ময়মনসিংহে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার, শাশুড়ি গ্রেফতার
jugantor
ময়মনসিংহে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার, শাশুড়ি গ্রেফতার

  ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি  

০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ২২:২৭:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ

নিহত গৃহবধূ

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে তাছলিমা নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের শাশুড়িকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার ঈশ্বরগঞ্জ ইউনিয়নের চরপূবাইল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত তাছলিমা উপজেলার মগটুলা ইউপির নারায়ণপুর গ্রামের আব্দুছ ছালামের মেয়ে এবং ঈশ্বরগঞ্জ ইউনিয়নের চরপূবাইল গ্রামের কলিমদ্দিনের ছেলে সোহেল রানার স্ত্রী।

নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ৬ বছর আগে পোশাক কারখানায় কাজ করার সময় প্রেমের সম্পর্কে তাছলিমার সঙ্গে সোহেল রানার বিয়ে হয়। ইতোমধ্যে তাদের ৪ বছর বয়সী এক পুত্র, দেড় বছরের এক কন্যাসন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে নানা বিষয় নিয়ে বিবাদ চলে আসছিল।

তাছলিমার পরিবারের দাবি, ৪ দিন আগে তাছলিমার স্বামী তাকে বাবার বাড়ি থেকে দুই লাখ টাকা এনে দেয়ার জন্য চাপ দেয়। বাবার বাড়ির লোকজন টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করে। পরে এ নিয়ে স্বামী ও তার পারিবারের লোকজন তাছলিমার ওপর নির্যাতন চালায়।

গত বৃহস্পতিবার রাতে মোবাইল ফোনে তাছলিমা গুরুতর অসুস্থ বলে তার বাবার বাড়িতে খবর দেয় স্বামী সোহেল রানা। খবর পেয়ে বাবার বাড়ি থেকে লোকজন এসে তাছলিমাকে মৃত দেখে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পেয়ে তাদের সন্দেহ হয়।

পরে বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করে। শুক্রবার দুপুরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি তদন্ত জ ই মুন্না জানান, এ ঘটনায় নিহতের ভাই মোস্তাকিম বাদী হয়ে ৪ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

ময়মনসিংহে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার, শাশুড়ি গ্রেফতার

 ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 
০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ১০:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
নিহত গৃহবধূ
নিহত গৃহবধূ। ছবি: সংগৃহীত

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে তাছলিমা নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের শাশুড়িকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার ঈশ্বরগঞ্জ ইউনিয়নের চরপূবাইল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত তাছলিমা উপজেলার মগটুলা ইউপির নারায়ণপুর গ্রামের আব্দুছ ছালামের মেয়ে এবং ঈশ্বরগঞ্জ ইউনিয়নের চরপূবাইল গ্রামের কলিমদ্দিনের ছেলে সোহেল রানার স্ত্রী।

নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ৬ বছর আগে পোশাক কারখানায় কাজ করার সময় প্রেমের সম্পর্কে তাছলিমার সঙ্গে সোহেল রানার বিয়ে হয়। ইতোমধ্যে তাদের ৪ বছর বয়সী এক পুত্র, দেড় বছরের এক কন্যাসন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে নানা বিষয় নিয়ে বিবাদ চলে আসছিল।

তাছলিমার পরিবারের দাবি, ৪ দিন আগে তাছলিমার স্বামী তাকে বাবার বাড়ি থেকে দুই লাখ টাকা এনে দেয়ার জন্য চাপ দেয়। বাবার বাড়ির লোকজন টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করে। পরে এ নিয়ে স্বামী ও তার পারিবারের লোকজন তাছলিমার ওপর নির্যাতন চালায়। 

গত বৃহস্পতিবার রাতে মোবাইল ফোনে তাছলিমা গুরুতর অসুস্থ বলে তার বাবার বাড়িতে খবর দেয় স্বামী সোহেল রানা। খবর পেয়ে বাবার বাড়ি থেকে লোকজন এসে তাছলিমাকে মৃত দেখে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পেয়ে তাদের সন্দেহ হয়।

পরে বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করে। শুক্রবার দুপুরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। 

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি তদন্ত জ ই মুন্না জানান, এ ঘটনায় নিহতের ভাই মোস্তাকিম বাদী হয়ে ৪ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন