প্রতিদিনই কমছে উত্তরের তাপমাত্রা
jugantor
প্রতিদিনই কমছে উত্তরের তাপমাত্রা

  দিনাজপুর প্রতিনিধি  

১৭ ডিসেম্বর ২০২০, ২২:৪১:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

দিনাজপুরসহ দেশের উত্তর জনপদে জেঁকে বসেছে শীত। গত কয়েক দিন ধরে প্রতিদিন ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে আসছে তাপমাত্রা মাপনযন্ত্রের পারদ।

বৃহস্পতিবার দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর দেশের সর্বোত্তরের উপজেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অফিসের দেয়া তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার এটিই দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

দিনাজপুর আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন জানান, গত কয়েক দিন ধরেই হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত এ জনপদে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসা হিমালয়ের হিমশীতল বায়ু প্রবাহিত হওয়ায় ক্রমেই নেমে আসছে তাপমাত্রা। প্রতিদিন এ অঞ্চলে ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা কমছে।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোত্তরের উপজেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের দিন বুধবার সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

তিনি জানান, দিনাজপুরে বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবার দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস আর মঙ্গলবার এ জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। প্রতিদিন এক থেকে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা নিচে নেমে আসছে বলে জানান তিনি।

আবহাওয়া অফিসের দেয়া তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল দেশের উত্তরের জনপদ রংপুর বিভাগের জেলাগুলোতেই। এদিন উত্তরের জনপদ কুড়িগ্রামের রাজারহাটে দেশের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং নীলফামারীর সৈয়দপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিকে শীত জেঁকে বসার সঙ্গে সঙ্গে এ জনপদে বাড়ছে অসহায় ও শীতার্ত মানুষের দুর্ভোগ। বিশেষ করে ছিন্নমূল মানুষ তীব্র শীতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। সকাল ও বিকালে তীব্র শীত অনুভূত হওয়ায় কর্মজীবী মানুষ কর্মস্থলে যেতে ও কর্মস্থল থেকে ফিরতে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। তীব্র শীতের কারণে বেড়েছে শীতজনিত রোগ। শিশু ও বয়োবৃদ্ধরা শীতজনিত এসব রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

প্রতিদিনই কমছে উত্তরের তাপমাত্রা

 দিনাজপুর প্রতিনিধি 
১৭ ডিসেম্বর ২০২০, ১০:৪১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দিনাজপুরসহ দেশের উত্তর জনপদে জেঁকে বসেছে শীত। গত কয়েক দিন ধরে প্রতিদিন ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে আসছে তাপমাত্রা মাপনযন্ত্রের পারদ।

বৃহস্পতিবার দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর দেশের সর্বোত্তরের উপজেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অফিসের দেয়া তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার এটিই দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

দিনাজপুর আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন জানান, গত কয়েক দিন ধরেই হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত এ জনপদে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসা হিমালয়ের হিমশীতল বায়ু প্রবাহিত হওয়ায় ক্রমেই নেমে আসছে তাপমাত্রা। প্রতিদিন এ অঞ্চলে ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা কমছে।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোত্তরের উপজেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের দিন বুধবার সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

তিনি জানান, দিনাজপুরে বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবার দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস আর মঙ্গলবার এ জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। প্রতিদিন এক থেকে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা নিচে নেমে আসছে বলে জানান তিনি।

আবহাওয়া অফিসের দেয়া তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল দেশের উত্তরের জনপদ রংপুর বিভাগের জেলাগুলোতেই। এদিন উত্তরের জনপদ কুড়িগ্রামের রাজারহাটে দেশের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং নীলফামারীর সৈয়দপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিকে শীত জেঁকে বসার সঙ্গে সঙ্গে এ জনপদে বাড়ছে অসহায় ও শীতার্ত মানুষের দুর্ভোগ। বিশেষ করে ছিন্নমূল মানুষ তীব্র শীতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। সকাল ও বিকালে তীব্র শীত অনুভূত হওয়ায় কর্মজীবী মানুষ কর্মস্থলে যেতে ও কর্মস্থল থেকে ফিরতে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। তীব্র শীতের কারণে বেড়েছে শীতজনিত রোগ। শিশু ও বয়োবৃদ্ধরা শীতজনিত এসব রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন