চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েই পেটালেন নিজ দলের নেতাদের
jugantor
চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েই পেটালেন নিজ দলের নেতাদের

  বাকেরগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি  

৩০ নভেম্বর ২০২০, ১৮:৫৪:৪০  |  অনলাইন সংস্করণ

চেয়ারম্যানের অনুমতি না নিয়ে নির্বাচনী প্রোগ্রামে যাওয়া নিজ দলের নেতাদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে বাকেরগঞ্জের কলসকাঠি ইউনিয়নের নবাগত চেয়ারম্যান ফয়সাল ওয়াহিদ মুন্না তালুকদারের বিরুদ্ধে। রোববার সন্ধ্যার পর এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, রোববার বাকেরগঞ্জ পৌরসভায় মনোনয়ন চূড়ান্ত হয়। পৌর নির্বাচনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মো. লোকমান হোসেন ডাকুয়া মনোনয়ন পান। দলীয় মনোনয়ন পাওয়ায় উপজেলাজুড়ে আনন্দের বন্যা বইতে থাকে।

এরই ধারাবাহিকতায় কলসকাঠি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মোকলেসুর রহমান হাওলাদারের নেতৃত্বে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সন্ধ্যার পর উপজেলা দলীয় কার্যালয়ে মেয়রকে শুভেচ্ছা জানাতে যান।

শুভেচ্ছাবিনিময় শেষে বাড়ি যাওয়ার পথে কলসকাঠি ইউনিয়নের ক্ষুদ্রকাঠি গ্রামে ডাকুয়াবাড়ির সামনে ইউপি চেয়ারম্যান মুন্না তালুকদার ও তার লোকজনের হামলায় নূর হোসেন খান ও সেলিম খান নামের দুই আওয়ামী লীগ নেতা আহত হন। বর্তমানে আহতরা বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ বিষয়ে নূর হোসেন খান ও সেলিম খান যুগান্তরকে বলেন, পৌর মেয়রকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বাড়ির সামনে আসামাত্র মুন্না তালুকদার তার লোকজন নিয়ে আমাদের পথরোধ করে মারধর শুরু করেন। আমরা আমাদের অপরাধ জানতে চাইলে মুন্না তালুকদার বলেন, শালারা তোরা আওয়ামী লীগ কর, নেতা হইয়া গেছ, আওয়ামী লীগ করতে হলে আমার সঙ্গে করতে হবে, তোরা মোকলেসের সঙ্গে কেন দেখা করতে গেছ।

তারা আরও বলেন, মোকলেস ভাইয়ের সঙ্গে যাওয়াটা কি আমাদের অপরাধ- এ কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের পুনরায় মারধর করতে থাকলে আমরা দৌড়ে গোয়ালঘরে আশ্রয় নিই। সেখানেও আমাদের ওপর মুন্না চেয়ারম্যান হামলা চালায়। একপর্যায়ে আমরা অচেতন হয়ে পড়লে স্থানীয়রা আমাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে কলসকাঠি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোকলেসুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে যুগান্তরকে বলেন, বিষয়টি উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও বাকেরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র লোকমান হোসেন ডাকুয়াকে জানিয়েছি। আশা করি দল এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

তবে হামলার বিষয়ে অস্বীকার করে ইউপি চেয়ারম্যান ফয়সাল ওয়াহিদ মুন্না তালুকদার যুগান্তরকে জানান, আগামী নির্বাচনে আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করতেই একটা পক্ষ আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।

চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েই পেটালেন নিজ দলের নেতাদের

 বাকেরগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি 
৩০ নভেম্বর ২০২০, ০৬:৫৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চেয়ারম্যানের অনুমতি না নিয়ে নির্বাচনী প্রোগ্রামে যাওয়া নিজ দলের নেতাদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে বাকেরগঞ্জের কলসকাঠি ইউনিয়নের নবাগত চেয়ারম্যান ফয়সাল ওয়াহিদ মুন্না তালুকদারের বিরুদ্ধে। রোববার সন্ধ্যার পর এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, রোববার বাকেরগঞ্জ পৌরসভায় মনোনয়ন চূড়ান্ত হয়। পৌর নির্বাচনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মো. লোকমান হোসেন ডাকুয়া মনোনয়ন পান। দলীয় মনোনয়ন পাওয়ায় উপজেলাজুড়ে আনন্দের বন্যা বইতে থাকে।

এরই ধারাবাহিকতায় কলসকাঠি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মোকলেসুর রহমান হাওলাদারের নেতৃত্বে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সন্ধ্যার পর উপজেলা দলীয় কার্যালয়ে মেয়রকে শুভেচ্ছা জানাতে যান।

শুভেচ্ছাবিনিময় শেষে বাড়ি যাওয়ার পথে কলসকাঠি ইউনিয়নের ক্ষুদ্রকাঠি গ্রামে ডাকুয়াবাড়ির সামনে ইউপি চেয়ারম্যান মুন্না তালুকদার ও তার লোকজনের হামলায় নূর হোসেন খান ও সেলিম খান নামের দুই আওয়ামী লীগ নেতা আহত হন। বর্তমানে আহতরা বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
 
এ বিষয়ে নূর হোসেন খান ও সেলিম খান যুগান্তরকে বলেন, পৌর মেয়রকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বাড়ির সামনে আসামাত্র মুন্না তালুকদার তার লোকজন নিয়ে আমাদের পথরোধ করে মারধর শুরু করেন। আমরা আমাদের অপরাধ জানতে চাইলে মুন্না তালুকদার বলেন, শালারা তোরা আওয়ামী লীগ কর, নেতা হইয়া গেছ, আওয়ামী লীগ করতে হলে আমার সঙ্গে করতে হবে, তোরা মোকলেসের সঙ্গে কেন দেখা করতে গেছ।

তারা আরও বলেন, মোকলেস ভাইয়ের সঙ্গে যাওয়াটা কি আমাদের অপরাধ- এ কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের পুনরায় মারধর করতে থাকলে আমরা দৌড়ে গোয়ালঘরে আশ্রয় নিই। সেখানেও আমাদের ওপর মুন্না চেয়ারম্যান হামলা চালায়। একপর্যায়ে আমরা অচেতন হয়ে পড়লে স্থানীয়রা আমাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে কলসকাঠি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোকলেসুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে যুগান্তরকে বলেন, বিষয়টি উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও বাকেরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র লোকমান হোসেন ডাকুয়াকে জানিয়েছি। আশা করি দল এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

তবে হামলার বিষয়ে অস্বীকার করে ইউপি চেয়ারম্যান ফয়সাল ওয়াহিদ মুন্না তালুকদার যুগান্তরকে জানান, আগামী নির্বাচনে আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করতেই একটা পক্ষ আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন