পুলিশ সদস্যের রাজকীয় বিদায়!
jugantor
পুলিশ সদস্যের রাজকীয় বিদায়!

  রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি  

০২ ডিসেম্বর ২০২০, ২২:৫৩:১২  |  অনলাইন সংস্করণ

পুলিশ সদস্য মো. আমির হোসেন। বয়স ৫৫। ৩৩ বছর চাকরি জীবন শেষ করেছেন সোমবার। বুধবার দুপুরে জাঁকজমকভাবে পুলিশ সদস্যরা তাদের সহকর্মী আমির হোসেনকে বিদায় জানিয়েছেন। এই প্রথম লক্ষ্মীপুরের রায়পুর থানা পুলিশ কোনো সদস্যকে বিদায় জানাল।

বিদায়ী পুলিশ সদস্য আমির হোসেন লক্ষ্মীপুর জেলার সদর থানার দত্তপাড়া ইউপির বড়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তার মা, বাবা, স্ত্রী ও একমাত্র ছেলে রয়েছে। ছেলে স্নাতকোত্তর পাস করে ভালো চাকরির জন্য অপেক্ষা করছেন।

ওসি আবদুল জলিল জানান, আমির হোসেন ৩৩ বছর সততার সঙ্গে চাকরি করেছেন। একজন ভালো ও নামাজি মানুষ ছিলেন। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে অন্য পুলিশ সদস্যের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখেছিলেন। চাকরি জীবনে বিদায় বেলায় তাকে সরকারি গাড়িটি ফুল দিয়ে সাজিয়ে তার বাড়িতে পৌঁছে দেয়া হয়েছে।

বিদায়ী অশ্রুসিক্ত আমির হোসেন জানান, চাকরি জীবনে আমি কখনও দায়িত্বে অবহেলা করিনি। সহকর্মীদের সঙ্গে ভালো সময় কেটেছে। কয়েক বছর দেখে আসছি বড় বড় পুলিশ কর্মকর্তাদের ঢাকঢোল পিটিয়ে বিদায় দেয়া হয়; কিন্তু একজন সাধারণ পুলিশ সদস্যকে এভাবে বিদায় জানাবে কল্পনাও করিনি। আমি ধন্য, আমি কৃতজ্ঞ। বিদায়ের সময় টুপি, পাঞ্জাবি-পাজামাসহ নানা উপহার, সংবর্ধনা ও ওসি সাহেবের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা পেয়ে আমি খুবই আনন্দিত। আগামীতে অন্য পুলিশ সদস্যদের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

পুলিশ সদস্যের রাজকীয় বিদায়!

 রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি 
০২ ডিসেম্বর ২০২০, ১০:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পুলিশ সদস্য মো. আমির হোসেন। বয়স ৫৫। ৩৩ বছর চাকরি জীবন শেষ করেছেন সোমবার। বুধবার দুপুরে জাঁকজমকভাবে পুলিশ সদস্যরা তাদের সহকর্মী আমির হোসেনকে বিদায় জানিয়েছেন। এই প্রথম লক্ষ্মীপুরের রায়পুর থানা পুলিশ কোনো সদস্যকে বিদায় জানাল।

বিদায়ী পুলিশ সদস্য আমির হোসেন লক্ষ্মীপুর জেলার সদর থানার দত্তপাড়া ইউপির বড়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তার মা, বাবা, স্ত্রী ও একমাত্র ছেলে রয়েছে। ছেলে স্নাতকোত্তর পাস করে ভালো চাকরির জন্য অপেক্ষা করছেন।

ওসি আবদুল জলিল জানান, আমির হোসেন ৩৩ বছর সততার সঙ্গে চাকরি করেছেন। একজন ভালো ও নামাজি মানুষ ছিলেন। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে অন্য পুলিশ সদস্যের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখেছিলেন। চাকরি জীবনে বিদায় বেলায় তাকে সরকারি গাড়িটি ফুল দিয়ে সাজিয়ে তার বাড়িতে পৌঁছে দেয়া হয়েছে।

বিদায়ী অশ্রুসিক্ত আমির হোসেন জানান, চাকরি জীবনে আমি কখনও দায়িত্বে অবহেলা করিনি। সহকর্মীদের সঙ্গে ভালো সময় কেটেছে। কয়েক বছর দেখে আসছি বড় বড় পুলিশ কর্মকর্তাদের ঢাকঢোল পিটিয়ে বিদায় দেয়া হয়; কিন্তু একজন সাধারণ পুলিশ সদস্যকে এভাবে বিদায় জানাবে কল্পনাও করিনি। আমি ধন্য, আমি কৃতজ্ঞ। বিদায়ের সময় টুপি, পাঞ্জাবি-পাজামাসহ নানা উপহার, সংবর্ধনা ও ওসি সাহেবের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা পেয়ে আমি খুবই আনন্দিত। আগামীতে অন্য পুলিশ সদস্যদের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন