ফরিদপুরে পাটের উৎপাদন বৃদ্ধির নির্দেশ ডিসির
jugantor
ফরিদপুরে পাটের উৎপাদন বৃদ্ধির নির্দেশ ডিসির

  ফরিদপুর ব্যুরো  

০১ ডিসেম্বর ২০২০, ২২:৪১:০৯  |  অনলাইন সংস্করণ

‘সোনালী আশে ভরপুর, ভালোবাসি ফরিদপুর’ এ শ্লোগানকে ধারণ করে ফরিদপুরে আঞ্চলিক পর্যায়ে স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে পাট অধিদফতর ও কৃষি অধিদফতরের আয়োজনে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির (এপিএ) আওতায় সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারের মাধ্যমে তৃণমূলের কৃষকদের নিকট পাটের উন্নত বীজ ও পাট চাষ সম্পর্কে ইতিবাচক মনোভাব তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক অতুল সরকার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, পাট ফরিদপুর তথা বাংলাদেশের নিজস্ব সম্পদ। সোনালী আশের পাট এতদাঞ্চলের সুখ্যাতি বয়ে আনে। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি স্বাধীনতার মহানায়ক বাংলাদেশের দ্রষ্টা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পরে সর্বপ্রথম পাটকে বিশ্ব দরবারে স্থায়ী আসন গড়ে নেয়ার কাজ শুরু করেন। তার প্রচেষ্টায় সোনালী আশের খ্যাতি বিশ্বের প্রান্তে প্রান্তে পৌঁছে যায়।

তিনি বলেন, বর্তমানেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় ফরিদপুরের পাট উল্লেখযোগ্য স্থানে আছে। প্রধানমন্ত্রী পাটকে বিশ্বের দরবারে প্রতিষ্ঠা করেছেন। এজন্য বহুমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছেন তিনি।

পাট অধিদফতরের সহকারী পরিচালক কৃষিবিদ মরিয়ম বেগমের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন- অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) দীপক কুমার রায়, করিম গ্রুপের স্বত্বাধিকারী মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুর রাজ্জাক মোল্যা, চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি আওলাদ হোসেন বাবর প্রমুখ।

মুক্ত আলোচনায় সমবায়ের মাধ্যমে পাট চাষ করার কথা বক্তারা জানালে জেলা প্রশাসক বলেন, এ সমবায়ের বার্তা কৃষকদের মাঝে পৌঁছে দেয়ার জন্য কৃষক পর্যায়ে সেমিনার করতে হবে। কৃষকরা পাট বীজ বেসরকারিভাবে ক্রয় করে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কৃষকরা যাতে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এজন্য সেমিনারের মাধ্যমে সরকারীভাবে বীজ ক্রয়ের জন্য তাদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

তিনি বলেন, প্লাস্টিকের পণ্য বাদ দিয়ে আমাদের পাট পণ্যের দিকে ঝুঁকে পড়তে হবে। পাটের ব্যবহার সঠিকভাবে নিশ্চিত করতে পারলে পাটের বিপ্লব ঘটানো সম্ভব হবে।

ফরিদপুরে পাটের উৎপাদন বৃদ্ধির নির্দেশ ডিসির

 ফরিদপুর ব্যুরো 
০১ ডিসেম্বর ২০২০, ১০:৪১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

‘সোনালী আশে ভরপুর, ভালোবাসি ফরিদপুর’ এ শ্লোগানকে ধারণ করে ফরিদপুরে আঞ্চলিক পর্যায়ে স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে পাট অধিদফতর ও কৃষি অধিদফতরের আয়োজনে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির (এপিএ) আওতায় সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারের মাধ্যমে তৃণমূলের কৃষকদের নিকট পাটের উন্নত বীজ ও পাট চাষ সম্পর্কে ইতিবাচক মনোভাব তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক অতুল সরকার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, পাট ফরিদপুর তথা বাংলাদেশের নিজস্ব সম্পদ। সোনালী আশের পাট এতদাঞ্চলের সুখ্যাতি বয়ে আনে। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি স্বাধীনতার মহানায়ক বাংলাদেশের দ্রষ্টা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পরে সর্বপ্রথম পাটকে বিশ্ব দরবারে স্থায়ী আসন গড়ে নেয়ার কাজ শুরু করেন। তার প্রচেষ্টায় সোনালী আশের খ্যাতি বিশ্বের প্রান্তে প্রান্তে পৌঁছে যায়।

তিনি বলেন, বর্তমানেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় ফরিদপুরের পাট উল্লেখযোগ্য স্থানে আছে। প্রধানমন্ত্রী পাটকে বিশ্বের দরবারে প্রতিষ্ঠা করেছেন। এজন্য বহুমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছেন তিনি।

পাট অধিদফতরের সহকারী পরিচালক কৃষিবিদ মরিয়ম বেগমের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন- অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) দীপক কুমার রায়, করিম গ্রুপের স্বত্বাধিকারী মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুর রাজ্জাক মোল্যা, চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি আওলাদ হোসেন বাবর প্রমুখ।

মুক্ত আলোচনায় সমবায়ের মাধ্যমে পাট চাষ করার কথা বক্তারা জানালে জেলা প্রশাসক বলেন, এ সমবায়ের বার্তা কৃষকদের মাঝে পৌঁছে দেয়ার জন্য কৃষক পর্যায়ে সেমিনার করতে হবে। কৃষকরা পাট বীজ বেসরকারিভাবে ক্রয় করে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কৃষকরা যাতে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এজন্য সেমিনারের মাধ্যমে সরকারীভাবে বীজ ক্রয়ের জন্য তাদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

তিনি বলেন, প্লাস্টিকের পণ্য বাদ দিয়ে আমাদের পাট পণ্যের দিকে ঝুঁকে পড়তে হবে। পাটের ব্যবহার সঠিকভাবে নিশ্চিত করতে পারলে পাটের বিপ্লব ঘটানো সম্ভব হবে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন