আগুনে করিমগঞ্জের ১৮ পরিবার সর্বস্বান্ত
jugantor
আগুনে করিমগঞ্জের ১৮ পরিবার সর্বস্বান্ত

  কিশোরগঞ্জ ব্যুরো  

৩০ নভেম্বর ২০২০, ১৯:১৩:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলায় এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বসতঘরসহ ১৮টি পরিবারের সবকিছু পুড়ে গেছে। রোববার রাত ১১টার দিকে উপজেলার জয়কা ইউনিয়নের নানশ্রী কদমতলী কৃষকপল্লীতে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।

এ আগুনে পুড়ে প্রায় এক কোটি টাকার সম্পদ ভস্মীভূত হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্তদের।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, রোববার রাত ১১টার দিকে কদমতলী গ্রামের কোনো এক বসতঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই এ আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের বাড়িঘরে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস দল ঘটনাস্থলের উদ্দেশে যাত্রা করলেও চলাচল অযোগ্য রাস্তা মাড়িয়ে পৌঁছতে বিলম্ব হয়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় চার ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস।

এর আগেই পুড়ে ছাই হয় ১৮ পরিবারের বসতঘরসহ ধান-চাল, আসবাবপত্র, নগদ টাকা ও সহায়-সম্বল। তবে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত তা জানা যায়নি। এ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সহায়-সম্বল হারিয়ে অসহায় ১৮টি পরিবার এখন খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে।

কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মো. মোবারক আলী জানান, গ্রামের সরু রাস্তা দিয়ে আমাদের বড় গাড়ি প্রবেশ করতে পারেনি। তাই ছোট গাড়ি সেখানে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেয়। আগুনের সূত্রপাত এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানতে অনুসন্ধান চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন করিমগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাসিরুল ইসলাম খান আওলাদ। তিনি জানান, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারি সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

আগুনে করিমগঞ্জের ১৮ পরিবার সর্বস্বান্ত

 কিশোরগঞ্জ ব্যুরো 
৩০ নভেম্বর ২০২০, ০৭:১৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলায় এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বসতঘরসহ ১৮টি পরিবারের সবকিছু পুড়ে গেছে। রোববার রাত ১১টার দিকে উপজেলার জয়কা ইউনিয়নের নানশ্রী কদমতলী কৃষকপল্লীতে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।

এ আগুনে পুড়ে প্রায় এক কোটি টাকার সম্পদ ভস্মীভূত হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্তদের।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, রোববার রাত ১১টার দিকে কদমতলী গ্রামের কোনো এক বসতঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই এ আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের বাড়িঘরে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস দল ঘটনাস্থলের উদ্দেশে যাত্রা করলেও চলাচল অযোগ্য রাস্তা মাড়িয়ে পৌঁছতে বিলম্ব হয়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় চার ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস।

এর আগেই পুড়ে ছাই হয় ১৮ পরিবারের বসতঘরসহ ধান-চাল, আসবাবপত্র, নগদ টাকা ও সহায়-সম্বল। তবে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত তা জানা যায়নি। এ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সহায়-সম্বল হারিয়ে অসহায় ১৮টি পরিবার এখন খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে।

কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মো. মোবারক আলী জানান, গ্রামের সরু রাস্তা দিয়ে আমাদের বড় গাড়ি প্রবেশ করতে পারেনি। তাই ছোট গাড়ি সেখানে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেয়। আগুনের সূত্রপাত এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানতে অনুসন্ধান চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।  

সোমবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন করিমগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাসিরুল ইসলাম খান আওলাদ। তিনি জানান, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারি সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন