বগুড়ার সাবেক উপপ্রধান প্রকৌশলী ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং মামলা
jugantor
বগুড়ার সাবেক উপপ্রধান প্রকৌশলী ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং মামলা

  বগুড়া ব্যুরো  

০১ ডিসেম্বর ২০২০, ১৭:৪৫:২৯  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার সান্তাহার বাফার গুদামের বিপুল অংকের সার কেলেঙ্কারির হোতা বরখাস্ত উপপ্রধান প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) নবীর উদ্দিন খান ও তার স্ত্রী মোহসীনা বেগম রত্নার বিরুদ্ধে আরও পাঁচ কোটি তিন লাখ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম সোমবার সন্ধ্যায় তাদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা করেন।

বাদী ও তদন্তকারী কর্মকর্তা সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম জানান, নবীর উদ্দিন খান হাইকোর্টে জাল কাগজপত্র জমা দিয়ে জামিনে ছাড়া পেয়ে আত্মগোপন করেছেন। তার স্ত্রীর পলাতক রয়েছেন। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এ দম্পতির বিরুদ্ধে আরও দুটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

এজাহার সূত্র ও দুদক কর্মকর্তারা জানান, বগুড়ার সান্তাহার বাফার গুদামে সার পরিবহনে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠে। দুদক কর্মকর্তারা তদন্ত করতে গিয়ে গুদাম ইনচার্জ প্রকৌশলী নবীর উদ্দিন খান ও তার স্ত্রী মোহসীনা বেগম রত্নার নামে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অঢেল সম্পদ-সম্পত্তির সন্ধান পান।

তদন্তে ওই বাফার গুদামের ১৫৩ কোটি ৩৬ লাখ ১৩ হাজার ৭৫৩ টাকা মূল্যের প্রায় ৫২ হাজার ৩৪২ দশমিক ৮০ মেট্রিক টন সার কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যায়। এ ব্যাপারে দুদক কর্মকর্তা গত ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর নবীর উদ্দিন খান ও আদমদীঘি উপজেলা শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক রাশেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম জানান, তদন্তে নেমে নবীর উদ্দিন ও তার স্ত্রী মোহসীনা বেগম রত্নার নামে অঢেল সম্পদের সন্ধান পাওয়া যায়। গত বছরের ১৬ অক্টোবর ওই দম্পতির বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত প্রায় পাঁচ কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা হয়।

তদন্তে আরও জানা গেছে, নবীর উদ্দিন তার স্ত্রী নামে অবৈধ সম্পদ করেন। এর পরিমাণ পাঁচ কোটি ৩৭ লাখ টাকা।

সোমবার সন্ধ্যা দুদক বগুড়া কার্যালয়ের উপ-পরিচালকের কাছে নবীর উদ্দিন খান ও মোহসীনা বেগম রত্নার বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা করেন।

এর আগে গত ২০১৮ সালে মামলার পর নবীর উদ্দিন খান গ্রেফতার হন। ছয় মাস জেলে থাকার পর হাইকোর্টে ভুয়া কাগজপত্র জমা দিয়ে মুক্তি লাভ করেন। এর পর আত্মগোপন করেন। তার স্ত্রীও পলাতক রয়েছেন। তাদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

নবীর উদ্দিন নওগাঁর রানীনগর উপজেলার ধোপাপাড়া গ্রামের মৃত ময়েজ উদ্দিন খানের ছেলে। তারা নওগাঁ শহরের মাস্টারপাড়ায় বসবাস করতেন। তিনি প্রথম মামলায় গ্রেফতারের পর সাময়িক বরখাস্ত হন। এ অবস্থায় চাকরি থেকে অবসরে যান।

বগুড়ার সাবেক উপপ্রধান প্রকৌশলী ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং মামলা

 বগুড়া ব্যুরো 
০১ ডিসেম্বর ২০২০, ০৫:৪৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার সান্তাহার বাফার গুদামের বিপুল অংকের সার কেলেঙ্কারির হোতা বরখাস্ত উপপ্রধান প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) নবীর উদ্দিন খান ও তার স্ত্রী মোহসীনা বেগম রত্নার বিরুদ্ধে আরও পাঁচ কোটি তিন লাখ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম সোমবার সন্ধ্যায় তাদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা করেন।

বাদী ও তদন্তকারী কর্মকর্তা সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম জানান, নবীর উদ্দিন খান হাইকোর্টে জাল কাগজপত্র জমা দিয়ে জামিনে ছাড়া পেয়ে আত্মগোপন করেছেন। তার স্ত্রীর পলাতক রয়েছেন। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এ দম্পতির বিরুদ্ধে আরও দুটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

এজাহার সূত্র ও দুদক কর্মকর্তারা জানান, বগুড়ার সান্তাহার বাফার গুদামে সার পরিবহনে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠে। দুদক কর্মকর্তারা তদন্ত করতে গিয়ে গুদাম ইনচার্জ প্রকৌশলী নবীর উদ্দিন খান ও তার স্ত্রী মোহসীনা বেগম রত্নার নামে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অঢেল সম্পদ-সম্পত্তির সন্ধান পান।

তদন্তে ওই বাফার গুদামের ১৫৩ কোটি ৩৬ লাখ ১৩ হাজার ৭৫৩ টাকা মূল্যের প্রায় ৫২ হাজার ৩৪২ দশমিক ৮০ মেট্রিক টন সার কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যায়। এ ব্যাপারে দুদক কর্মকর্তা গত ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর নবীর উদ্দিন খান ও আদমদীঘি উপজেলা শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক রাশেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম জানান, তদন্তে নেমে নবীর উদ্দিন ও তার স্ত্রী মোহসীনা বেগম রত্নার নামে অঢেল সম্পদের সন্ধান পাওয়া যায়। গত বছরের ১৬ অক্টোবর ওই দম্পতির বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত প্রায় পাঁচ কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা হয়।

তদন্তে আরও জানা গেছে, নবীর উদ্দিন তার স্ত্রী নামে অবৈধ সম্পদ করেন। এর পরিমাণ পাঁচ কোটি ৩৭ লাখ টাকা।

সোমবার সন্ধ্যা দুদক বগুড়া কার্যালয়ের উপ-পরিচালকের কাছে নবীর উদ্দিন খান ও মোহসীনা বেগম রত্নার বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা করেন।

এর আগে গত ২০১৮ সালে মামলার পর নবীর উদ্দিন খান গ্রেফতার হন। ছয় মাস জেলে থাকার পর হাইকোর্টে ভুয়া কাগজপত্র জমা দিয়ে মুক্তি লাভ করেন। এর পর আত্মগোপন করেন। তার স্ত্রীও পলাতক রয়েছেন। তাদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

নবীর উদ্দিন নওগাঁর রানীনগর উপজেলার ধোপাপাড়া গ্রামের মৃত ময়েজ উদ্দিন খানের ছেলে। তারা নওগাঁ শহরের মাস্টারপাড়ায় বসবাস করতেন। তিনি প্রথম মামলায় গ্রেফতারের পর সাময়িক বরখাস্ত হন। এ অবস্থায় চাকরি থেকে অবসরে যান।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন