বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে বিরোধিতাকারীরা স্বাধীনতায় বিশ্বাসী নয়: তোফায়েল
jugantor
বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে বিরোধিতাকারীরা স্বাধীনতায় বিশ্বাসী নয়: তোফায়েল

  যুগান্তর রিপোর্ট, ভোলা  

১৪ ডিসেম্বর ২০২০, ২০:১৬:৩৮  |  অনলাইন সংস্করণ

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে বিরোধিতাকারীরা স্বাধীনতায় বিশ্বাসী নয় বলে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য, সাবেক শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এমপি বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চিরদিন বাঙালি জাতির হৃদয়ের মণিকোঠায় বিরাজ করছেন করবেন। যতদিন এ বাংলাদেশের মাটি ও মানুষ থাকবে ততদিন তিনি মানুষের হৃদয়ে থাকবেন।

তিনি বলেন, আজকে সেই বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়েও এদেশে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। পৃথিবীর অনেক মুসলিম দেশ- ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান, ইরান, সৌদিআরব, জেদ্দা, তিউনিশিয়া, মিসর, তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশে মুসলিম নেতাদের ভাস্কর্য আছে। সুতরাং যারা ভাস্কর্য নিয়ে বিরোধিতা করে তারা স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না।

সোমবার সকালে ভোলা জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় ঢাকা থেকে টেলি কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, যারা ভাস্কর্য নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে তাদের বিরুদ্ধে দেশের প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ সব শ্রেণির মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন।

জিয়াউর রহমানকে স্বৈরশাসক উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের এই প্রবীণ নেতা বলেন, অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলতে হয় স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে সংবিধান সংশোধন করে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির সুযোগ করে দিয়েছিলেন বলেই আজ এ অবস্থা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু জিয়াউর রহমান তাদের ক্ষমা করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র করছে তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান তিনি।

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের শ্রদ্ধা জানিয়ে তোফায়েল আহমেদ বলেন, বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করতেই বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছে। স্বাধীনতার দুই দিন আগে এই কৃতীসন্তানদের হত্যা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০০৮ সালে ক্ষমতায় এসে আমরা ২০০৯ সালে মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করেছি। ইতোমধ্যে অনেককে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলানো হয়েছে।

জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি দোস্ত মাহমুদের সভাপতিত্বে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মমিন টুলু, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মোশারেফ হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ প্যানেল চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম গোলদার, জেলা আওয়ামী লীগ যুগ্ম সম্পাদক জহিরুল ইসলাম নকিব, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লবসহ জেলা আওয়ামী লীগ, উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ, কৃষক লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে বিরোধিতাকারীরা স্বাধীনতায় বিশ্বাসী নয়: তোফায়েল

 যুগান্তর রিপোর্ট, ভোলা 
১৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:১৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে বিরোধিতাকারীরা স্বাধীনতায় বিশ্বাসী নয় বলে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য, সাবেক শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এমপি বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চিরদিন বাঙালি জাতির হৃদয়ের মণিকোঠায় বিরাজ করছেন করবেন। যতদিন এ বাংলাদেশের মাটি ও মানুষ থাকবে ততদিন তিনি মানুষের হৃদয়ে থাকবেন।

তিনি বলেন, আজকে সেই বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়েও এদেশে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। পৃথিবীর অনেক মুসলিম দেশ- ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান, ইরান, সৌদিআরব, জেদ্দা, তিউনিশিয়া, মিসর, তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশে মুসলিম নেতাদের ভাস্কর্য আছে। সুতরাং যারা ভাস্কর্য নিয়ে বিরোধিতা করে তারা স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না।

সোমবার সকালে ভোলা জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় ঢাকা থেকে টেলি কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, যারা ভাস্কর্য নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে তাদের বিরুদ্ধে দেশের প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ সব শ্রেণির মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন।

জিয়াউর রহমানকে স্বৈরশাসক উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের এই প্রবীণ নেতা বলেন, অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলতে হয় স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে সংবিধান সংশোধন করে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির সুযোগ করে দিয়েছিলেন বলেই আজ  এ অবস্থা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু জিয়াউর রহমান তাদের ক্ষমা করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র করছে তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান তিনি।

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের শ্রদ্ধা জানিয়ে তোফায়েল আহমেদ বলেন, বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করতেই বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছে। স্বাধীনতার দুই দিন আগে এই কৃতীসন্তানদের হত্যা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০০৮ সালে ক্ষমতায় এসে আমরা ২০০৯ সালে মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করেছি। ইতোমধ্যে অনেককে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলানো হয়েছে।

জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি দোস্ত মাহমুদের সভাপতিত্বে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মমিন টুলু, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মোশারেফ হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ প্যানেল চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম গোলদার, জেলা আওয়ামী লীগ যুগ্ম সম্পাদক জহিরুল ইসলাম নকিব, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লবসহ জেলা আওয়ামী লীগ, উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ, কৃষক লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন