যুগান্তরের খবরে একই পরিবারের সেই ৬ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীর পাশে জেলা প্রশাসক
jugantor
যুগান্তরের খবরে একই পরিবারের সেই ৬ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীর পাশে জেলা প্রশাসক

  খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি  

৩০ নভেম্বর ২০২০, ১৯:১০:৩৫  |  অনলাইন সংস্করণ

খাগড়াছড়ির দীঘিনালার মেরুং ইউনিয়নের ভূঁইয়াছড়া এলাকায় একই পরিবারের ছয় দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীর পাশে দাঁড়িয়েছেন খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস।

যুগান্তরের প্রতিবেদন দেখে সোমবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী সাহারা খাতুনের হাতে ২৫ হাজার টাকার চেক তুলে দেন জেলা প্রশাসক। এ সময় তিনি আশ্বাস দেন দ্রুত সময়ের মধ্যে সরকারি অর্থায়নে একটি পাকা টিনশেড ঘর দেয়া হবে।

এছাড়া ছয় প্রতিবন্ধীর নামে কার্ড ও ভাতা প্রদানের জন্য জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক রোকেয়া বেগমকে নির্দেশ দেন জেলা প্রশাসক।

‘এক ঘরে ৬ প্রতিবন্ধী, পায় না ভাতা’ শীর্ষক সংবাদ রোববার যুগান্তর অনলাইনে প্রকাশিত হয়। সংবাদটি জেলা প্রশাসকের দৃষ্টিগোচর হলে তিনি অসহায় পরিবারটিকে সহায়তার উদ্যোগ নেন।

জেলা প্রশাসকের সহযোগিতায় আপ্লুত দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী সাহারা খাতুন। তিনি বলেন, ‘বংশগতভাবে আমার পরিবারের ছয় সদস্য দৃষ্টি প্রতিবন্ধী। আমরা এতদিন কোনো ভাতা পাইনি। মেম্বারকে বলেও কোনো লাভ হয়নি। আমাদের থাকার মতো কোনো ঘর ছিল না। ডিসি স্যার আমাদের ঘর দিবেন বলেছেন।’

দীর্ঘদিন পর হলেও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহায়তা পেয়ে খুশি সাহারা খাতুন এবং তার পরিবার।

জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস জানান, ‘এক পরিবারেই ছয় দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী’ শিরোনামে সংবাদটি দেখার পর জেলা প্রশাসন তাদের সহযোগিতার উদ্যোগ নিয়েছে। প্রত্যেকের নামে প্রতিবন্ধী কার্ড ইস্যু ও ভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ২৫ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়েছে। যেহেতু তাদের কোনো বাসস্থান নেই, তাই সরকারি অর্থায়নে নতুন ঘর তুলে দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। খুব শিগগিরই ঘর পাবে পরিবারটি।’

চেক বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন- খাগড়াছড়ি জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক রোকেয়া বেগম, জেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা মো. শাহজাহান, যুগান্তরের খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি সমির মল্লিক প্রমুখ।

যুগান্তরের খবরে একই পরিবারের সেই ৬ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীর পাশে জেলা প্রশাসক

 খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি 
৩০ নভেম্বর ২০২০, ০৭:১০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

খাগড়াছড়ির দীঘিনালার মেরুং ইউনিয়নের ভূঁইয়াছড়া এলাকায় একই পরিবারের ছয় দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীর পাশে দাঁড়িয়েছেন খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস।

যুগান্তরের প্রতিবেদন দেখে সোমবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী সাহারা খাতুনের হাতে ২৫ হাজার টাকার চেক তুলে দেন জেলা প্রশাসক। এ সময় তিনি আশ্বাস দেন দ্রুত সময়ের মধ্যে সরকারি অর্থায়নে একটি পাকা টিনশেড ঘর দেয়া হবে।

এছাড়া ছয় প্রতিবন্ধীর নামে কার্ড ও ভাতা প্রদানের জন্য জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক রোকেয়া বেগমকে নির্দেশ দেন জেলা প্রশাসক।

‘এক ঘরে ৬ প্রতিবন্ধী, পায় না ভাতা’ শীর্ষক সংবাদ রোববার যুগান্তর অনলাইনে প্রকাশিত হয়। সংবাদটি জেলা প্রশাসকের দৃষ্টিগোচর হলে তিনি অসহায় পরিবারটিকে সহায়তার উদ্যোগ নেন।

জেলা প্রশাসকের সহযোগিতায় আপ্লুত দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী সাহারা খাতুন। তিনি বলেন, ‘বংশগতভাবে আমার পরিবারের ছয় সদস্য দৃষ্টি প্রতিবন্ধী। আমরা এতদিন কোনো ভাতা পাইনি। মেম্বারকে বলেও কোনো লাভ হয়নি। আমাদের থাকার মতো কোনো ঘর ছিল না। ডিসি স্যার আমাদের ঘর দিবেন বলেছেন।’

দীর্ঘদিন পর হলেও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহায়তা পেয়ে খুশি সাহারা খাতুন এবং তার পরিবার।

জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস জানান, ‘এক পরিবারেই ছয় দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী’ শিরোনামে সংবাদটি দেখার পর জেলা প্রশাসন তাদের সহযোগিতার উদ্যোগ নিয়েছে। প্রত্যেকের নামে প্রতিবন্ধী কার্ড ইস্যু ও ভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ২৫ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়েছে। যেহেতু তাদের কোনো বাসস্থান নেই, তাই সরকারি অর্থায়নে নতুন ঘর তুলে দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। খুব শিগগিরই ঘর পাবে পরিবারটি।’

চেক বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন- খাগড়াছড়ি জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক রোকেয়া বেগম, জেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা মো. শাহজাহান, যুগান্তরের খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি সমির মল্লিক প্রমুখ।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন