ছদ্মবেশে সরকারি অফিসে ম্যাজিস্ট্রেট, অতঃপর...
রংপুর ব্যুরো
০১ ডিসেম্বর ২০২০, ২১:৫৬:১১ | অনলাইন সংস্করণ
রংপুরের সরকারি অফিসগুলোকে দালালমুক্ত করতে মাঠে নেমেছে জেলা প্রশাসন। এরই প্রেক্ষিতে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার দুপুরে জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস, বিআরটিএ অফিস, পাসপোর্ট অফিসসহ বেশ কয়েকটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে ছদ্মবেশে সেবাগ্রহীতা সেজে অভিযান চালান জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদ হাসান মৃধা।
সেখানে গ্রামের সাধারণ মানুষের সঙ্গে কাগজ নিয়ে কয়েকজন লোককে কথা বলতে দেখতে পান তিনি। এ সময় সন্দেহভাজনের সঙ্গে কথা বলে ৪-৫ জনকে আটক করা হয়।
গ্রামের সাধারণ মানুষের কাছে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে দালালি কাজে নিয়োজিত থাকার কথা স্বীকার করলে নগরীর মুন্সিপাড়ার লাভলু হোসেনকে সাত দিনের কারাদণ্ড প্রদান করেন ম্যাজিস্ট্রেট মৃধা।
অপরদিকে বি আরটিএ কার্যালয়ে সেবাগ্রহীতা সেজে যান ম্যাজিস্ট্রেট মৃধা। সেখানে দালাল চক্রের সদস্য সাতগাড়া মিস্ত্রিপাড়ার রবিউল ইসলামকে হাতেনাতে আটক করেন তিনি। এ সময় তাকে দুই দিনের কারাদণ্ডও প্রদান করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদ হাসান মৃধা বলেন, দালাল চক্রের জন্য বিভিন্ন সরকারি দফতরে সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি হচ্ছে। তাদের হাত থেকে সেবাগ্রহীতাদের বাঁচাতে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে আমরা মাঠে কাজ করে যাচ্ছি। আজ দুজনকে আটক করে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম
প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।
পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬
E-mail: [email protected]
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ছদ্মবেশে সরকারি অফিসে ম্যাজিস্ট্রেট, অতঃপর...
রংপুরের সরকারি অফিসগুলোকে দালালমুক্ত করতে মাঠে নেমেছে জেলা প্রশাসন। এরই প্রেক্ষিতে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার দুপুরে জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস, বিআরটিএ অফিস, পাসপোর্ট অফিসসহ বেশ কয়েকটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে ছদ্মবেশে সেবাগ্রহীতা সেজে অভিযান চালান জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদ হাসান মৃধা।
সেখানে গ্রামের সাধারণ মানুষের সঙ্গে কাগজ নিয়ে কয়েকজন লোককে কথা বলতে দেখতে পান তিনি। এ সময় সন্দেহভাজনের সঙ্গে কথা বলে ৪-৫ জনকে আটক করা হয়।
গ্রামের সাধারণ মানুষের কাছে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে দালালি কাজে নিয়োজিত থাকার কথা স্বীকার করলে নগরীর মুন্সিপাড়ার লাভলু হোসেনকে সাত দিনের কারাদণ্ড প্রদান করেন ম্যাজিস্ট্রেট মৃধা।
অপরদিকে বি আরটিএ কার্যালয়ে সেবাগ্রহীতা সেজে যান ম্যাজিস্ট্রেট মৃধা। সেখানে দালাল চক্রের সদস্য সাতগাড়া মিস্ত্রিপাড়ার রবিউল ইসলামকে হাতেনাতে আটক করেন তিনি। এ সময় তাকে দুই দিনের কারাদণ্ডও প্রদান করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদ হাসান মৃধা বলেন, দালাল চক্রের জন্য বিভিন্ন সরকারি দফতরে সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি হচ্ছে। তাদের হাত থেকে সেবাগ্রহীতাদের বাঁচাতে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে আমরা মাঠে কাজ করে যাচ্ছি। আজ দুজনকে আটক করে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।