‘সংযোগ সড়কহীন সেতুটি এখন ‘গলার কাঁটা’
jugantor
‘সংযোগ সড়কহীন সেতুটি এখন ‘গলার কাঁটা’

  চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি  

১৭ ডিসেম্বর ২০২০, ১৮:৩৩:৫৬  |  অনলাইন সংস্করণ

পারাপারের জন্য বাধ্য হয়ে সেতুর দুই পাশে বাঁশের সাকো ব্যবহার করতে হচ্ছে পথচারীদের

পাবনার চাটমোহর উপজেলার আগশোয়াইল গ্রামে বড়াল নদের শাখার (জোলা) ওপর নতুন সেতু নির্মাণ হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন স্থানীয়রা। বাধ্য হয়ে সেতুর দুই পাশে পারাপারের জন্য বাঁশের সাকো দিয়ে পার হচ্ছেন সবাই।

জানা গেছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের সেতু/কালভার্ট কর্মসূচির আওতায় আগশোয়াইল-টলটলিপাড়া এলাকায় বড়াল নদের শাখার ওপর (জোলা) ২৯ লাখ ৫৮ হাজার ৯৯২ টাকা ব্যয়ে ৩৬ ফিট দৈর্ঘ্য সেতু নির্মাণ করা হয়। কাজটি করে পার্শ্ববর্তী ভাঙ্গুড়া উপজেলার জনৈক এক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। জানুয়ারি মাসে সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়। এরপর জুলাই মাসে কাজ শেষ হলেও মাটি না ফেলে চলে যায় ঠিকাদারের লোকজন।

অসুস্থ কোনো রোগীকে হাসপাতালে নেয়া যাচ্ছে না। অথচ এই সেতুর উপর দিয়ে টলটলিপাড়া, পাঁচশোয়াইল, শ্রীধরপুর, ধুলাউড়ি, হরিপুর, আগশোয়াইল পুরানপাড়া, শালমারা, দোলং, রামনগরসহ বেশ কয়েকটি এলাকার মানুষ যাতায়াত করে থাকেন। সম্প্রতি ওই বাঁশের সাঁকোর ওপর দিয়ে পার হতে গিয়ে খালে পড়ে আহত হয়েছে মনিরা খাতুন এবং আজিজুল নামে দুই শিশু।

ঠিকাদারের নাম এবং দুর্ভোগের ব্যাপারে জানার জন্য বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে তার মোবাইলে ফোন দিলে কিছুক্ষণ রিং হওয়ার পর সংযোগটি তিনি কেটে দেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈকত ইসলাম জানান, বিষয়টি শুনেছি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিল আটকে রেখেছি। মাটি ফেলা এবং কাজ পুরোপুরি শেষ করার পর বিল দেয়া হবে বলে জানান তিনি।

‘সংযোগ সড়কহীন সেতুটি এখন ‘গলার কাঁটা’

 চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি 
১৭ ডিসেম্বর ২০২০, ০৬:৩৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
পারাপারের জন্য বাধ্য হয়ে সেতুর দুই পাশে বাঁশের সাকো ব্যবহার করতে হচ্ছে পথচারীদের
পারাপারের জন্য বাধ্য হয়ে সেতুর দুই পাশে বাঁশের সাকো ব্যবহার করতে হচ্ছে পথচারীদের। ছবি: যুগান্তর

পাবনার চাটমোহর উপজেলার আগশোয়াইল গ্রামে বড়াল নদের শাখার (জোলা) ওপর নতুন সেতু নির্মাণ হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন স্থানীয়রা। বাধ্য হয়ে সেতুর দুই পাশে পারাপারের জন্য বাঁশের সাকো দিয়ে পার হচ্ছেন সবাই।

 

জানা গেছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের সেতু/কালভার্ট কর্মসূচির আওতায় আগশোয়াইল-টলটলিপাড়া এলাকায় বড়াল নদের শাখার ওপর (জোলা) ২৯ লাখ ৫৮ হাজার ৯৯২ টাকা ব্যয়ে ৩৬ ফিট দৈর্ঘ্য সেতু নির্মাণ করা হয়।  কাজটি করে পার্শ্ববর্তী ভাঙ্গুড়া উপজেলার জনৈক এক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। জানুয়ারি মাসে সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়। এরপর জুলাই মাসে কাজ শেষ হলেও মাটি না ফেলে চলে যায় ঠিকাদারের লোকজন।

 

অসুস্থ কোনো রোগীকে হাসপাতালে নেয়া যাচ্ছে না। অথচ এই সেতুর উপর দিয়ে টলটলিপাড়া, পাঁচশোয়াইল, শ্রীধরপুর, ধুলাউড়ি, হরিপুর, আগশোয়াইল পুরানপাড়া, শালমারা, দোলং, রামনগরসহ বেশ কয়েকটি এলাকার মানুষ যাতায়াত করে থাকেন। সম্প্রতি ওই বাঁশের সাঁকোর ওপর দিয়ে পার হতে গিয়ে খালে পড়ে আহত হয়েছে মনিরা খাতুন এবং আজিজুল নামে দুই শিশু।

 

ঠিকাদারের নাম এবং দুর্ভোগের ব্যাপারে জানার জন্য বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে তার মোবাইলে ফোন দিলে কিছুক্ষণ রিং হওয়ার পর সংযোগটি তিনি কেটে দেন।

 

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈকত ইসলাম জানান, বিষয়টি শুনেছি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিল আটকে রেখেছি। মাটি ফেলা এবং কাজ পুরোপুরি শেষ করার পর বিল দেয়া হবে বলে জানান তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন