বেপরোয়া বাইককে বাঁচাতে গিয়ে উল্টে গেল বাস, নিহত ১
jugantor
বেপরোয়া বাইককে বাঁচাতে গিয়ে উল্টে গেল বাস, নিহত ১

  কক্সবাজার প্রতিনিধি  

২৯ নভেম্বর ২০২০, ১৪:৪৮:৪৩  |  অনলাইন সংস্করণ

বেপরোয়া বাইককে বাঁচাতে গিয়ে উল্টে গেল বাস, নিহত ১

কক্সবাজারে বেপরোয়া বাইকচালককে বাঁচাতে গিয়ে বাস উল্টে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২০ জন।

রোববার সকাল ৯টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের কাইম্যার ঘোনা স্টেশন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত বৃদ্ধের নাম মো. নুরুল ইসলাম (৫৫)। তিনি উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের সিকদার বিলের মৃত সুলতান আহমেদের ছেলে।

আহতরা হলেন- বাইক আরোহী সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের হাজীপাড়ার শামসুল আলমের ছেলে সাইফুল ইসলাম (২৬), গুরা মিয়ার ছেলে ওসমান গণি (২৭), মিনিবাস যাত্রী উখিয়া উপজেলার টেংখালীর মৃত সাব্বির আহমদের ছেলে সৈয়দ হোসেন (৩৫), মো. আবুল কাসেম (৪৫), তুতুর বিলের মো. আবদুল গণির ছেলে বেলাল (১৮), রাজাপালংয়ের জয়নাল উদ্দিন (২৫)। বাকিদের নাম পাওয়া যায়নি।

মুহাম্মদ ফারুক নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সড়কে কক্সবাজার-উখিয়া চলাচলকারী সি-লাইন পরিবহনের একটি বাস (কক্স-ছ-১১-০১০১) যাত্রী নিয়ে উখিয়া থেকে কক্সবজার যাচ্ছিল।

রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়ির কাইম্যারঘোনা স্টেশন এলাকায় পৌঁছামাত্র আচমকাই একটি বেপোরয়া পালসার মোটরসাইকেল (কক্স-ল-১১-৭৫৯৬) রাস্তার মাঝে চলে আসে।

এ সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেলের সঙ্গে ধাক্কা লেগে বাসটি উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলে নিহত হন সি-লাইনের যাত্রী নুরুল ইসলাম। এ সময় আহত হন বাইকের দুই আরোহীসহ সি-লাইনে থাকা ১৮ যাত্রী।

স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে চেইন্দা হোপ হসপিটাল ও কক্সবজার সদর হাসপাতালে নেন। এদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বাইক আরোহী দুজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

রামু হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ পরিদর্শক আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দুটি জব্দ করা হয়েছে। মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়েছে রামু থানায়। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জেনেছি।

বেপরোয়া বাইককে বাঁচাতে গিয়ে উল্টে গেল বাস, নিহত ১

 কক্সবাজার প্রতিনিধি 
২৯ নভেম্বর ২০২০, ০২:৪৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বেপরোয়া বাইককে বাঁচাতে গিয়ে উল্টে গেল বাস, নিহত ১
ছবি: যুগান্তর

কক্সবাজারে বেপরোয়া বাইকচালককে বাঁচাতে গিয়ে বাস উল্টে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২০ জন।

রোববার সকাল ৯টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের কাইম্যার ঘোনা স্টেশন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত বৃদ্ধের নাম মো. নুরুল ইসলাম (৫৫)। তিনি উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের সিকদার বিলের মৃত সুলতান আহমেদের ছেলে।

আহতরা হলেন- বাইক আরোহী সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের হাজীপাড়ার শামসুল আলমের ছেলে সাইফুল ইসলাম (২৬), গুরা মিয়ার ছেলে ওসমান গণি (২৭), মিনিবাস যাত্রী উখিয়া উপজেলার টেংখালীর মৃত সাব্বির আহমদের ছেলে সৈয়দ হোসেন (৩৫), মো. আবুল কাসেম (৪৫), তুতুর বিলের মো. আবদুল গণির ছেলে বেলাল (১৮), রাজাপালংয়ের জয়নাল উদ্দিন (২৫)। বাকিদের নাম পাওয়া যায়নি।

মুহাম্মদ ফারুক নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সড়কে কক্সবাজার-উখিয়া চলাচলকারী সি-লাইন পরিবহনের একটি বাস (কক্স-ছ-১১-০১০১) যাত্রী নিয়ে উখিয়া থেকে কক্সবজার যাচ্ছিল।

রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়ির কাইম্যারঘোনা স্টেশন এলাকায় পৌঁছামাত্র আচমকাই একটি বেপোরয়া পালসার মোটরসাইকেল (কক্স-ল-১১-৭৫৯৬) রাস্তার মাঝে চলে আসে।

এ সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেলের সঙ্গে ধাক্কা লেগে বাসটি উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলে নিহত হন সি-লাইনের যাত্রী নুরুল ইসলাম। এ সময় আহত হন বাইকের দুই আরোহীসহ সি-লাইনে থাকা ১৮ যাত্রী।

স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে চেইন্দা হোপ হসপিটাল ও কক্সবজার সদর হাসপাতালে নেন। এদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বাইক আরোহী দুজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

রামু হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ পরিদর্শক আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দুটি জব্দ করা হয়েছে। মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়েছে রামু থানায়। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জেনেছি।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন