সাত লাখ টাকা ঋণ নিয়ে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা
jugantor
সাত লাখ টাকা ঋণ নিয়ে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা

  কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি  

০২ ডিসেম্বর ২০২০, ১৮:৪০:০৩  |  অনলাইন সংস্করণ

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় সাত লাখ টাকা ঋণ নিয়ে পরিশোধ করতে না পারায় মাইন উদ্দিন (৩৮) নামে এক ব্যবসায়ী আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার বিকালে উপজেলার চরহাজারী ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডে শহীদ উল্যার নতুন বাড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে।

মাইন উদ্দিন ওই বাড়ির শহীদ উল্যার ছেলে এবং একই এলাকার শান্তিরহাট বাজারের একজন চা দোকানদার।

স্থানীয়রা জানান, চা দোকানদার মাইন উদ্দিন ব্যবসা পরিচালনা ও পরিবার চালাতে গিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি এবং এনজিও প্রতিষ্ঠান থেকে ৫-৭ লাখ টাকা ঋণ নেন। করোনা মহামারীর কারণে ব্যবসার করুণ হাল হয়ে দাঁড়ায়। এতে এনজিও ও ব্যক্তি বিশেষের ঋণ ও সুদের টাকা পরিশোধ করতে বাধাগ্রস্ত হন ব্যবসায়ী মাইন উদ্দিন।

এরই মধ্যে পাওনাদাররা তাকে টাকা পরিশোধের জন্য চাপ প্রয়োগ করে আসছিল। ঋণের টাকা পরিশোধের চাপ, দোকানে মালামাল না থাকায় ব্যবসা এক রকম বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়। এতে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন।

এ অবস্থায় মোবাইল ফোনে ঘটনার দিন সকালে প্রত্যেক পাওনাদারকে বিকালে এসে পাওনা টাকা নিয়ে যেতে বলেন। এরই মধ্যে বাজার থেকে বাড়িতে নেয়া কীটনাশক পান করেন ব্যবসায়ী মাইন উদ্দিন। এ সময় পরিবারের লোকজন তাকে কোম্পানীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার সময় তিনি মারা যান।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আবদুর রহিম জানান, গত কয়েকদিন থেকে তাকে মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্ত দেখা গেছে। তিনি কয়েক লাখ টাকা দেনা ছিলেন। ঋণের টাকার কারণে আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মীর জাহিদুল হক রনি জানান, ব্যবসায়ী মাইন উদ্দিনের লাশ উদ্ধার করে বুধবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সাত লাখ টাকা ঋণ নিয়ে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা

 কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি 
০২ ডিসেম্বর ২০২০, ০৬:৪০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় সাত লাখ টাকা ঋণ নিয়ে পরিশোধ করতে না পারায় মাইন উদ্দিন (৩৮) নামে এক ব্যবসায়ী আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার বিকালে উপজেলার চরহাজারী ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডে শহীদ উল্যার নতুন বাড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে।

মাইন উদ্দিন ওই বাড়ির শহীদ উল্যার ছেলে এবং একই এলাকার শান্তিরহাট বাজারের একজন চা দোকানদার।

স্থানীয়রা জানান, চা দোকানদার মাইন উদ্দিন ব্যবসা পরিচালনা ও পরিবার চালাতে গিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি এবং এনজিও প্রতিষ্ঠান থেকে ৫-৭ লাখ টাকা ঋণ নেন। করোনা মহামারীর কারণে ব্যবসার করুণ হাল হয়ে দাঁড়ায়। এতে এনজিও ও ব্যক্তি বিশেষের ঋণ ও সুদের টাকা পরিশোধ করতে বাধাগ্রস্ত হন ব্যবসায়ী মাইন উদ্দিন।

এরই মধ্যে পাওনাদাররা তাকে টাকা পরিশোধের জন্য চাপ প্রয়োগ করে আসছিল। ঋণের টাকা পরিশোধের চাপ, দোকানে মালামাল না থাকায় ব্যবসা এক রকম বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়। এতে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন।

এ অবস্থায় মোবাইল ফোনে ঘটনার দিন সকালে প্রত্যেক পাওনাদারকে বিকালে এসে পাওনা টাকা নিয়ে যেতে বলেন। এরই মধ্যে বাজার থেকে বাড়িতে নেয়া কীটনাশক পান করেন ব্যবসায়ী মাইন উদ্দিন। এ সময় পরিবারের লোকজন তাকে কোম্পানীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার সময় তিনি মারা যান।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আবদুর রহিম জানান, গত কয়েকদিন থেকে তাকে মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্ত দেখা গেছে। তিনি কয়েক লাখ টাকা দেনা ছিলেন। ঋণের টাকার কারণে আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মীর জাহিদুল হক রনি জানান, ব্যবসায়ী মাইন উদ্দিনের লাশ উদ্ধার করে বুধবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন