৭ মাসের শিশুকে পানিতে ফেলে হত্যা, মা আটক
jugantor
৭ মাসের শিশুকে পানিতে ফেলে হত্যা, মা আটক

  শেরপুর প্রতিনিধি  

০২ ডিসেম্বর ২০২০, ২২:০০:২০  |  অনলাইন সংস্করণ

শেরপুর টাউনের নওহাটা এলাকায় ৭ মাস বয়সী এক শিশুকে পানিতে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ওই শিশুর মা নুরুন্নাহারের (৪৫) বিরুদ্ধে।

বুধবার সকালে বাড়ির পাশে একটি পুকুর থেকে আরাফাত তাসিন নামে ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনার পর থেকে মানসিক ভারসাম্যহীন ওই শিশুর মা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ তাকে বুধবার দুপুর ২টার দিকে শেরপুর টাউন থেকে আটক করে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শেরপুর টাউনের নওহাটা এলাকার বাসিন্দা ও রড-সিমেন্ট ব্যবসায়ী আবু সামা ও নুরুন্নাহার দম্পতির ৪ ছেলে-মেয়ে। এদের মধ্যে গত ৭ মাস আগে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে আরাফাত তাসিন জন্ম নেয়। তাসিনের জন্মের পর থেকেই মা নুরুন্নাহার অসুস্থ ও মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করেন।

শিশু তাসিনকে তার মা সহ্য করতে না পারায় সে তার বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া বড়বোন শ্রাবণী ও স্কুলপড়ুয়া বোন লাবনীর কাছে বড় হতে থাকে।

বুধবার সকালে মা নুরুন্নাহার ও শিশু তাসিনকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে পুকুরে তাসিনের মরদেহ দেখতে পান স্বজনরা। পরে খবর পেয়ে শিশু তাসিনের মরদেহ উদ্ধার করে শেরপুর সদর থানা পুলিশ।

ঘটনার পর থেকে মা নুরুন্নাহারকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তবে পুলিশ শেরপুর টাউনের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে বুধবার দুপুর ২টার দিকে মা নুরুন্নাহারকে আটক করে।

এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সদর থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন।

৭ মাসের শিশুকে পানিতে ফেলে হত্যা, মা আটক

 শেরপুর প্রতিনিধি 
০২ ডিসেম্বর ২০২০, ১০:০০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

শেরপুর টাউনের নওহাটা এলাকায় ৭ মাস বয়সী এক শিশুকে পানিতে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ওই শিশুর মা নুরুন্নাহারের (৪৫) বিরুদ্ধে। 

বুধবার সকালে বাড়ির পাশে একটি পুকুর থেকে আরাফাত তাসিন নামে ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনার পর থেকে মানসিক ভারসাম্যহীন ওই শিশুর মা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ তাকে বুধবার দুপুর ২টার দিকে শেরপুর টাউন থেকে আটক করে। 

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শেরপুর টাউনের নওহাটা এলাকার বাসিন্দা ও রড-সিমেন্ট ব্যবসায়ী আবু সামা ও নুরুন্নাহার দম্পতির ৪ ছেলে-মেয়ে। এদের মধ্যে গত ৭ মাস আগে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে আরাফাত তাসিন জন্ম নেয়। তাসিনের জন্মের পর থেকেই মা নুরুন্নাহার অসুস্থ ও মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করেন। 

শিশু তাসিনকে তার মা সহ্য করতে না পারায় সে তার বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া বড়বোন শ্রাবণী ও স্কুলপড়ুয়া বোন লাবনীর কাছে বড় হতে থাকে। 

বুধবার সকালে মা নুরুন্নাহার ও শিশু তাসিনকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে পুকুরে তাসিনের মরদেহ দেখতে পান স্বজনরা। পরে খবর পেয়ে শিশু তাসিনের মরদেহ উদ্ধার করে শেরপুর সদর থানা পুলিশ। 

ঘটনার পর থেকে মা নুরুন্নাহারকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তবে পুলিশ শেরপুর টাউনের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে বুধবার দুপুর ২টার দিকে মা নুরুন্নাহারকে আটক করে।

এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সদর থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন