বগুড়ার আলোচিত ধর্ষণ মামলায় মাতব্বর গ্রেফতার
jugantor
বগুড়ার আলোচিত ধর্ষণ মামলায় মাতব্বর গ্রেফতার

  বগুড়া ব্যুরো  

০৮ ডিসেম্বর ২০২০, ২০:৫৩:০৬  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার ধুনটে আলোচিত স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলায় আবু সাঈদ শেখ (৬১) নামে স্থানীয় এক মাতব্বরকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ সোমবার রাতে তাকে মহিশুরা বাজার থেকে গ্রেফতার করে।

ধুনট থানার ওসি কৃপা সিন্ধু বালা জানান, সাঈদ শেখ এজাহারভুক্ত আসামি না হলেও তার বিরুদ্ধ মামলার বাদীকে হুমকি, আপোষের জন্য ভয়ভীতি প্রদর্শন ও ছাত্রীর পরিবারকে সমাজচ্যুত করার অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ ও এজাহার সূত্র জানায়, ধুনট উপজেলার দেউড়িয়া গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে মাসুদ রানা, ইউপি সদস্য ফললুল হক বাবু ও তাদের কয়েকজন সহযোগী গত ১৬ জুলাই রাস্তা থেকে একই গ্রামের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে অপহরণ করে। রানা তাকে একটি বাড়িতে এক মাসের বেশি সময় আটকে রাখে এবং ঘুমের ওষুধ খাইয়ে তাকে ধর্ষণ করে।

১২ আগস্ট ছাত্রীর মা ধুনট থানায় রানা, গোপালনগর ইউনিয়নের সদস্য ফজলুল হক বাবুসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আসামিরা গত ২৪ আগস্ট ছাত্রীকে সিরাজগঞ্জের চান্দাইকোনা এলাকায় রাস্তার পাশে ফেলে যায়।

পুলিশ তাকে হাসপাতালে নিয়ে ডাক্তারি পরীক্ষা করালে ধর্ষণের প্রমাণ মেলে। প্রধান আসামি মাসুদ রানা আত্মগোপনে থাকলেও পুলিশ এর আগে ইউপি সদস্য ফজলুল হক বাবুসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে।

এদিকে ধর্ষণ মামলাটি তুলে নিতে গ্রামের কয়েকজন মাতব্বর ছাত্রীর মা বাদীকে হুমকি ও চাপ সৃষ্টি করেন। এছাড়া মাতব্বর আবু সাঈদ শেখসহ কয়েকজন মামলার পর থেকে ছাত্রীর পরিবারকে সমাজচ্যুত করে রাখেন।

এ নিয়ে পত্রিকার রিপোর্ট হলে পুলিশ সোমবার রাতে মহিশুরা বাজার এলাকা থেকে দেউরিয়া গ্রামের মৃত ওসমান শেখের ছেলে মাতব্বর আবু সাঈদ শেখকে গ্রেফতার করে।

ধুনট থানার ওসি কৃপা সিন্ধু বালা আরও জানান, স্কুলছাত্রী অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় এখন পর্যন্ত তিনজন গ্রেফতার হয়েছে। ২নং আসামি ইউপি সদস্য ফজলুল হক বাবুকে আদালত থেকে দুই দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। বাদীকে হুমকি ও সমাজচ্যুত করার সঙ্গে জড়িত মাতব্বর আবু সাঈদকেও গ্রেফতার করা হয়।

তিনি আরও জানান, প্রধান আসামি মাসুদ রানাকে গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।

বগুড়ার আলোচিত ধর্ষণ মামলায় মাতব্বর গ্রেফতার

 বগুড়া ব্যুরো 
০৮ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার ধুনটে আলোচিত স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলায় আবু সাঈদ শেখ (৬১) নামে স্থানীয় এক মাতব্বরকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ সোমবার রাতে তাকে মহিশুরা বাজার থেকে গ্রেফতার করে।

ধুনট থানার ওসি কৃপা সিন্ধু বালা জানান, সাঈদ শেখ এজাহারভুক্ত আসামি না হলেও তার বিরুদ্ধ মামলার বাদীকে হুমকি, আপোষের জন্য ভয়ভীতি প্রদর্শন ও ছাত্রীর পরিবারকে সমাজচ্যুত করার অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ ও এজাহার সূত্র জানায়, ধুনট উপজেলার দেউড়িয়া গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে মাসুদ রানা, ইউপি সদস্য ফললুল হক বাবু ও তাদের কয়েকজন সহযোগী গত ১৬ জুলাই রাস্তা থেকে একই গ্রামের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে অপহরণ করে। রানা তাকে একটি বাড়িতে এক মাসের বেশি সময় আটকে রাখে এবং ঘুমের ওষুধ খাইয়ে তাকে ধর্ষণ করে।

১২ আগস্ট ছাত্রীর মা ধুনট থানায় রানা, গোপালনগর ইউনিয়নের সদস্য ফজলুল হক বাবুসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আসামিরা গত ২৪ আগস্ট ছাত্রীকে সিরাজগঞ্জের চান্দাইকোনা এলাকায় রাস্তার পাশে ফেলে যায়।

পুলিশ তাকে হাসপাতালে নিয়ে ডাক্তারি পরীক্ষা করালে ধর্ষণের প্রমাণ মেলে। প্রধান আসামি মাসুদ রানা আত্মগোপনে থাকলেও পুলিশ এর আগে ইউপি সদস্য ফজলুল হক বাবুসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে।

এদিকে ধর্ষণ মামলাটি তুলে নিতে গ্রামের কয়েকজন মাতব্বর ছাত্রীর মা বাদীকে হুমকি ও চাপ সৃষ্টি করেন। এছাড়া মাতব্বর আবু সাঈদ শেখসহ কয়েকজন মামলার পর থেকে ছাত্রীর পরিবারকে সমাজচ্যুত করে রাখেন।

এ নিয়ে পত্রিকার রিপোর্ট হলে পুলিশ সোমবার রাতে মহিশুরা বাজার এলাকা থেকে দেউরিয়া গ্রামের মৃত ওসমান শেখের ছেলে মাতব্বর আবু সাঈদ শেখকে গ্রেফতার করে।

ধুনট থানার ওসি কৃপা সিন্ধু বালা আরও জানান, স্কুলছাত্রী অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় এখন পর্যন্ত তিনজন গ্রেফতার হয়েছে। ২নং আসামি ইউপি সদস্য ফজলুল হক বাবুকে আদালত থেকে দুই দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। বাদীকে হুমকি ও সমাজচ্যুত করার সঙ্গে জড়িত মাতব্বর আবু সাঈদকেও গ্রেফতার করা হয়।

তিনি আরও জানান, প্রধান আসামি মাসুদ রানাকে গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন