৬ বছর পলাতক থেকে টাঙ্গাইলের সাবেক পৌর মেয়রের আত্মসমর্পণ 
jugantor
৬ বছর পলাতক থেকে টাঙ্গাইলের সাবেক পৌর মেয়রের আত্মসমর্পণ 

  টাঙ্গাইল প্রতিনিধি  

০২ ডিসেম্বর ২০২০, ১৫:৫১:০৭  |  অনলাইন সংস্করণ

৬ বছর পলাতক থেকে টাঙ্গাইলের সাবেক পৌর মেয়রের আত্মসমর্পণ 

ছয় বছর পলাতক থাকার পর টাঙ্গাইলের সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি বুধবার আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।

টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার আসামি সহিদুর। তার ভাই আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি আমানুর রহমান খান রানা এ মামলার প্রধান আসামি।

আসামি সহিদুর তার বাবা সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খান ও ভাই সাবেক এমপি আমানুর রহমান খান রানার সঙ্গে বেলা পৌনে ১১টার দিকে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ঢোকেন। সেখানে আত্মসমর্পণ করে তিনি আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন প্রার্থনা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি মনিরুল ইসলাম খান এবং বাদীপক্ষের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম জামিনের বিরোধিতা করেন।

এ সময় আদালতে ছিলেন নিহত ফারুক আহমেদের স্ত্রী ও মামলার বাদী নাহার আহমেদ। তিনি ন্যায়বিচারের স্বার্থে সহিদুরকে জামিন না দেয়ার জন্য আদালতের প্রতি অনুরোধ করেন। শুনানি শেষে বিচারক সিকান্দার জুলকান নাইন দুপুরের পর আদেশ দেবেন বলে জানান।

পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সহিদুর পুলিশি হেফাজতে একটি অস্ত্র মামলায় টাঙ্গাইলের দ্বিতীয় অতিরিক্ত ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।

প্রসঙ্গত, টাঙ্গাইলের চাঞ্চল্যকর ফারুক হত্যা মামলায় ছয় বছর পলাতক ছিলেন সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর। তিনি সোমবার আত্মসমর্পণ করতে টাঙ্গাইল আদালতে যান। কিন্তু বিচারক না আসায় চলে আসেন। কেউ তাকে আটক করেনি।

২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় হত্যা মামলা করেন।

৬ বছর পলাতক থেকে টাঙ্গাইলের সাবেক পৌর মেয়রের আত্মসমর্পণ 

 টাঙ্গাইল প্রতিনিধি 
০২ ডিসেম্বর ২০২০, ০৩:৫১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
৬ বছর পলাতক থেকে টাঙ্গাইলের সাবেক পৌর মেয়রের আত্মসমর্পণ 
ছবি: সংগৃহীত

ছয় বছর পলাতক থাকার পর টাঙ্গাইলের সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি বুধবার আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।

টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার আসামি সহিদুর। তার ভাই আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি আমানুর রহমান খান রানা এ মামলার প্রধান আসামি।

আসামি সহিদুর তার বাবা সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খান ও ভাই সাবেক এমপি আমানুর রহমান খান রানার সঙ্গে বেলা পৌনে ১১টার দিকে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ঢোকেন। সেখানে আত্মসমর্পণ করে তিনি আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন প্রার্থনা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি মনিরুল ইসলাম খান এবং বাদীপক্ষের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম জামিনের বিরোধিতা করেন। 

এ সময় আদালতে ছিলেন নিহত ফারুক আহমেদের স্ত্রী ও মামলার বাদী নাহার আহমেদ। তিনি ন্যায়বিচারের স্বার্থে সহিদুরকে জামিন না দেয়ার জন্য আদালতের প্রতি অনুরোধ করেন। শুনানি শেষে বিচারক সিকান্দার জুলকান নাইন দুপুরের পর আদেশ দেবেন বলে জানান।

পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সহিদুর পুলিশি হেফাজতে একটি অস্ত্র মামলায় টাঙ্গাইলের দ্বিতীয় অতিরিক্ত ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। 

প্রসঙ্গত, টাঙ্গাইলের চাঞ্চল্যকর ফারুক হত্যা মামলায় ছয় বছর পলাতক ছিলেন সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর। তিনি সোমবার আত্মসমর্পণ করতে টাঙ্গাইল আদালতে যান। কিন্তু বিচারক না আসায় চলে আসেন। কেউ তাকে আটক করেনি।

২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় হত্যা মামলা করেন।  
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন