শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ
jugantor
শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ

  সাতক্ষীরা প্রতিনিধি  

০১ ডিসেম্বর ২০২০, ২২:৫৫:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

সাবেক বিরোধী দলীয় নেতা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার ঘটনার মামলায় আরও তিনজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সাতক্ষীরার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হুমায়ুন কবির তার আদালতে এই সাক্ষীদের জবানবন্দী রেকর্ড করেন।

যে সমস্ত সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ ও জেরা করা হয় তারা হলেন- বাসচালক মো. নজিবুল্লাহ, সাংবাদিক হাবিবুর রহমান ও সাংবাদিক সুভাষ চৌধুরী।

সরকারপক্ষে এই মামলা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এসএম মুনীর ও দুই ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুজিত কুমার চ্যাটার্জী, হাশেম আলী সরদার ও সাতক্ষীরা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট আবদুল লতিফ।

আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ এবং অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান পিন্টুসহ অন্যরা।

২০০২ সালের ৩০ আগস্ট তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনা সাতক্ষীরার কলারোয়ার হিজলদী গ্রামের গনধর্ষণের শিকার মুক্তিযোদ্ধা পত্নী মাহফুজা খাতুনকে দেখতে আসেন। এরপর তিনি একটি পথসভায় ভাষণ শেষে সাতক্ষীরা থেকে কলারোয়া হয়ে মাগুরা অভিমুখে রওনা হন।

কলারোয়া বাজারে পৌঁছানোর পর তার গাড়িবহরে হামলা ও গুলির ঘটনা ঘটে। এতে তিনি অক্ষত থাকলেও তার সফরসঙ্গী কয়েকজন আহত হন। বিরোধী দলীয় নেত্রীর নিরাপত্তারক্ষীরা তাকে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেন।

এ ঘটনা নিয়ে কলারোয়ার মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. মোসলেম উদ্দিন ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করেন। অপরদিকে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় সাংবাদিক সুভাষ চৌধুরী কলারোয়া থানায় একটি জিডি করেন।

মুক্তিযোদ্ধা মোসলেম উদ্দিনের মামলাটি কয়েক দফা খারিজ হয়ে যাওয়ার পর ২০১৪ সালের ১৫ অক্টোবর পুনরুজ্জীবিত হয়। পুলিশ ফের তদন্ত করে বিএনপির সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়। চলমান এই মামলায় বর্তমানে সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। আজ নিয়ে মোট ১৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে।

অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এসএম মুনীর বলেন, তারা সাতক্ষীরার সরকারপক্ষের উকিলকে সহায়তা করতে ঢাকা থেকে এসেছেন। আগামী তিন মাসের মধ্যে মামলাটি নিষ্পত্তি হবার কথা রয়েছে।

শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ

 সাতক্ষীরা প্রতিনিধি 
০১ ডিসেম্বর ২০২০, ১০:৫৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সাবেক বিরোধী দলীয় নেতা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার ঘটনার মামলায় আরও তিনজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সাতক্ষীরার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হুমায়ুন কবির তার আদালতে এই সাক্ষীদের জবানবন্দী রেকর্ড করেন।

যে সমস্ত সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ ও জেরা করা হয় তারা হলেন- বাসচালক মো. নজিবুল্লাহ, সাংবাদিক হাবিবুর রহমান ও সাংবাদিক সুভাষ চৌধুরী।

সরকারপক্ষে এই মামলা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এসএম মুনীর ও দুই ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুজিত কুমার চ্যাটার্জী, হাশেম আলী সরদার ও সাতক্ষীরা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট আবদুল লতিফ।

আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ এবং অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান পিন্টুসহ অন্যরা।

২০০২ সালের ৩০ আগস্ট তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনা সাতক্ষীরার কলারোয়ার হিজলদী গ্রামের গনধর্ষণের শিকার মুক্তিযোদ্ধা পত্নী মাহফুজা খাতুনকে দেখতে আসেন। এরপর তিনি একটি পথসভায় ভাষণ শেষে সাতক্ষীরা থেকে কলারোয়া হয়ে মাগুরা অভিমুখে রওনা হন।

কলারোয়া বাজারে পৌঁছানোর পর তার গাড়িবহরে হামলা ও গুলির ঘটনা ঘটে। এতে তিনি অক্ষত থাকলেও তার সফরসঙ্গী কয়েকজন আহত হন। বিরোধী দলীয় নেত্রীর নিরাপত্তারক্ষীরা তাকে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেন।

এ ঘটনা নিয়ে কলারোয়ার মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. মোসলেম উদ্দিন ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করেন। অপরদিকে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় সাংবাদিক সুভাষ চৌধুরী কলারোয়া থানায় একটি জিডি করেন।

মুক্তিযোদ্ধা মোসলেম উদ্দিনের মামলাটি কয়েক দফা খারিজ হয়ে যাওয়ার পর ২০১৪ সালের ১৫ অক্টোবর পুনরুজ্জীবিত হয়। পুলিশ ফের তদন্ত করে বিএনপির সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়। চলমান এই মামলায় বর্তমানে সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। আজ নিয়ে মোট ১৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে।

অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এসএম মুনীর বলেন, তারা সাতক্ষীরার সরকারপক্ষের উকিলকে সহায়তা করতে ঢাকা থেকে এসেছেন। আগামী তিন মাসের মধ্যে মামলাটি নিষ্পত্তি হবার কথা রয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন