সড়কের পাশে মেছোবাঘের মৃতদেহ
jugantor
সড়কের পাশে মেছোবাঘের মৃতদেহ

  শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি  

১৯ ডিসেম্বর ২০২০, ২০:৪৭:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

শ্রীপুরে সড়কের পাশ থেকে একটি মেছোবাঘের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

গাজীপুরের শ্রীপুরে সড়কের পাশ থেকে একটি মেছোবাঘের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার সকালে রাজাবাড়ী- শ্রীপুর সড়কের শ্রীপুর পৌরসভার লোহাগাছ গ্রামের (ফোরকানিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন) সড়কের পাশে বাঘটি পড়েছিল। গায়ের রং এবং দাগ দেখে এলাকাবাসী এটাকে চিতাবাঘ বলছেন। তবে বন বিভাগের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিদর্শক অসিম মল্লিক প্রাণীটির ছবি দেখে এটাকে মেছোবাঘ বলে নিশ্চিত করেছেন।

লোহাগাছ গ্রামের শহিদুল্লাহ মণ্ডল বকুল জানান, বাড়ি থেকে সড়কে উঠামাত্রই ফোরকানিয়া মাদ্রাসার কাছে বাঘের মৃতদেহ দেখাতে পাই। ওই প্রাণীটির মুখে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘন কুয়াশা থাকার কারণে সড়কে চলাচলকারী কোনো গাড়ির সাথে ধাক্কা লেগে রাতে বাঘটি মারা যেতে পারে। স্থানীয় উৎসুক জনতা প্রাণীটি একনজর দেখার জন্য ভিড় জমায়। এটা দেখার পর আশপাশের এলাকায় বনে চিতা বাঘ থাকার একটা আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

বন বিভাগের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিদর্শক অসিম মল্লিক জানান, ছবি দেখে মনে হচ্ছে এটি মেছোবাঘ। মৃত প্রাণীটির বয়স হবে প্রায় ৩ বছর। এরা নিশাচর প্রাণী এবং বনে থাকা ইঁদুর, সাপ, ব্যাঙ এবং জলাশয়ের মাছ ধরে খায়। সাধারণত রাতের বেলায় এরা খাবারের সন্ধানে বনে-জঙ্গলে বা জলাশয়ে বের হয়। এরা সাধারণত দিনের বেলা লোকালয়ে বের হয় না।

তিনি আরও বলেন, আঘাতের চিহ্ন দেখে মনে হচ্ছে কোনো গাড়ির ধাক্কা খেয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণীটি মারা গেছে। বন-জঙ্গলের আশপাশে বা ভেতরের রাস্তা দিয়ে গাড়ি চলাচল করলে বন্যপ্রাণী রক্ষায় ধীরগতিতে ও সাবধানে গাড়ি চালানো উচিত। এজন্য ওই সব এলাকায় রাস্তার পাশে স্থানে স্থানে সাইনবোর্ড টাঙানো কিংবা স্পিডব্রেকার (গতিরোধক) দেয়া দরকার।

সড়কের পাশে মেছোবাঘের মৃতদেহ

 শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি 
১৯ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:৪৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
শ্রীপুরে সড়কের পাশ থেকে একটি মেছোবাঘের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
মেছোবাঘ

গাজীপুরের শ্রীপুরে সড়কের পাশ থেকে একটি মেছোবাঘের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার সকালে রাজাবাড়ী- শ্রীপুর সড়কের শ্রীপুর পৌরসভার লোহাগাছ গ্রামের (ফোরকানিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন) সড়কের পাশে বাঘটি পড়েছিল। গায়ের রং এবং দাগ দেখে এলাকাবাসী এটাকে চিতাবাঘ বলছেন। তবে বন বিভাগের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিদর্শক অসিম মল্লিক প্রাণীটির ছবি দেখে এটাকে মেছোবাঘ বলে নিশ্চিত করেছেন।

লোহাগাছ গ্রামের শহিদুল্লাহ মণ্ডল বকুল জানান, বাড়ি থেকে সড়কে উঠামাত্রই ফোরকানিয়া মাদ্রাসার কাছে বাঘের মৃতদেহ দেখাতে পাই। ওই প্রাণীটির মুখে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘন কুয়াশা থাকার কারণে সড়কে চলাচলকারী কোনো গাড়ির সাথে ধাক্কা লেগে রাতে বাঘটি মারা যেতে পারে। স্থানীয় উৎসুক জনতা প্রাণীটি একনজর দেখার জন্য ভিড় জমায়। এটা দেখার পর আশপাশের এলাকায় বনে চিতা বাঘ থাকার একটা আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

বন বিভাগের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিদর্শক অসিম মল্লিক জানান, ছবি দেখে মনে হচ্ছে এটি মেছোবাঘ। মৃত প্রাণীটির বয়স হবে প্রায় ৩ বছর। এরা নিশাচর প্রাণী এবং বনে থাকা ইঁদুর, সাপ, ব্যাঙ এবং জলাশয়ের মাছ ধরে খায়। সাধারণত রাতের বেলায় এরা খাবারের সন্ধানে বনে-জঙ্গলে বা জলাশয়ে বের হয়। এরা সাধারণত দিনের বেলা লোকালয়ে বের হয় না।

তিনি আরও বলেন, আঘাতের চিহ্ন দেখে মনে হচ্ছে কোনো গাড়ির ধাক্কা খেয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণীটি মারা গেছে। বন-জঙ্গলের আশপাশে বা ভেতরের রাস্তা দিয়ে গাড়ি চলাচল করলে বন্যপ্রাণী রক্ষায় ধীরগতিতে ও সাবধানে গাড়ি চালানো উচিত। এজন্য ওই সব এলাকায় রাস্তার পাশে স্থানে স্থানে সাইনবোর্ড টাঙানো কিংবা স্পিডব্রেকার (গতিরোধক) দেয়া দরকার।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন