মুরাদনগরে নির্বাচনী গণসংযোগে হামলা গুলি
jugantor
মুরাদনগরে নির্বাচনী গণসংযোগে হামলা গুলি

  মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

০২ ডিসেম্বর ২০২০, ২২:৩৩:৫১  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার রামচন্দ্রপুর উত্তর ইউনিয়নের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাওলানা আবু বকরের গণসংযোগে হামলা, গুলিবর্ষণ এবং ভাংচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার সন্ধ্যায় ওই ইউনিয়নের জায়েদ আলী মার্কেট এলাকায় গণসংযোগকালে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

এতে ১৮টি মোটরসাইকেল ভাংচুর এবং ১৫ নেতাকর্মীকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। এতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

স্বতন্ত্র প্রার্থী মাওলানা আবু বকর অভিযোগ করে বলেন, ওই ইউনিয়নের সাহেবনগর এলাকায় গণসংযোগ শেষে আমি রামচন্দ্রপুর বাজারে ফিরছিলাম। কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম সরকার ও নৌকার মনোনীত প্রার্থী ইকবাল হোসেন সরকারসহ বিপুলসংখ্যক দলীয় নেতাকর্মী নিয়ে চাপিতলা গ্রামে যাচ্ছিলেন।

তিনি জানান, এ সময় আমার গণসংযোগ দেখে তারা গাড়ি থেকে নেমে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে ১৮টি মোটর সাইকেল ভাংচুর করে আমাদের ওপর গুলিবর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় তিনি বাঙ্গরাবাজার থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে চেয়ারম্যান প্রার্থী ইকবাল হোসেন সরকার জানান, তিনি এবং তার চাচা জাহাঙ্গীর আলম সরকারসহ নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে কোনো প্রকার হামলা করা হয়নি। ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী আবু বকর নিজেই একটি ঘটনার সৃষ্টি করে ঘোলাপানিতে মাছ শিকারের পাঁয়তারা করছে।

বাঙ্গরাবাজার থানার ওসি কামরুজ্জামান তালুকদার জানান, স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু বকরের গণসংযোগে হামলা করা হয়েছে বলে আমি শুনেছি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এখনও লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মুরাদনগরে নির্বাচনী গণসংযোগে হামলা গুলি

 মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
০২ ডিসেম্বর ২০২০, ১০:৩৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার রামচন্দ্রপুর উত্তর ইউনিয়নের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাওলানা আবু বকরের গণসংযোগে হামলা, গুলিবর্ষণ এবং ভাংচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার সন্ধ্যায় ওই ইউনিয়নের জায়েদ আলী মার্কেট এলাকায় গণসংযোগকালে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

এতে ১৮টি মোটরসাইকেল ভাংচুর এবং ১৫ নেতাকর্মীকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। এতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

স্বতন্ত্র প্রার্থী মাওলানা আবু বকর অভিযোগ করে বলেন, ওই ইউনিয়নের সাহেবনগর এলাকায় গণসংযোগ শেষে আমি রামচন্দ্রপুর বাজারে ফিরছিলাম। কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম সরকার ও নৌকার মনোনীত প্রার্থী ইকবাল হোসেন সরকারসহ বিপুলসংখ্যক দলীয়  নেতাকর্মী নিয়ে চাপিতলা গ্রামে যাচ্ছিলেন।

তিনি জানান, এ সময় আমার গণসংযোগ দেখে তারা গাড়ি থেকে নেমে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে ১৮টি মোটর সাইকেল ভাংচুর করে আমাদের ওপর গুলিবর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় তিনি বাঙ্গরাবাজার থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে চেয়ারম্যান প্রার্থী ইকবাল হোসেন সরকার জানান, তিনি এবং তার চাচা জাহাঙ্গীর আলম সরকারসহ নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে কোনো প্রকার হামলা করা হয়নি। ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী আবু বকর নিজেই একটি ঘটনার সৃষ্টি করে ঘোলাপানিতে মাছ শিকারের পাঁয়তারা করছে।

বাঙ্গরাবাজার থানার ওসি কামরুজ্জামান তালুকদার জানান, স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু বকরের গণসংযোগে হামলা করা হয়েছে বলে আমি শুনেছি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এখনও লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন