শাহ মখদুম মেডিকেল শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা: এমডি স্বাধীন এখনও অধরা
jugantor
শাহ মখদুম মেডিকেল শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা: এমডি স্বাধীন এখনও অধরা

  রাজশাহী ব্যুরো  

০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ১৫:০৯:১৪  |  অনলাইন সংস্করণ

শাহ মখদুম মেডিকেল শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা: এমডি স্বাধীন এখনো অধরা

রাজশাহীর বেসরকারি শাহ মখদুম মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় স্ত্রী ও ভাইকে গ্রেফতার করা হলেও এখনও পলাতক রয়েছেন এমডি মনিরুজ্জামান স্বাধীন।

তবে তাকে এখনও গ্রেফতার করছেন না পুলিশ বলেও দাবি করেছেন হামলার শিকার শিক্ষার্থীরা।

এ ছাড়া মামলায় মোবাইল ছিনতাইয়ের কথা বলা হলেও সেখানে চুরির অপরাধের ধারা বসানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। আহত কয়েকজন শিক্ষার্থী এ অভিযোগ করে।

আহত শিক্ষার্থীরা জানায়, গত ২৭ নভেম্বর শাহমখদুম মেডিক্যাল কলেজ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় ওই দিনই ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মনিরুজ্জামান স্বাধীনের স্ত্রী বিউটি খাতুন ও ভাই মেহেদী হাসান মিথুলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। কিন্তু বৃহস্পতিবার পর্যন্ত পলাতক আছেন এমডি মনিরুজ্জামান স্বাধীন।

সূত্রমতে, ওই হামলার ঘটনায় রাতেই শিক্ষার্থীদের পক্ষে মেহেদী হাসান বাদী হয়ে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মনিরুজ্জামান স্বাধীনসহ ৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১০ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন।

মামলায় শিক্ষার্থীদের দুটি মোবাইল ছিনতাইয়ের ঘটনা উল্লেখ করা থাকলেও মামলায় চুরির ধারা বসানো হয়। ছিনতাইকৃত মোবাইল দুটি উদ্ধারেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে করে আসামিরা আদালতে দাঁড়িয়েই জামিন পেয়ে যাচ্ছেন দুর্বল ধারার কারণে।

অথচ প্রকাশ্যে পিটিয়ে ৫ মেয়েসহ ৯ শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। কেড়ে নেয়া হয় দুটি মোবাইল। পাশাপাশি নারী শিক্ষার্থীদের শ্লীলতাহানিও করে হামলাকারীরা।

হামলার শিকার ফওজিয়া আবিদা বলেন, পুলিশ ইচ্ছেকৃতভাবে মামলাটিকে দুর্বল করে দিয়েছে, যাতে আসামিরা সহজেই জামিন পান। আসামিরা আদালতে দাঁড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই জামিন পেয়ে যাচ্ছেন। আবার মোবাইল দুটিও উদ্ধারে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।

পলাতক এমডিসহ অন্য আসামিদের গ্রেফতারেও কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না পুলিশ। ফলে তারা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে রাজশাহীতে।’

জানতে চাইলে রাজশাহী নগরীর চন্দ্রিমা থানার ওসি সিরাজুম মনির বলেন, মামলায় যেসব ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, সেসব ধারায় বসানো হয়েছে। পলাতক আসামিদেরও গ্রেফতারে চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আসামিদের ছাড় দেয়ার কোনো সুযোগ নেই।

শাহ মখদুম মেডিকেল শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা: এমডি স্বাধীন এখনও অধরা

 রাজশাহী ব্যুরো 
০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০৩:০৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
শাহ মখদুম মেডিকেল শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা: এমডি স্বাধীন এখনো অধরা
ফাইল ছবি

রাজশাহীর বেসরকারি শাহ মখদুম মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় স্ত্রী ও ভাইকে গ্রেফতার করা হলেও এখনও পলাতক রয়েছেন এমডি মনিরুজ্জামান স্বাধীন।

তবে তাকে এখনও গ্রেফতার করছেন না পুলিশ বলেও দাবি করেছেন হামলার শিকার শিক্ষার্থীরা।

 এ ছাড়া মামলায় মোবাইল ছিনতাইয়ের কথা বলা হলেও সেখানে চুরির অপরাধের ধারা বসানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। আহত কয়েকজন শিক্ষার্থী এ অভিযোগ করে।  

আহত শিক্ষার্থীরা জানায়, গত ২৭ নভেম্বর শাহমখদুম মেডিক্যাল কলেজ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় ওই দিনই ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মনিরুজ্জামান স্বাধীনের স্ত্রী বিউটি খাতুন ও ভাই মেহেদী হাসান মিথুলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। কিন্তু বৃহস্পতিবার  পর্যন্ত পলাতক আছেন এমডি মনিরুজ্জামান স্বাধীন।

সূত্রমতে, ওই হামলার ঘটনায় রাতেই শিক্ষার্থীদের পক্ষে মেহেদী হাসান বাদী হয়ে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মনিরুজ্জামান স্বাধীনসহ ৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১০ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন।

মামলায় শিক্ষার্থীদের দুটি মোবাইল ছিনতাইয়ের ঘটনা উল্লেখ করা থাকলেও মামলায় চুরির ধারা বসানো হয়। ছিনতাইকৃত মোবাইল দুটি উদ্ধারেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে করে আসামিরা আদালতে দাঁড়িয়েই জামিন পেয়ে যাচ্ছেন দুর্বল ধারার কারণে।

অথচ প্রকাশ্যে পিটিয়ে ৫ মেয়েসহ ৯ শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। কেড়ে নেয়া হয় দুটি মোবাইল। পাশাপাশি নারী শিক্ষার্থীদের শ্লীলতাহানিও করে হামলাকারীরা।  

হামলার শিকার ফওজিয়া আবিদা বলেন, পুলিশ ইচ্ছেকৃতভাবে মামলাটিকে দুর্বল করে দিয়েছে, যাতে আসামিরা সহজেই জামিন পান। আসামিরা আদালতে দাঁড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই জামিন পেয়ে যাচ্ছেন। আবার মোবাইল দুটিও উদ্ধারে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।

পলাতক এমডিসহ অন্য আসামিদের গ্রেফতারেও কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না পুলিশ। ফলে তারা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে রাজশাহীতে।’

জানতে চাইলে রাজশাহী নগরীর চন্দ্রিমা থানার ওসি সিরাজুম মনির বলেন, মামলায় যেসব ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, সেসব ধারায় বসানো হয়েছে। পলাতক আসামিদেরও গ্রেফতারে চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আসামিদের ছাড় দেয়ার কোনো সুযোগ নেই।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন