জঙ্গলে কুড়িয়ে পাওয়া সেই প্রতিবন্ধী তিথি পেল হুইলচেয়ার!
jugantor
জঙ্গলে কুড়িয়ে পাওয়া সেই প্রতিবন্ধী তিথি পেল হুইলচেয়ার!

  বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি  

০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ২০:০৩:১৯  |  অনলাইন সংস্করণ

দিনাজপুরের বিরামপুরে প্রতিবন্ধী ভেবে ২ বছর বয়সের এক শিশুকে সন্দোলপুর জঙ্গলে ফেলে যায় কে বা কারা। বিরামপুর চরকাই গ্রামের বকুল মিয়া এবং তার স্ত্রী মৌসুমী বেগম ওই জঙ্গলে পাতা কুড়াতে গিয়ে একটি শিশুকন্যাকে পড়ে থাকতে দেখে নিজের বাড়িতে তুলে আনেন।

সে সময় থানা পুলিশে সংবাদ দিলেও তার কোনো দাবিদার না থাকায় নিজের বাড়িতেই প্রতিপালন করতে থাকেন দরিদ্র বকুল মিয়া এবং তার স্ত্রী মৌসুমী বেগম। দুই পা অবশ এই প্রতিবন্ধীর নাম দেন তিথি পারভীন। তিথির বর্তমান বয়স ১০ বছর। পালক বকুল মিয়ার নিজের দুটি মেয়ে রয়েছে। তার ওপর এই প্রতিবন্ধীকে প্রতিপালনের দায়িত্ব নিয়ে মানবিকতার দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছেন।

প্রতিবন্ধীর পালক মা মৌসুমী যুগান্তরকে বলেন, আমার স্বামী বকুল মিয়া গো-খাদ্যের খামার খেকে কাঁচা ঘাস কিনে বাজারে বিক্রি করে সংসার চালান। হাঁটতে না পারা প্রতিবন্ধী শিশু তিথি ১০ বছর যাবত হামাগুড়ি দিয়ে সময় পার করেছে। এতে অনেক কষ্ট করে চলি, আল্লাহ যদি কোনো দিন ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটায়। ৩ ডিসেম্বর সেই শিশুর ভাগ্যে জুটেছে হুইলচেয়ার।

হুইলচেয়ারে বসে উচ্ছ্বসিত হাসির ঝলকে ভরে ওঠে শিশু তিথির অবয়ব। এই শিশুর প্রতিবন্ধী কার্ড থাকলেও ৬ মাস থেকে সরকারি কোনো ভাতা পায়নি।

বৃহস্পতিবার জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবসে বিরামপুর উপজেলা সমাজসেবা দফতর থেকে তাকেসহ মোট ১৫ জন প্রতিবন্ধীকে হুইলচেয়ার প্রদান করা হয়। এছাড়াও অন্য প্রতিবন্ধীদের বিতরণ করা হয় চিকিৎসা সহায়তা ও শিক্ষা উপবৃত্তির চেক ও সাদা ছড়ি।

এ উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ইউএনও পরিমল কুমার সরকার। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- উপজেলা চেয়ারম্যান খায়রুল আলম রাজু, ভাইস চেয়ারম্যান মেজবাউল ইসলাম, সমাজসেবা কর্মকর্তা রাজুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলজার হোসেন, প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মশিহুর রহমান, দিনাজপুর সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সভাপতি আকরাম হোসেন প্রমুখ।

জঙ্গলে কুড়িয়ে পাওয়া সেই প্রতিবন্ধী তিথি পেল হুইলচেয়ার!

 বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি 
০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:০৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দিনাজপুরের বিরামপুরে প্রতিবন্ধী ভেবে ২ বছর বয়সের এক শিশুকে সন্দোলপুর জঙ্গলে ফেলে যায় কে বা কারা। বিরামপুর চরকাই গ্রামের বকুল মিয়া এবং তার স্ত্রী মৌসুমী বেগম ওই জঙ্গলে পাতা কুড়াতে গিয়ে একটি শিশুকন্যাকে পড়ে থাকতে দেখে নিজের বাড়িতে তুলে আনেন।

সে সময় থানা পুলিশে সংবাদ দিলেও তার কোনো দাবিদার না থাকায় নিজের বাড়িতেই প্রতিপালন করতে থাকেন দরিদ্র বকুল মিয়া এবং তার স্ত্রী মৌসুমী বেগম। দুই পা অবশ এই প্রতিবন্ধীর নাম দেন তিথি পারভীন। তিথির বর্তমান বয়স ১০ বছর। পালক বকুল মিয়ার নিজের দুটি মেয়ে রয়েছে। তার ওপর এই প্রতিবন্ধীকে প্রতিপালনের দায়িত্ব নিয়ে মানবিকতার দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছেন।

প্রতিবন্ধীর পালক মা মৌসুমী যুগান্তরকে বলেন, আমার স্বামী বকুল মিয়া গো-খাদ্যের খামার খেকে কাঁচা ঘাস কিনে বাজারে বিক্রি করে সংসার চালান। হাঁটতে না পারা প্রতিবন্ধী শিশু তিথি ১০ বছর যাবত হামাগুড়ি দিয়ে সময় পার করেছে। এতে অনেক কষ্ট করে চলি, আল্লাহ যদি কোনো দিন ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটায়। ৩ ডিসেম্বর সেই শিশুর ভাগ্যে জুটেছে হুইলচেয়ার।

হুইলচেয়ারে বসে উচ্ছ্বসিত হাসির ঝলকে ভরে ওঠে শিশু তিথির অবয়ব। এই শিশুর প্রতিবন্ধী কার্ড থাকলেও ৬ মাস থেকে সরকারি কোনো ভাতা পায়নি।

বৃহস্পতিবার জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবসে বিরামপুর উপজেলা সমাজসেবা দফতর থেকে তাকেসহ মোট ১৫ জন প্রতিবন্ধীকে হুইলচেয়ার প্রদান করা হয়। এছাড়াও অন্য প্রতিবন্ধীদের বিতরণ করা হয় চিকিৎসা সহায়তা ও শিক্ষা উপবৃত্তির চেক ও সাদা ছড়ি।

এ উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ইউএনও পরিমল কুমার সরকার। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- উপজেলা চেয়ারম্যান খায়রুল আলম রাজু, ভাইস চেয়ারম্যান মেজবাউল ইসলাম, সমাজসেবা কর্মকর্তা রাজুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলজার হোসেন, প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মশিহুর রহমান, দিনাজপুর সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সভাপতি আকরাম হোসেন প্রমুখ।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন