যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে কুপিয়ে জখম, কারাগারে পুলিশ সদস্য
jugantor
যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে কুপিয়ে জখম, কারাগারে পুলিশ সদস্য

  বরিশাল ব্যুরো  

০২ ডিসেম্বর ২০২০, ২১:৩০:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

যৌতুক দাবিতে স্ত্রীকে কুপিয়ে আহত করার মামলায় পুলিশ কনস্টেবল স্বামী আনিছুর রহমানকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে কনস্টেবল আনিছুর রহমানকে গ্রেফতার করে সোপর্দ করা হলে বিচারক মো. আবু শামীম আজাদ তাকে সোমবার জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

অভিযুক্ত আনিছুর রহমান মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার চরখাগকাটা এলাকার আ. রব হাওলাদারের ছেলে ও ভোলা জেলার সদর থানায় কর্মরত।

ট্রাইব্যুনাল সূত্র জানায়, ২০১৮ সালের ২৯ জুন আনিছুর রহমানের সাথে নগরীর কাউনিয়া এলাকার সুমি আক্তার হিরার বিয়ে হয়। সংসার জীবনে তাদের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। এর আগে ২০১৯ সালের ২৭ আগস্ট সন্তান গর্ভে থাকাকালীন আনিছুর রহমান তার স্ত্রীকে ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবিতে মারধর করে তাড়িয়ে দেন।

এরপর থেকেই সুমি তার বাবার বাড়িতে থাকেন। ঘটনার দিন ২০১৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর দুপুরে আনিছুর রহমান ও তার সহযোগী রাসেল হাওলাদার পুনরায় জমি কিনতে সুমি আক্তারের কাছে ৫ লাখ টাকা যৌতুক চান। সুমি টাকা দিতে অপারগতা জানালে আনিছুর রহমান চাকু দিয়ে তাকে কুপিয়ে জখম করেন।

এ ঘটনায় ২ জানুয়ারি কোতোয়ালি মডেল থানায় স্বামী আনিছুর রহমান ও তার সহযোগীকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেন সুমি আক্তার হিরা। ২৯ মার্চ তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রোজিনা বেগম কনস্টেবল আনিছুর রহমানকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট জমা দেন।

৮ নভেম্বর ট্রাইব্যুনাল আনিছুর রহমানের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে এবং তাকে গ্রেফতার করতে পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেয়। পুলিশ আনিছুর রহমানকে গ্রেফতার করে ট্রাইব্যুনালে সোপর্দ করলে বিচারক তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে কুপিয়ে জখম, কারাগারে পুলিশ সদস্য

 বরিশাল ব্যুরো 
০২ ডিসেম্বর ২০২০, ০৯:৩০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

যৌতুক দাবিতে স্ত্রীকে কুপিয়ে আহত করার মামলায় পুলিশ কনস্টেবল স্বামী আনিছুর রহমানকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে কনস্টেবল আনিছুর রহমানকে গ্রেফতার করে সোপর্দ করা হলে বিচারক মো. আবু শামীম আজাদ তাকে সোমবার জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

অভিযুক্ত আনিছুর রহমান মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার চরখাগকাটা এলাকার আ. রব হাওলাদারের ছেলে ও ভোলা জেলার সদর থানায় কর্মরত। 

ট্রাইব্যুনাল সূত্র জানায়, ২০১৮ সালের ২৯ জুন আনিছুর রহমানের সাথে নগরীর কাউনিয়া এলাকার সুমি আক্তার হিরার বিয়ে হয়। সংসার জীবনে তাদের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। এর আগে ২০১৯ সালের ২৭ আগস্ট সন্তান গর্ভে থাকাকালীন আনিছুর রহমান তার স্ত্রীকে ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবিতে মারধর করে তাড়িয়ে দেন। 

এরপর থেকেই সুমি তার বাবার বাড়িতে থাকেন। ঘটনার দিন ২০১৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর দুপুরে আনিছুর রহমান ও তার সহযোগী রাসেল হাওলাদার পুনরায় জমি কিনতে সুমি আক্তারের কাছে ৫ লাখ টাকা যৌতুক চান। সুমি টাকা দিতে অপারগতা জানালে আনিছুর রহমান চাকু দিয়ে তাকে কুপিয়ে জখম করেন। 

এ ঘটনায় ২ জানুয়ারি কোতোয়ালি মডেল থানায় স্বামী আনিছুর রহমান ও তার সহযোগীকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেন সুমি আক্তার হিরা। ২৯ মার্চ তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রোজিনা বেগম কনস্টেবল আনিছুর রহমানকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট জমা দেন। 

৮ নভেম্বর ট্রাইব্যুনাল আনিছুর রহমানের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে এবং তাকে গ্রেফতার করতে পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেয়। পুলিশ আনিছুর রহমানকে গ্রেফতার করে ট্রাইব্যুনালে সোপর্দ করলে বিচারক তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন