গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দেয়া সেই নববধূর মৃত্যু
jugantor
গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দেয়া সেই নববধূর মৃত্যু

  অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি  

০২ ডিসেম্বর ২০২০, ১৮:৪৩:১৯  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরের অভয়নগর উপজেলায় হিরা বেগম (৩৩) নামে এক মাস আগে বিয়ে করা নববধূর গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে পালিয়ে যায় স্বামী বিল্লাল সরদার। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুধবার ভোরে তিনি মারা যান।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ২৬ নভেম্বর ভোরে উপজেলার চাকই-মরিচা গ্রামে হিরা বেগমের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে পালিয়ে যায় বিল্লাল। গৃহবধূর চিৎকারে এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।

খুলনা ব্লাড ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা সালেহ উদ্দিন সবুজ জানান, খুমেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার স্বাস্থ্যের অবনতি হয়। পরে মঙ্গলবার রাতে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে বুধবার ভোরে তিনি মারা যান।

নিহত হিরা বেগমের ভাই নয়ন সরদার মোবাইল ফোনে যুগান্তরকে জানান, তার বোনকে এক মাস পূর্বে বিল্লাল সরদার বিয়ে করে তাকে নিয়ে সংসার করতে থাকে। ঘটনার দিন তার স্বামী বিল্লাল সরদার সামান্য কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে তার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে বিলের দিকে দৌড়ে পালিয়ে যায়। সেদিন থেকেই পলাতক রয়েছে।

তিনি জানান, বুধবার ভোরে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ঢাকায় নেয়ার পথে মাওয়াঘাট পার হওয়ার পর হিরা মারা যান।

বিষয়টি সম্পর্কে হিরা বেগমের মা উপজেলার ভাটপাড়া গ্রামের মজিদা বেগম কাঁদতে কাঁদতে জানান, চাকই গরুর হাটখোলাসংলগ্ন গ্রামের আক্কাচ আলী সরদারের ছেলে বিল্লাল সরদার আমার মেয়েকে অমানুষের মতো গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দিয়ে মেরে ফেলেছে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

এ ব্যাপারে অভয়নগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন কুমার মণ্ডল বলেন, মঙ্গলবার রাতে থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ অতিদ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দেয়া সেই নববধূর মৃত্যু

 অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি 
০২ ডিসেম্বর ২০২০, ০৬:৪৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরের অভয়নগর উপজেলায় হিরা বেগম (৩৩) নামে এক মাস আগে বিয়ে করা নববধূর গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে পালিয়ে যায় স্বামী বিল্লাল সরদার। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুধবার ভোরে তিনি মারা যান।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ২৬ নভেম্বর ভোরে উপজেলার চাকই-মরিচা গ্রামে হিরা বেগমের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে পালিয়ে যায় বিল্লাল। গৃহবধূর চিৎকারে এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।

খুলনা ব্লাড ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা সালেহ উদ্দিন সবুজ জানান, খুমেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার স্বাস্থ্যের অবনতি হয়। পরে মঙ্গলবার রাতে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে বুধবার ভোরে তিনি মারা যান।

নিহত হিরা বেগমের ভাই নয়ন সরদার মোবাইল ফোনে যুগান্তরকে জানান, তার বোনকে এক মাস পূর্বে বিল্লাল সরদার বিয়ে করে তাকে নিয়ে সংসার করতে থাকে। ঘটনার দিন তার স্বামী বিল্লাল সরদার সামান্য কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে তার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে বিলের দিকে দৌড়ে পালিয়ে যায়। সেদিন থেকেই পলাতক রয়েছে।

তিনি জানান, বুধবার ভোরে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ঢাকায় নেয়ার পথে মাওয়াঘাট পার হওয়ার পর হিরা মারা যান।

বিষয়টি সম্পর্কে হিরা বেগমের মা উপজেলার ভাটপাড়া গ্রামের মজিদা বেগম কাঁদতে কাঁদতে জানান, চাকই গরুর হাটখোলাসংলগ্ন গ্রামের আক্কাচ আলী সরদারের ছেলে বিল্লাল সরদার আমার মেয়েকে অমানুষের মতো গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দিয়ে মেরে ফেলেছে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

এ ব্যাপারে অভয়নগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন কুমার মণ্ডল বলেন, মঙ্গলবার রাতে থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ অতিদ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন