ধর্ষণের পর বাকরুদ্ধ ৪ বছরের পিতৃহীন শিশু
jugantor
ধর্ষণের পর বাকরুদ্ধ ৪ বছরের পিতৃহীন শিশু

  তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

০৬ ডিসেম্বর ২০২০, ২২:০০:৫৩  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার তিতাসে ফুসলিয়ে পাশের বাড়ির টয়লেটে নিয়ে ৪ বছর বয়সী পিতৃহীন এক শিশুকে ধর্ষণ করেছে সৌরভ নামে এক অটোচালক। এরপর থেকে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছে শিশুটি।

গত ২৭ নভেম্বর বিকাল ৩টায় এ ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটে। বৃহস্পতিবার তিতাস থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন শিশুটির মা।

শিশুটির মা বলেন, আমি গরিব। চা বিক্রি করে কোনোরকমে পেট চালাই। স্বামী মারা গেছে কয়েক বছর আগে। প্রতিদিনের মতো আমি আনন্দবাজারে চা বিক্রি করছিলাম। আমি আমার মেয়েকে দোকানে বসিয়ে পানি আনতে গেলে, সেখানে ওতপেতে থাকা একই গ্রামের বাসিন্দা কুদ্দুস মিয়ার ছেলে অটোচালক সৌরভ তাকে ফুঁসলিয়ে পাশের বাড়ির টয়লেটে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায় সৌরভ।

তিনি বলেন, মেয়েটির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে তিতাস হাসপাতাল নিয়ে গেলে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ৫ দিন চিকিৎসা শেষে বাড়ি নিয়ে আসি। বর্তমানে আমার মেয়ে বাকরুদ্ধ, কোনো কথা বলে না, শুধু চেয়ে থাকে। আমি আমার মেয়ের সঙ্গে এমন ঘটনার বিচার চাই। সৌরভের ফাঁসি চাই।

এ বিষয়ে তিতাস থানার ওসি সৈয়দ মোহাম্মদ আহসানুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। আমরা ভিকটিমের পরিবারকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করব। আসামিকে গ্রেফতারের সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে। প্রয়োজনে মেয়েটিকে আর্থিকভাবেও সহযোগিতা দেয়া হবে।

ধর্ষণের পর বাকরুদ্ধ ৪ বছরের পিতৃহীন শিশু

 তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
০৬ ডিসেম্বর ২০২০, ১০:০০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার তিতাসে ফুসলিয়ে পাশের বাড়ির টয়লেটে নিয়ে ৪ বছর বয়সী পিতৃহীন এক শিশুকে ধর্ষণ করেছে সৌরভ নামে এক অটোচালক। এরপর থেকে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছে শিশুটি।

গত ২৭ নভেম্বর বিকাল ৩টায় এ ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটে। বৃহস্পতিবার তিতাস থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন শিশুটির মা। 

শিশুটির মা বলেন, আমি গরিব। চা বিক্রি করে কোনোরকমে পেট চালাই। স্বামী মারা গেছে কয়েক বছর আগে। প্রতিদিনের মতো আমি আনন্দবাজারে চা বিক্রি করছিলাম। আমি আমার মেয়েকে দোকানে বসিয়ে পানি আনতে গেলে, সেখানে ওতপেতে থাকা একই গ্রামের বাসিন্দা কুদ্দুস মিয়ার ছেলে অটোচালক সৌরভ তাকে ফুঁসলিয়ে পাশের বাড়ির টয়লেটে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায় সৌরভ।

তিনি বলেন, মেয়েটির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে তিতাস হাসপাতাল নিয়ে গেলে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ৫ দিন চিকিৎসা শেষে বাড়ি নিয়ে আসি। বর্তমানে আমার মেয়ে বাকরুদ্ধ, কোনো কথা বলে না, শুধু চেয়ে থাকে। আমি আমার মেয়ের সঙ্গে এমন ঘটনার বিচার চাই। সৌরভের ফাঁসি চাই।

এ বিষয়ে তিতাস থানার ওসি সৈয়দ মোহাম্মদ আহসানুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। আমরা ভিকটিমের পরিবারকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করব। আসামিকে গ্রেফতারের সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে। প্রয়োজনে মেয়েটিকে আর্থিকভাবেও সহযোগিতা দেয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন