মাদক মামলার আসামি, শাস্তি প্রতিবন্ধী স্কুলে পাঠদান
jugantor
মাদক মামলার আসামি, শাস্তি প্রতিবন্ধী স্কুলে পাঠদান

  মাদারীপুর প্রতিনিধি  

৩০ নভেম্বর ২০২০, ২৩:৫৩:৪৯  |  অনলাইন সংস্করণ

মাদারীপুরে মাদক মামলার আসামিদের সংশোধনের জন্য এক বছর করে দুই আসামির অন্যরকম সাজা দিয়েছেন আদালত।

সোমবার বিকালে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক লায়লাতুল ফেরদৌস এক আসামিকে প্রতিবন্ধীদের বিদ্যালয়ে পাঠদান ও অপর আসামিকে পৌরসভার মালির কাজ করার নির্দেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- কালকিনি উপজেলার ডাসার থানাধীন দক্ষিণ ডাসারের সৈয়দ হারুণ অর রশীদের ছেলে সৈয়দ ফয়সাল হোসেন ওরফে রুবেজ (২৩) ও একই এলাকার কাজী আবুল বাশারের ছেলে কাজী সজল (২৪)।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৬ মার্চ খৈয়ারভাঙ্গা এলাকায় অভিযান চালায় জেলার গোয়েন্দা পুলিশের দল। এ সময় ১০০টি ইয়াবাসহ রুবেজ ও সজলকে আটক করা হয়। পরে জেলার গোয়েন্দা পুলিশের এএসআই এনামুল হক মন্ডল বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন। আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

সাক্ষ্যপ্রমাণ ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে দোষী প্রমাণিত হওয়ায় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক লায়লাতুল ফেরদৌস দুই আসামিকেই এক বছর করে কারাদণ্ড দেন। তবে এই দণ্ড তারা কারাগার ছাড়াই ভোগ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে সংশোধনের জন্য সৈয়দ ফয়সাল হোসেন রুবেজকে মাদারীপুরের প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে প্রতিবন্ধীদের (প্রসিসেস) পাঠদানে সহায়তা করা ও অপর আসামি কাজী সজলকে মাদারীপুর পৌরসভার মালীর কাজ করার নির্দেশ দেয়া হয়। যা আগামী এক বছর পর্যবেক্ষণ করবেন জেলা সমাজসেবা অফিসের কর্মকর্তারা।

প্রতি তিনমাস অন্তর সমাজসেবা কর্মকর্তারা আদালতে দণ্ডপ্রাপ্তদের কর্মকাণ্ড বিষয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করবেন। এ ছাড়াও আদালত দুই আসামির প্রত্যেককে তিন হাজার টাকা আর্থিক জরিমানা করেন। অনাদায়ে দুই মাসের দণ্ড ভোগ করবেন আসামিরা।

মাদারীপুর জজ কোর্টের পিপি মো. সিদ্দিকুর রহমান সিং বলেন, মূলত আসামিদের সংশোধনের জন্য আদালত এই রায় প্রদান করেছেন। আগামী এক বছর আদালতের শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে আদালত পরবর্তীতে নতুন পদক্ষেপ নিবে।

এ সস্পর্কে মাদারীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালত পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) রমেশ কুমার দাস বলেন, আসামিদের সংশোধনের জন্য এক আসামিকে প্রতিবন্ধীদের বিদ্যালয়ে পাঠদান ও অপর আসামিকে পৌরসভার মালির কাজ করার নির্দেশ দেন আদালত। তারা প্রতি সপ্তাহে দুই কর্মদিবস ওই দুই প্রতিষ্ঠানে কাজ করবেন।

মাদক মামলার আসামি, শাস্তি প্রতিবন্ধী স্কুলে পাঠদান

 মাদারীপুর প্রতিনিধি 
৩০ নভেম্বর ২০২০, ১১:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মাদারীপুরে মাদক মামলার আসামিদের সংশোধনের জন্য এক বছর করে দুই আসামির অন্যরকম সাজা দিয়েছেন আদালত। 

সোমবার বিকালে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক লায়লাতুল ফেরদৌস এক আসামিকে প্রতিবন্ধীদের বিদ্যালয়ে পাঠদান ও অপর আসামিকে পৌরসভার মালির কাজ করার নির্দেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- কালকিনি উপজেলার ডাসার থানাধীন দক্ষিণ ডাসারের সৈয়দ হারুণ অর রশীদের ছেলে সৈয়দ ফয়সাল হোসেন ওরফে রুবেজ (২৩) ও একই এলাকার কাজী আবুল বাশারের ছেলে কাজী সজল (২৪)।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৬ মার্চ খৈয়ারভাঙ্গা এলাকায় অভিযান চালায় জেলার গোয়েন্দা পুলিশের দল। এ সময় ১০০টি ইয়াবাসহ রুবেজ ও সজলকে আটক করা হয়। পরে জেলার গোয়েন্দা পুলিশের এএসআই এনামুল হক মন্ডল বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন। আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। 

সাক্ষ্যপ্রমাণ ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে দোষী প্রমাণিত হওয়ায় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক লায়লাতুল ফেরদৌস দুই আসামিকেই এক বছর করে কারাদণ্ড দেন। তবে এই দণ্ড তারা কারাগার ছাড়াই ভোগ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে সংশোধনের জন্য সৈয়দ ফয়সাল হোসেন রুবেজকে মাদারীপুরের প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে প্রতিবন্ধীদের (প্রসিসেস) পাঠদানে সহায়তা করা ও অপর আসামি কাজী সজলকে মাদারীপুর পৌরসভার মালীর কাজ করার নির্দেশ দেয়া হয়। যা আগামী এক বছর পর্যবেক্ষণ করবেন জেলা সমাজসেবা অফিসের কর্মকর্তারা। 

প্রতি তিনমাস অন্তর সমাজসেবা কর্মকর্তারা আদালতে দণ্ডপ্রাপ্তদের কর্মকাণ্ড বিষয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করবেন। এ ছাড়াও আদালত দুই আসামির প্রত্যেককে তিন হাজার টাকা আর্থিক জরিমানা করেন। অনাদায়ে দুই মাসের দণ্ড ভোগ করবেন আসামিরা।

মাদারীপুর জজ কোর্টের পিপি মো. সিদ্দিকুর রহমান সিং বলেন, মূলত আসামিদের সংশোধনের জন্য আদালত এই রায় প্রদান করেছেন। আগামী এক বছর আদালতের শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে আদালত পরবর্তীতে নতুন পদক্ষেপ নিবে।

এ সস্পর্কে মাদারীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালত পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) রমেশ কুমার দাস বলেন, আসামিদের সংশোধনের জন্য এক আসামিকে প্রতিবন্ধীদের বিদ্যালয়ে পাঠদান ও অপর আসামিকে পৌরসভার মালির কাজ করার নির্দেশ দেন আদালত। তারা প্রতি সপ্তাহে দুই কর্মদিবস ওই দুই প্রতিষ্ঠানে কাজ করবেন।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন