কক্সবাজার জেলা পরিষদের বাংলোয় অফিস সহকারীর লাশ
jugantor
কক্সবাজার জেলা পরিষদের বাংলোয় অফিস সহকারীর লাশ

  কক্সবাজার প্রতিনিধি  

২৩ ডিসেম্বর ২০২০, ১৯:২৯:০৩  |  অনলাইন সংস্করণ

কক্সবাজার জেলা পরিষদের ডাকবাংলো থেকে আয়ুব আলী (৩৭) নামে এক কর্মচারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার বিকাল ৪টার দিকে জেলা পরিষদের ডাক বাংলোর ১৯নং কক্ষ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত আয়ুব চকরিয়া উপজেলার হরিয়াঘোনা এলাকার সৈয়দ হোসেনের ছেলে। তিনি জেলা পরিষদের প্রধান সহকারী রেজাউলের অফিস সহকারী ছিলেন বলে জানা গেছে।

ডাক বাংলোর কেয়ারটেকার জাফর বলেন, দুপুর ১টা ১০ মিনিটের দিকে আমার কাছ থেকে চাবি নিয়ে রুমে যায়। তারও কিছুক্ষণ পর আমি ওপরে গেলে দরজা খোলা দেখে প্রবেশ করি। তখন তার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পাই।

আয়ুবের স্ত্রী মমতাজ বেগম বলেন, রাতে শহরের বাহারছড়ার বাসায় ছিল। বেলা ১১টার দিকেও বাসায় যায়। সেখান থেকে অফিসে এসেছে। পরে দুপুর ২টার দিকে ডাক বাংলোর স্টাফ জাফর আমাকে ফোন করে বলেন চিফ রেজাউল আমাকে ডেকেছে। পৌনে ৪টার দিকে ১৯নং কক্ষে আমার স্বামীর লাশ দেখতে পেয়েছি।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, দিনে-দুপুরে একটা মানুষ কী করে আত্মহত্যা করতে পারে। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। স্বামী হত্যার বিচার দাবি করেন মমতাজ বেগম।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার এসআই মোশাররফ হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া লাশ উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছি। তবে শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন দেখা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর হত্যা না আত্মহত্যা নিশ্চিত হওয়া যাবে।

কক্সবাজার জেলা পরিষদের বাংলোয় অফিস সহকারীর লাশ

 কক্সবাজার প্রতিনিধি 
২৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০৭:২৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কক্সবাজার জেলা পরিষদের ডাকবাংলো থেকে আয়ুব আলী (৩৭) নামে এক কর্মচারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার বিকাল ৪টার দিকে জেলা পরিষদের ডাক বাংলোর ১৯নং কক্ষ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত আয়ুব চকরিয়া উপজেলার হরিয়াঘোনা এলাকার সৈয়দ হোসেনের ছেলে। তিনি জেলা পরিষদের প্রধান সহকারী রেজাউলের অফিস সহকারী ছিলেন বলে জানা গেছে।

ডাক বাংলোর কেয়ারটেকার জাফর বলেন, দুপুর ১টা ১০ মিনিটের দিকে আমার কাছ থেকে চাবি নিয়ে রুমে যায়। তারও কিছুক্ষণ পর আমি ওপরে গেলে দরজা খোলা দেখে প্রবেশ করি। তখন তার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পাই।

আয়ুবের স্ত্রী মমতাজ বেগম বলেন, রাতে শহরের বাহারছড়ার বাসায় ছিল। বেলা ১১টার দিকেও বাসায় যায়। সেখান থেকে অফিসে এসেছে। পরে দুপুর ২টার দিকে ডাক বাংলোর স্টাফ জাফর আমাকে ফোন করে বলেন চিফ রেজাউল আমাকে ডেকেছে। পৌনে ৪টার দিকে ১৯নং কক্ষে আমার স্বামীর লাশ দেখতে পেয়েছি।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, দিনে-দুপুরে একটা মানুষ কী করে আত্মহত্যা করতে পারে। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। স্বামী হত্যার বিচার দাবি করেন মমতাজ বেগম।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার এসআই মোশাররফ হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া লাশ উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছি। তবে শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন দেখা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর হত্যা না আত্মহত্যা নিশ্চিত হওয়া যাবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন