ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে ভাবিকে ধর্ষণ
jugantor
ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে ভাবিকে ধর্ষণ

  মুলাদী (বরিশাল) প্রতিনিধি   

০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ২১:৪৮:০৮  |  অনলাইন সংস্করণ

বরিশালের মুলাদীতে গোসলের নগ্ন ভিডিও ধারণ এবং তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে বড় ভাইয়ের স্ত্রীকে দীর্ঘদিন যাবত ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় গত ১ ডিসেম্বর বড় ভাবি বাদী হয়ে দেবর সাইফুল আকনসহ ৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন।

ধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধূ জানান, প্রায় ৬ বছর আগে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তার স্বামী চাকরির সুবাদে বাড়িতে না থাকায় সাইফুল বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ার বিয়ের ৫-৬ মাসের মাথায় সাইফুল গোপনে তার গোসলের নগ্ন ভিডিওচিত্র ধারণ করে।

পরবর্তীতে তা ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ করে। বিষয়টি তার শ্বশুর-শাশুড়িকে জানালেও তারা এর প্রতিবাদ না করে চুপ থাকায় সাইফুল বেপরোয়া হয়ে ওঠে। ওই গৃহবধূর ৪ বছরের সন্তান তার দেবরের ধর্ষণের ফলেই জন্ম হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

দেবরের অত্যাচারে ওই গৃহবধূ ৩ বছর আগে তার স্বামীর কর্মস্থলে গিয়ে থাকতে শুরু করেন। ১৫-১৬ দিন আগে গৃহবধূ অসুস্থ স্বামীর কাছ থেকে বাড়ি এলে তার দেবর পুনরায় গোসলের নগ্ন ভিডিও দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করতে চাই। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হন এবং ১ ডিসেম্বর মুলাদী থানায় সাইফুল, শ্বশুর ও শাশুড়িসহ ৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে তার শাশুড়ি দাবি করেন, আমার বড় ছেলে প্রায় ৩ বছর ধরে অসুস্থ এবং শারীরিকভাবে অক্ষম। কিন্তু আমার ছোট ছেলে সাইফুল তার ভাবিকে ধর্ষণ করেছে এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়।

এ ব্যাপারে মুলাদী থানার ওসি ফয়েজ উদ্দীন মৃধা জানান, গৃহবধূর অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে ভাবিকে ধর্ষণ

 মুলাদী (বরিশাল) প্রতিনিধি  
০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০৯:৪৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বরিশালের মুলাদীতে গোসলের নগ্ন ভিডিও ধারণ এবং তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে বড় ভাইয়ের স্ত্রীকে দীর্ঘদিন যাবত ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় গত ১ ডিসেম্বর বড় ভাবি বাদী হয়ে দেবর সাইফুল আকনসহ ৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। 

ধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধূ জানান, প্রায় ৬ বছর আগে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তার স্বামী চাকরির সুবাদে বাড়িতে না থাকায় সাইফুল বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ার বিয়ের ৫-৬ মাসের মাথায় সাইফুল গোপনে তার গোসলের নগ্ন ভিডিওচিত্র ধারণ করে।

পরবর্তীতে তা ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ করে। বিষয়টি তার শ্বশুর-শাশুড়িকে জানালেও তারা এর প্রতিবাদ না করে চুপ থাকায় সাইফুল বেপরোয়া হয়ে ওঠে। ওই গৃহবধূর ৪ বছরের সন্তান তার দেবরের ধর্ষণের ফলেই জন্ম হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

দেবরের অত্যাচারে ওই গৃহবধূ ৩ বছর আগে তার স্বামীর কর্মস্থলে গিয়ে থাকতে শুরু করেন। ১৫-১৬ দিন আগে গৃহবধূ অসুস্থ স্বামীর কাছ থেকে বাড়ি এলে তার দেবর পুনরায় গোসলের নগ্ন ভিডিও দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করতে চাই। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হন এবং ১ ডিসেম্বর মুলাদী থানায় সাইফুল, শ্বশুর ও শাশুড়িসহ ৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে তার শাশুড়ি দাবি করেন, আমার বড় ছেলে প্রায় ৩ বছর ধরে অসুস্থ এবং শারীরিকভাবে অক্ষম। কিন্তু আমার ছোট ছেলে সাইফুল তার ভাবিকে ধর্ষণ করেছে এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়।

এ ব্যাপারে মুলাদী থানার ওসি ফয়েজ উদ্দীন মৃধা জানান,  গৃহবধূর অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন