শিশু ধর্ষণের পর হত্যায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড, সম্পদ বাজেয়াপ্ত
jugantor
শিশু ধর্ষণের পর হত্যায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড, সম্পদ বাজেয়াপ্ত

  বরিশাল ব্যুরো  

০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ২২:৫৩:১০  |  অনলাইন সংস্করণ

বরিশালে আট বছরের শিশুকে অপহরণের পর ধর্ষণ করে হত্যা ও তার লাশ গুমের ঘটনায় করা মামলায় আসামি আবুল কালাম আজাদ ওরফে কালুকে মৃত্যুদণ্ড ও তার সম্পদ বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার বরিশালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু শামীম আজাদ আসামির উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আবুল কালাম নগরীর এয়ারপোর্ট থানাধীন কাশিপুর গণপাড়ার মৃত ওয়াহাব খানের ছেলে।

সূত্র জানায়, ২০১৮ সালের ১১ মার্চ পূর্ব গণপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী সীমা আক্তার প্রতিদিনের মতো বিদ্যালয়ে যায়। বিদ্যালয়ের শৌচাগার বন্ধ থাকায় সে বিদ্যালয়ের পাশে আসামি কালুর বাড়িতে শৌচাগারে যায়। এ সময় কালু তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ বস্তায় ভরে এলাকার হালিম মাস্টারের বাড়ির গোরস্থানে ফেলে রাখে। ঘটনার দুই দিন পর গোরস্থান থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এই ঘটনায় নিহতের মা মাহামুদা বেগম বাদী হয়ে এয়ারপোর্ট থানায় মামলা করেন। ২০১৮ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তৎকালীন তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চার্জশিট দেন। ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত রায় দেন।

আদালতের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর ফয়জুল হক ফয়েজ জানান, এটি যুগান্তকারী রায়। মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা ছাড়াও আসামির সম্পদ বাজেয়াফত করে দেড় লাখ টাকা ভিকটিমের পরিবারকে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

শিশু ধর্ষণের পর হত্যায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড, সম্পদ বাজেয়াপ্ত

 বরিশাল ব্যুরো 
০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ১০:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বরিশালে আট বছরের শিশুকে অপহরণের পর ধর্ষণ করে হত্যা ও তার লাশ গুমের ঘটনায় করা মামলায় আসামি আবুল কালাম আজাদ ওরফে কালুকে মৃত্যুদণ্ড ও তার সম্পদ বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার বরিশালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু শামীম আজাদ আসামির উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আবুল কালাম নগরীর এয়ারপোর্ট থানাধীন কাশিপুর গণপাড়ার মৃত ওয়াহাব খানের ছেলে।

সূত্র জানায়, ২০১৮ সালের ১১ মার্চ পূর্ব গণপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী সীমা আক্তার প্রতিদিনের মতো বিদ্যালয়ে যায়। বিদ্যালয়ের শৌচাগার বন্ধ থাকায় সে বিদ্যালয়ের পাশে আসামি কালুর বাড়িতে শৌচাগারে যায়। এ সময় কালু তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ বস্তায় ভরে এলাকার হালিম মাস্টারের বাড়ির গোরস্থানে ফেলে রাখে।  ঘটনার দুই দিন পর গোরস্থান থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এই ঘটনায় নিহতের মা মাহামুদা বেগম বাদী হয়ে এয়ারপোর্ট থানায় মামলা করেন। ২০১৮ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তৎকালীন তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চার্জশিট দেন। ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত রায় দেন।

আদালতের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর ফয়জুল হক ফয়েজ জানান, এটি যুগান্তকারী রায়। মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা ছাড়াও আসামির সম্পদ বাজেয়াফত করে দেড় লাখ টাকা ভিকটিমের পরিবারকে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন