে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, সরকার অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী বলে বড় বড় প্রকল্পর কাজ করছে। শেখ হাসিনার সরকার আছে বলেই আমরা বড় বড় প্রকল্প নিতে পারছি। প্রকল্পগুলো পেতে ধৈর্য ধরতে হবে। সরকারের কাজ করার ক্ষমতা আছে।

তিনি আরও বলেন, আগের সরকারের আমলে কোনো কাজ হয়নি। বাংলাদেশের সকল উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তথা শেখ হাসিনা সরকারের আমলে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- টাঙ্গাইল-৪ কালিহাতী আসনের এমপি হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারী, টাঙ্গাইল-২ গোপালপুর-ভূঞাপুর আসনের এমপি তানভীর হাসান ছোট মনির, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মন্টু কুমার বিশ্বাস, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী আবদুল মতিন সরকার, কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এমএ মালেক ভূঁইয়া, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান, গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হযরত আলী তালুকদার, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ প্রমুখ।

‘নদী খনন কাজে প্রকৃত জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে’

 ভূঞাপুর ও কালিহাতী (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি 
২৬ নভেম্বর ২০২০, ০৬:১১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেছেন, টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীর খননকাজ যেখানে হচ্ছে সেটা সরকারি জমির ওপর দিয়ে ড্রেজিংয়ের কাজ হচ্ছে। তারপরও জনগণের দাবি থাকতে পারে। যে জমিগুলো অধিগ্রহণ করা হবে সেই জমির মালিকদের জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার উপজেলার অজুর্না এলাকায় যমুনা নদীর ড্রেজিং প্রকল্প কাজ পরিদর্শনে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি। 

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনগণ এবং এলাকার উন্নয়নের জন্য কাজ হচ্ছে। যমুনা নদীতে যেখানে ড্রেজিং হচ্ছে সেখানকার মানুষের যদি জমির কাগজপত্র ঠিক না থাকে তাহলে জেলা প্রশাসকের পক্ষে টাকা দেয়া সম্ভব হবে না। যতই তারা দাবি করুক না কেন ওই ব্যক্তিদের জমির কাগজপত্র ঠিক থাকতে হবে।

তিনি বলেন, যখন সরকার জমি অধিগ্রহণ করে তখনই মন্ত্রণালয় থেকে জেলা প্রশাসকের কাছে টাকা পাঠিয়ে দেয়া হয়। অধিগ্রহণকৃত জমির টাকা পরিশোধের বিলম্বের কারণ হয়তো তাদের জমির কাগজপত্র ঠিক নাই।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত ১০ বছরে সরকার অর্থনৈতিকভাবে অনেক স্বাবলম্বী হয়েছে। সরকারের ক্ষমতা আছে বলেই বড় বড় প্রকল্প নিতে পারছি। আগে যারা সরকারে ছিল তাদের সময় কোনো কাজ হয়নি। নদী ভাঙনকবলিত এলাকায় প্রাথমিকভাবে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙনরোধ করা হবে। এছাড়া খুব দ্রুতই বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- স্থানীয় এমপি ছোট মনির, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল হালিম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. নাসরীন পারভীন, পৌর মেয়র মাসুদুল হক মাসুদ, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আসলাম হোসাইন প্রমুখ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে যমুনা নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক। পরে গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নের যমুনা নদীর তীরে গরিলাবাড়ী ঘাটে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, সরকার অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী বলে বড় বড় প্রকল্পর কাজ করছে। শেখ হাসিনার সরকার আছে বলেই আমরা বড় বড় প্রকল্প নিতে পারছি। প্রকল্পগুলো পেতে ধৈর্য ধরতে হবে। সরকারের কাজ করার ক্ষমতা আছে।

তিনি আরও বলেন, আগের সরকারের আমলে কোনো কাজ হয়নি। বাংলাদেশের সকল উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তথা শেখ হাসিনা সরকারের আমলে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- টাঙ্গাইল-৪ কালিহাতী আসনের এমপি হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারী, টাঙ্গাইল-২ গোপালপুর-ভূঞাপুর আসনের এমপি তানভীর হাসান ছোট মনির, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মন্টু কুমার বিশ্বাস, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী আবদুল মতিন সরকার, কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এমএ মালেক ভূঁইয়া, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান, গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হযরত আলী তালুকদার, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ প্রমুখ।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন