চাটমোহরে সেতু আছে রাস্তা নেই
jugantor
চাটমোহরে সেতু আছে রাস্তা নেই

  চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি  

২৩ ডিসেম্বর ২০২০, ১৯:২১:৫৩  |  অনলাইন সংস্করণ

পাবনার চাটমোহরে সেতুর সংযোগ সড়ক না থাকায় দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন উপজেলার পার নিমাইচড়া গ্রামসহ আশপাশের পাঁচটি গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষ।

পাবনার চাটমোহরে সেতুর সংযোগ সড়ক না থাকায় দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন উপজেলার পার নিমাইচড়া গ্রামসহ আশপাশের পাঁচটি গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষ।

শুধু সেতুর সংযোগ সড়কই নয়, হেঁটে চলার কাঁচা রাস্তারও বেহাল অবস্থা। অতিবর্ষণ ও বন্যার পানির প্রবল স্রোতে মাটি সরে গিয়ে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান। রাস্তা দিয়ে কোনো ধরনের যানবাহন প্রবেশ করতে পারে না। রাত-বিরাতে কোনো অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নেয়া যায় না। গ্রামের কেউ মারা গেলে মরদেহ দাফন করতে বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়। দীর্ঘ দুই বছরেরও অধিকসময় এলাকাবাসী দুর্ভোগের শিকার হলেও কোনো ধরনের ব্যবস্থা নেননি জনপ্রতিনিধি বা সংশ্লিষ্টরা। এতে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে ওই এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে।

সরেজমিন জানা যায়,উপজেলা সদর থেকে পার নিমাইচড়া গ্রামের দূরত্ব প্রায় ১০ কিলোমিটার। নিমাইচড়া বাজার থেকে পূর্বদিকে করতোয়া নদীর পাড় দিয়ে একটি কাঁচা রাস্তা নেমে গেছে পার নিমাইচড়া গ্রামে। চলনবিল থেকে করতোয়া নদীতে পানি যাওয়ার জন্য ওই এলাকায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের সেতু/কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ২৩ লাখ ৪৫ হাজার ৪৬৯ টাকা ব্যয়ে ৩০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি সেতু নির্মাণ করা হয়।

পার নিমাইচড়া গ্রামের আফজাল হোসেন যুগান্তরকে বলেন,সেতুটি নির্মাণের পর এলাকার মানুষ উপকৃত হয়েছিল। এখন সেতু দিয়ে হেঁটে চলাচল করা যায় না। সবচেয়ে বেশি বিড়ম্বনায় পড়তে হয় যখন কেউ মারা যান। মরদেহ দাফন করতে নদীতে নৌকায় পার করে নিয়ে যেতে হয় কবরস্থানে।

এ ব্যপারে নিমাইচড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান খোকনের মোবাইলে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। তবে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈকত ইসলামকে জানালে তিনি যুগান্তরকে বলেন,সেতু এবং রাস্তার ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলে অতিসত্বর মাটি ফেলে চলাচলের উপযোগী করে তোলা হবে।

চাটমোহরে সেতু আছে রাস্তা নেই

 চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি 
২৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০৭:২১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
পাবনার চাটমোহরে সেতুর সংযোগ সড়ক না থাকায় দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন উপজেলার পার নিমাইচড়া গ্রামসহ আশপাশের পাঁচটি গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষ।
পাবনার চাটমোহরে সেতুর সংযোগ সড়ক না থাকায় দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন উপজেলার পার নিমাইচড়া গ্রামসহ আশপাশের পাঁচটি গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষ।

পাবনার চাটমোহরে সেতুর সংযোগ সড়ক না থাকায় দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন উপজেলার পার নিমাইচড়া গ্রামসহ আশপাশের পাঁচটি গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষ।

শুধু সেতুর সংযোগ সড়কই নয়, হেঁটে চলার কাঁচা রাস্তারও বেহাল অবস্থা। অতিবর্ষণ ও বন্যার পানির প্রবল স্রোতে মাটি সরে গিয়ে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান। রাস্তা দিয়ে কোনো ধরনের যানবাহন প্রবেশ করতে পারে না। রাত-বিরাতে কোনো অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নেয়া যায় না। গ্রামের কেউ মারা গেলে মরদেহ দাফন করতে বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়। দীর্ঘ দুই বছরেরও অধিকসময় এলাকাবাসী দুর্ভোগের শিকার হলেও কোনো ধরনের ব্যবস্থা নেননি জনপ্রতিনিধি বা সংশ্লিষ্টরা। এতে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে ওই এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে।

সরেজমিন জানা যায়,উপজেলা সদর থেকে পার নিমাইচড়া গ্রামের দূরত্ব প্রায় ১০ কিলোমিটার। নিমাইচড়া বাজার থেকে পূর্বদিকে করতোয়া নদীর পাড় দিয়ে একটি কাঁচা রাস্তা নেমে গেছে পার নিমাইচড়া গ্রামে। চলনবিল থেকে করতোয়া নদীতে পানি যাওয়ার জন্য ওই এলাকায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের সেতু/কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ২৩ লাখ ৪৫ হাজার ৪৬৯ টাকা ব্যয়ে ৩০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি সেতু নির্মাণ করা হয়।

পার নিমাইচড়া গ্রামের আফজাল হোসেন যুগান্তরকে বলেন,সেতুটি নির্মাণের পর এলাকার মানুষ উপকৃত হয়েছিল। এখন সেতু দিয়ে হেঁটে চলাচল করা যায় না। সবচেয়ে বেশি বিড়ম্বনায় পড়তে হয় যখন কেউ মারা যান। মরদেহ দাফন করতে নদীতে নৌকায় পার করে নিয়ে যেতে হয় কবরস্থানে।

এ ব্যপারে নিমাইচড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান খোকনের মোবাইলে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। তবে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈকত ইসলামকে জানালে তিনি যুগান্তরকে বলেন,সেতু এবং রাস্তার ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলে অতিসত্বর মাটি ফেলে চলাচলের উপযোগী করে তোলা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন